কোথায় যাবেন
ফিচার ডেস্ক

সুন্দর সমুদ্রসৈকত, বিলাসবহুল রিসোর্ট এবং ব্যতিক্রমী আতিথেয়তা। এই তিন সুবিধার জন্য ভ্রমণের তালিকায় প্রথমেই আসত থাইল্যান্ডের নাম। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সেরা গন্তব্য ছিল থাইল্যান্ড। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির এই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জে ফেলে দিয়েছে পাশের দেশ ভিয়েতনাম। থাইল্যান্ডের গণমাধ্যম ‘ব্যাংকক পোস্ট’-এর একটি জরিপ জানাচ্ছে, থাইল্যান্ডকে পেছনে ফেলে সৈকতভিত্তিক ছুটি কাটানোর গন্তব্য হিসেবে ভিয়েতনাম এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শীর্ষ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, থাইল্যান্ডের বিকল্প হিসেবে ভিয়েতনাম কি সত্যিই প্রস্তুত?
জুলাই ৩০ থেকে আগস্ট ১২ পর্যন্ত ‘ব্যাংকক পোস্ট’ পরিচালিত সেই অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ভিয়েতনামকে তাদের পছন্দের সৈকত গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। এই হার অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশি। তালিকায় ফিলিপাইনের কথা বলেছে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ, ইন্দোনেশিয়ার কথা বলেছে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ, মালয়েশিয়া ১২ দশমিক ৭ শতাংশ, কম্বোডিয়া ১২ দশমিক ৭ শতাংশ আর সিঙ্গাপুরের কথা বলেছে ১১ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ। এই ফলাফলে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ভিয়েতনাম এখন সৈকতপ্রেমীদের নতুন পছন্দের তালিকার শীর্ষে।
সৈকতের রাজ্যে নতুন তারকা
ভিয়েতনামের দ্বীপ ফু কুয়ক বর্তমানে পর্যটনক্ষেত্রে অন্যতম আলোচিত নাম। ‘ট্রাভেল+লিজার’ ম্যাগাজিনের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সেরা ১০টি দ্বীপের মধ্যে সম্প্রতি তৃতীয় হয়েছে এই দ্বীপ। ‘কন্দে নেস্ট ট্রাভেলার’-এর পাঠক জরিপে এটি এশিয়ার দ্বিতীয় সুন্দরতম দ্বীপ নির্বাচিত হয়েছে। দ্বীপটিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, উন্নত বিমানবন্দর, সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এসব মিলিয়ে ফু কুয়ক এখন ভিয়েতনামের পর্যটনশিল্পের পোস্টারবয় হয়ে উঠেছে।
ভিয়েতনামের সমুদ্র ঐশ্বর্য
ভিয়েতনামের রয়েছে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা। এই উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে বিস্ময়কর সব জায়গা। নহা ট্রাং-এ আছে উজ্জ্বল সমুদ্রসৈকত আর প্রাণবন্ত শহুরে জীবন, ঐতিহাসিক শহর এবং সমুদ্রের নৈসর্গিক মেলবন্ধন ঘটেছে হোই আনে শহরে। আধুনিক রিসোর্ট, গোল্ডেন বিচ এবং রোমাঞ্চকর ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যাবে দা নাং-এর দিকে। ইউনেসকো স্বীকৃত নৈসর্গিক জলরাশি ও চুনাপাথরের দ্বীপ হা লং বে। এই গন্তব্যগুলো শুধু প্রাকৃতিক নয়, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।
পর্যটন অবকাঠামোয় বিশাল বিনিয়োগ
ভিয়েতনাম সরকার পর্যটন খাতকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করছে। এ জন্য দেশটির সরকার বিলাসবহুল রিসোর্ট ও হোটেল নির্মাণে বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়া দেশটি পরিবহনব্যবস্থায় আধুনিকীকরণ, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সংযোগ বাড়ানো এবং টেকসই পর্যটনে বিশেষ জোর দিয়েছে। এই উন্নয়নগুলো পর্যটকদের কাছে ভিয়েতনামকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজলভ্য করে তুলেছে।
থাইল্যান্ড বনাম ভিয়েতনাম: কে এগিয়ে
পর্যটকদের মধ্যে নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগের দুর্বলতা বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে থাইল্যান্ডে। সঙ্গে আছে পর্যটন পণ্যে ভিন্নতা ও মৌলিকত্বের অভাব।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও বাণিজ্যিকীকরণের কারণে শান্ত পরিবেশের অভাব দেশটিকে পিছিয়ে দিচ্ছে ভিয়েতনাম থেকে। অন্যদিকে ভিয়েতনামে অপেক্ষাকৃত শান্ত ও কম ভিড় থাকা সৈকত, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব পরিবেশ আছে। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার ভারসাম্য দেশটিকে আরও পর্যটনপ্রিয় করে তুলেছে। বাজেটবান্ধব ও বিলাসবহুল পর্যটনে সমান উপযোগী দেশ হয়ে উঠেছে ভিয়েতনাম।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ম্যাগাজিন ও গাইডভিত্তিক জরিপে ভিয়েতনামের সমুদ্রসৈকত ও দ্বীপগুলো আন্তর্জাতিক পর্যটকদের নজরে চলে এসেছে। বিশ্ব এখন ‘নতুন থাইল্যান্ড’ খুঁজছে।
সেই জায়গা দখল করছে ভিয়েতনাম। থাইল্যান্ড হয়তো এখনো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে পরিচিত গন্তব্য। কিন্তু ভিয়েতনামের উত্থান তাকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে দিয়েছে।

সুন্দর সমুদ্রসৈকত, বিলাসবহুল রিসোর্ট এবং ব্যতিক্রমী আতিথেয়তা। এই তিন সুবিধার জন্য ভ্রমণের তালিকায় প্রথমেই আসত থাইল্যান্ডের নাম। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সেরা গন্তব্য ছিল থাইল্যান্ড। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির এই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জে ফেলে দিয়েছে পাশের দেশ ভিয়েতনাম। থাইল্যান্ডের গণমাধ্যম ‘ব্যাংকক পোস্ট’-এর একটি জরিপ জানাচ্ছে, থাইল্যান্ডকে পেছনে ফেলে সৈকতভিত্তিক ছুটি কাটানোর গন্তব্য হিসেবে ভিয়েতনাম এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শীর্ষ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, থাইল্যান্ডের বিকল্প হিসেবে ভিয়েতনাম কি সত্যিই প্রস্তুত?
জুলাই ৩০ থেকে আগস্ট ১২ পর্যন্ত ‘ব্যাংকক পোস্ট’ পরিচালিত সেই অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ভিয়েতনামকে তাদের পছন্দের সৈকত গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। এই হার অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশি। তালিকায় ফিলিপাইনের কথা বলেছে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ, ইন্দোনেশিয়ার কথা বলেছে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ, মালয়েশিয়া ১২ দশমিক ৭ শতাংশ, কম্বোডিয়া ১২ দশমিক ৭ শতাংশ আর সিঙ্গাপুরের কথা বলেছে ১১ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ। এই ফলাফলে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ভিয়েতনাম এখন সৈকতপ্রেমীদের নতুন পছন্দের তালিকার শীর্ষে।
সৈকতের রাজ্যে নতুন তারকা
ভিয়েতনামের দ্বীপ ফু কুয়ক বর্তমানে পর্যটনক্ষেত্রে অন্যতম আলোচিত নাম। ‘ট্রাভেল+লিজার’ ম্যাগাজিনের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সেরা ১০টি দ্বীপের মধ্যে সম্প্রতি তৃতীয় হয়েছে এই দ্বীপ। ‘কন্দে নেস্ট ট্রাভেলার’-এর পাঠক জরিপে এটি এশিয়ার দ্বিতীয় সুন্দরতম দ্বীপ নির্বাচিত হয়েছে। দ্বীপটিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, উন্নত বিমানবন্দর, সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এসব মিলিয়ে ফু কুয়ক এখন ভিয়েতনামের পর্যটনশিল্পের পোস্টারবয় হয়ে উঠেছে।
ভিয়েতনামের সমুদ্র ঐশ্বর্য
ভিয়েতনামের রয়েছে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা। এই উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে বিস্ময়কর সব জায়গা। নহা ট্রাং-এ আছে উজ্জ্বল সমুদ্রসৈকত আর প্রাণবন্ত শহুরে জীবন, ঐতিহাসিক শহর এবং সমুদ্রের নৈসর্গিক মেলবন্ধন ঘটেছে হোই আনে শহরে। আধুনিক রিসোর্ট, গোল্ডেন বিচ এবং রোমাঞ্চকর ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যাবে দা নাং-এর দিকে। ইউনেসকো স্বীকৃত নৈসর্গিক জলরাশি ও চুনাপাথরের দ্বীপ হা লং বে। এই গন্তব্যগুলো শুধু প্রাকৃতিক নয়, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।
পর্যটন অবকাঠামোয় বিশাল বিনিয়োগ
ভিয়েতনাম সরকার পর্যটন খাতকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করছে। এ জন্য দেশটির সরকার বিলাসবহুল রিসোর্ট ও হোটেল নির্মাণে বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়া দেশটি পরিবহনব্যবস্থায় আধুনিকীকরণ, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সংযোগ বাড়ানো এবং টেকসই পর্যটনে বিশেষ জোর দিয়েছে। এই উন্নয়নগুলো পর্যটকদের কাছে ভিয়েতনামকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজলভ্য করে তুলেছে।
থাইল্যান্ড বনাম ভিয়েতনাম: কে এগিয়ে
পর্যটকদের মধ্যে নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগের দুর্বলতা বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে থাইল্যান্ডে। সঙ্গে আছে পর্যটন পণ্যে ভিন্নতা ও মৌলিকত্বের অভাব।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও বাণিজ্যিকীকরণের কারণে শান্ত পরিবেশের অভাব দেশটিকে পিছিয়ে দিচ্ছে ভিয়েতনাম থেকে। অন্যদিকে ভিয়েতনামে অপেক্ষাকৃত শান্ত ও কম ভিড় থাকা সৈকত, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব পরিবেশ আছে। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার ভারসাম্য দেশটিকে আরও পর্যটনপ্রিয় করে তুলেছে। বাজেটবান্ধব ও বিলাসবহুল পর্যটনে সমান উপযোগী দেশ হয়ে উঠেছে ভিয়েতনাম।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ম্যাগাজিন ও গাইডভিত্তিক জরিপে ভিয়েতনামের সমুদ্রসৈকত ও দ্বীপগুলো আন্তর্জাতিক পর্যটকদের নজরে চলে এসেছে। বিশ্ব এখন ‘নতুন থাইল্যান্ড’ খুঁজছে।
সেই জায়গা দখল করছে ভিয়েতনাম। থাইল্যান্ড হয়তো এখনো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে পরিচিত গন্তব্য। কিন্তু ভিয়েতনামের উত্থান তাকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে দিয়েছে।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
৪ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
৬ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
৮ ঘণ্টা আগে