নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদাকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। আগামী ২৮ জুলাই এ আসনে ভোটগ্রহণের হওয়ার কথা রয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে চলমান লকডাউনেও নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব নয়। আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আজকের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না পেলে আগামীকাল আমরা আদালতের শরণাপন্ন হবো।
সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, কার্যত সংবিধানের ১২৩–এর দফা ৪ শর্তানুসারে সিলেট উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না–এই বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময় নির্বাচন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনো দিন ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী। ২৮ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা না থাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিতের অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবো।
যেসব আইনজীবীর পক্ষ থেকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁরা হলেন–মো. মুজাহিদুল ইসলাম, আল রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম এবং মুস্তাফিজুর রহমান।
আরও পড়ুন:

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদাকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। আগামী ২৮ জুলাই এ আসনে ভোটগ্রহণের হওয়ার কথা রয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে চলমান লকডাউনেও নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব নয়। আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আজকের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না পেলে আগামীকাল আমরা আদালতের শরণাপন্ন হবো।
সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, কার্যত সংবিধানের ১২৩–এর দফা ৪ শর্তানুসারে সিলেট উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না–এই বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময় নির্বাচন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনো দিন ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী। ২৮ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা না থাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিতের অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবো।
যেসব আইনজীবীর পক্ষ থেকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁরা হলেন–মো. মুজাহিদুল ইসলাম, আল রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম এবং মুস্তাফিজুর রহমান।
আরও পড়ুন:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৫ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে