
অবসরে গেলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম। ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ায় আজ মঙ্গলবার অবসরে যান তিনি। এদিন তাঁর শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিদায়ী সংবর্ধনায় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদায় নিচ্ছি বিচারকের আসন থেকে, কিন্তু ন্যায়ের আদর্শ থেকে নয়। সংবিধানের প্রতি আনুগত্য, আইনের শাসনের প্রতি আমার বিশ্বাস এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রের প্রতি আমার অঙ্গীকার আজীবন অক্ষুণ্ণ থাকবে। যত দিন সামর্থ্য থাকবে, তত দিন দেশের কল্যাণে আমার অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য দিয়ে অবদান রাখার চেষ্টা করব।’
বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম বলেন, ‘বিচার বিভাগ শুধু বিচারকদের নয়, শুধু আইনজীবীদেরও নয়। এই বিচার বিভাগ আমাদের সবার। বিচারক, আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারী-আমরা সবাই এই প্রতিষ্ঠানের অংশ। বিচার বিভাগের শক্তি আমাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসের ফল। তাই ভবিষ্যতেও বিচার বিভাগের কল্যাণে বার ও বেঞ্চ একসঙ্গে কাজ করবে, এই প্রত্যাশা করি।’
নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম বলেন, ‘একজন আইনজ্ঞের সবচেয়ে বড় সম্পদ তাঁর সততা, তারপর তাঁর অধ্যয়ন। আইনজ্ঞ হতে গেলে শেখার কোনো শেষ নেই। তাই নিয়মিত পড়তে হবে। বিচার বিভাগকে আরও দক্ষ, আধুনিক এবং সেবামুখী হতে হবে। বিচার শুধু প্রতিষ্ঠিত হলেই যথেষ্ট নয়; মানুষকেও তা দেখতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে যে বিচার হয়েছে। বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের আস্থা। সেই আস্থা রক্ষা করাই আমাদের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।’
অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার আহ্বান থাকবে সব সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতাকে জয় করে, ধৈর্য সহকারে, নির্ভয়ে-ন্যায়ের পক্ষে থাকুন। তবেই জনগণের আস্থা অটুট থাকবে। একজন বিচারকের আনুগত্য কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ক্ষমতার প্রতি নয়। তাঁর আনুগত্য সংবিধানের প্রতি, আইনের প্রতি এবং নিজের বিবেকের প্রতি।’

গত কয়েক দিনের অতিবৃষ্টির ফলে সুয়ারেজ ও বর্ষার পানি একাকার হয়ে ঢাকা বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য (জামায়াত) সাইফুল আলম মিলন। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব কথা বলেন সাইফুল আলম...
১ ঘণ্টা আগে
বাস্তবতার নিরিখে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
‘আমার ব্যক্তিগত কোনো মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেছেন। এ ব্যাপারে আমি বলতে চাই, আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে কিছু বলি নাই। যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকে, সিম্পলি দুঃখপ্রকাশ করছি। আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকালকে (সোমবার) যে পদার্থ বিজ্ঞানের পরীক্ষা হয়েছে, হিসাব বিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা হয়ে
৩ ঘণ্টা আগে
শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানী ছিলেন সমকালীন বিশ্বের অন্যতম প্রজ্ঞাবান ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর নেতৃত্বে কাতার একটি দ্রুত উন্নয়নশীল, আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি, অবকাঠামো, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে তাঁর যুগান্তকারী অবদান কাতারকে বিশ্বে এক
৩ ঘণ্টা আগে