
মিয়ানমারের পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে সংকটের বিষয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখতে ও রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে দেশটি।
আজ রোববার রাজধানীতে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ দ্বিতীয় দিনের সেশনে দেওয়া বক্তব্যে ব্রিটিশ হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।
সারাহ কুক বলেন, ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে অসাধারণ উদারতা দেখিয়েছে, যুক্তরাজ্য তা স্বীকার করে। রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার পাশাপাশি সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখতে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো—পরিস্থিতি যখন অনুমতি দেবে, তখন রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া।
রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ ও জবাবদিহির ওপরও গুরুত্ব দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। তিনি বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারবিষয়ক পেনহোল্ডার হিসেবে যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ ও জবাবদিহির জন্য চাপ অব্যাহত রাখছে। চলতি বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদেও সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগ বজায় রাখার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য আলোচনায় সহ-আয়োজক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্যও মানবিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান শুধু বাংলাদেশে থাকা শরণার্থীদের সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সংকটের মূল কারণ ও উৎস মিয়ানমারেই রয়েছে।
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও অভিন্ন লক্ষ্যকে ভিত্তি করে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা এই অঞ্চলে মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক নিশ্চিত করা দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ।
সারাহ কুক বলেন, বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ শুধু সামরিক শক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও জলবায়ুজনিত নিরাপত্তাঝুঁকির মতো বিষয়গুলো মোকাবিলায় ঐতিহ্যগত সীমারেখার বাইরে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন দুই দেশের অংশীদারত্ব মূলত উন্নয়ন সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও বর্তমানে তা আধুনিক কৌশলগত অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। এই সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রসঙ্গে সারাহ কুক বলেন, উত্তরণপ্রক্রিয়াটি যেন মসৃণ ও টেকসই হয়, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে চায়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। এলডিসি উত্তরণের পর আরও তিন বছর এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে। এরপরও তৈরি পোশাকসহ ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত থাকবে।

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, জায়গাটির ইজারার মেয়াদও শেষ হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশু একাডেমির জন্য জায়গাটি স্থায়ীভাবে ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারত বাণিজ্য ও কনস্যুলার-বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (যৌথ কার্যনির্বাহী দল) এক বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে বাণিজ্যবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক ৮ ও ৯ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কনস্যুলার-বিষয়ক
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গাবতলীতে গত ১৩ জুলাই দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে কোডিনযুক্ত ৫৫০ বোতল এস্কাফ (নতুন মাদক) ও তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আটক করা হয় এক চালককে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ভারত সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্ত থেকে...
১০ ঘণ্টা আগে
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে চট্টগ্রাম-ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে তিন দিন (২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর) বিশেষ ট্রেন চালাবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। যাত্রীর চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন রুটের ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ আটটি স্টেশনে রিলিফ ইঞ্জিন প্রস্তুত রাখা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে