
শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় কর্মরত আছেন, তাঁদের অন্যত্র বদলির নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে তিনি মাঠ-পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
গতকাল সোমবার উপদেষ্টা মাঠ পর্যায়ে শ্রম অধিদপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব নির্দেশনা দেন উপদেষ্টা।
ড. সাখাওয়াত হোসেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন শ্রমঘন অঞ্চল পরিদর্শন করছেন। সোমবার কলকারখানা মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মাঠপর্যায়ের কোনো কোনো কর্মকর্তার-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপদেষ্টা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।
এদিকে দাপ্তরিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ১১৮ জন শ্রম পরিদর্শক, উপমহাপরিদর্শক ৭ জন, যুগ্ম মহাপরিদর্শক ৩ জন, সহকারী মহাপরিদর্শক ১ জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৯ জনকে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া শ্রম অধিদপ্তরের ২৭ জন ১ম শ্রেণির কর্মকর্তা, ১৬ জন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এবং ২৮ জন তৃতীয় শ্রেণি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে।

দেশ ছাড়ার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, কর্মস্থল থেকে ‘যথাযথভাবে’ বিদায় নিয়েই তিনি ঢাকা ছেড়েছেন।
৩২ মিনিট আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি দিনভর শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ভরে যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চত্বর। শহীদ স্মৃতি অমর করতে গড়া এই মিনার জানিয়ে দেয়, মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিল বাঙালি। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এখন যে মিনারটি রয়েছে, তা বায়ান্নর রক্ত ঝরার কয়েক বছর পর নানা পর্বে নির্মিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে পা রাখবেন জাতীয় সংসদে।
৬ ঘণ্টা আগে
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। এই গণভোটের বিষয়বস্তু ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর স্বীকৃত সংবিধান সংস্কারের বিভিন্ন প্রস্তাব। ১২ ফেব্রুয়ারি যাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে (৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ) রায় দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে