
স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিবসের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত একজন করে শিক্ষককে বাধ্যতামূলকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হবে। চলতি বছরে একটি নীতিমালার ভিত্তিতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকেন। চলতি বছর থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত একজন করে শিক্ষককে এসব অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একজন শিক্ষক কর্মরত থাকুন কিংবা অবসরজীবনে, তাঁর মহান পেশার কারণেই আমৃত্যু তিনি রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।
শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকতা পেশাকে আরও সম্মানজনক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য সরকার কাজ করছে।
তারেক রহমান বলেন, শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রয়োজন অনুযায়ী ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
শিক্ষকদের বেতন ও অবসর ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের নির্দেশনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন শিক্ষককে শুধু বেতন বা অবসর ভাতার জন্য কষ্ট করে অফিসে ঘুরতে হবে না। যথানিয়মে যথাসময়ে তাঁর প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষকেরাই জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।
শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষকদের ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য—‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদা উন্নয়ন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠন’।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, প্রায় ১৬ বছর পর অনেক ত্যাগের বিনিময়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে কমিটি ও মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করবে।
২২ মিনিট আগে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন-সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে।
৩৮ মিনিট আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংগঠনটি বলেছে, সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, পেশাগত কাজে বাধা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মূল ভিত্তি হচ্ছে সমান সুযোগ, মানসম্মত শিক্ষা এবং বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুযোগের পার্থক্য কমিয়ে দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে