ফিচার ডেস্ক

রূপচর্চাকে যাঁরা বিলাসবহুল মনে করেন; অথবা দিনের শেষে ক্লান্তির কারণে ত্বকে কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন না, তাঁরা জেনে রাখুন, সব সমস্যার সমাধান মিটবে পানিতেই। রূপচর্চায় পানিকে নানাভাবে ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে ফেস মিস্ট, আইস কিউব, স্টিম থেরাপি, গোসল অন্যতম। কথা হচ্ছে, ত্বকের কোন সমস্যার জন্য পানির কোন ধরনকে সমাধান হিসেবে বেছে নেবেন, সেটা বুঝলেই অর্ধেক মুশকিল আসান।
ত্বকে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে ফেস মিস্ট
ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে ফেস মিস্ট এখন দারুণ জনপ্রিয়। অনেকে টোনার ও ফেস মিস্টকে এক ভাবলেও টোনারের সঙ্গে ফেস মিস্টের মধ্য়ে খানিকটা পার্থক্য় রয়েছে।
টোনার ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কারে সহায়তা করে। ত্বকের রোমকূপ বড় হয়ে গেলে টোনার ব্যবহারে সমস্যার সমাধান হয়। অন্যদিকে ফেস মিস্ট শুধু ত্বক আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে। ফেস মিস্ট যেকোনো ধরনের ত্বকে ব্যবহার করা যায়। সারা দিনে যখন ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠছে মনে হবে, ততবারই মিস্ট ব্যবহার করা যাবে। টোনার ব্যবহার করার পরও মুখে ফেস মিস্ট লাগাতে পারেন। মিস্টের পর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। ব্র্যান্ডের ফেস মিস্ট কেনার সময় খেয়াল রাখবেন, যেন এতে প্যারাবেন বা সালফেটের মতো রাসায়নিক উপাদান না থাকে। প্রাকৃতিক ফেস মিস্ট তৈরি করতে চাইলে দুই ভাগ গোলাপজল এবং এক ভাগ পানি মিশিয়ে ছোট স্প্রে বোতলে ভরে ব্যাগে রেখে দিন। প্রয়োজনমতো ব্যবহার করুন।
শরীর–মন চনমনে রাখে গোসল
গোসল আমাদের ভেতরে তরতাজা ভাব নিয়ে আসে। শরীরের ক্লান্তি ও নানা রকম ব্যথা দূর করতেও গোসলের জুড়ি নেই। গোসলের পানিতে সি সল্ট, পাতিলেবুর রস, বাথ বম্ব—এগুলো ব্যবহারে শরীর তো শিথিল হয়ই, পাশাপাশি বাথবম্ব ও সি সল্টের ব্যবহার ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে। ঠান্ডা পানির চেয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে শরীর বেশি আরাম পায়। তবে গোসলের পানি বেশি গরম হলে ত্বক অতিমাত্রায় শুষ্ক হয়ে ওঠে।
ঘোরাঘুরি করে ফেরার পর পা ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে ফুটবাথও নিতে পারেন। এতে ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ে। যার কারণে পায়ে ব্যথা ও পায়ের ক্লান্তি দূর হয়। হাতের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
বরফ থেরাপি
ত্বকের যত্নে আইসকিউব খুব উপকারী। ফ্রিজে পানি আইসকিউব করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়। আবার বিভিন্ন ফল ও সবজির রস বরফ করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়। ত্বকে বরফ ব্যবহার করলে ত্বকের বড় হয়ে যাওয়া রোমকূপ ছোট হয়। এ ছাড়া ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতেও আইসকিউবের জুড়ি নেই। ত্বকের ব্রণ ও তৈলাক্ত ভাব দূর করার সহজ সমাধান হিসেবেও বরফ ব্যবহার করা যায়। সানট্যান দূর করতেও ত্বকে বরফ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

গরম পানির ভাপ
ফেশিয়ালে স্টিম বা গরম পানির ভাপ নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। স্টিম নিলে ত্বকের রোমকূপ খুলে যায়। এতে করে মুখের ত্বকের গভীরে জমে থাকা বাড়তি তেল বা সেবাম, ময়লা ইত্যাদি দূর হয়। ফলে ত্বকে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে। যাঁদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা অনায়াসে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।
তবে এসবের বাইরেও যদি পর্যাপ্ত পানি ও ফলের রস পান করা যায়, তাহলে চেহারায় আরও দীপ্তি ফুটে ওঠে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

রূপচর্চাকে যাঁরা বিলাসবহুল মনে করেন; অথবা দিনের শেষে ক্লান্তির কারণে ত্বকে কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন না, তাঁরা জেনে রাখুন, সব সমস্যার সমাধান মিটবে পানিতেই। রূপচর্চায় পানিকে নানাভাবে ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে ফেস মিস্ট, আইস কিউব, স্টিম থেরাপি, গোসল অন্যতম। কথা হচ্ছে, ত্বকের কোন সমস্যার জন্য পানির কোন ধরনকে সমাধান হিসেবে বেছে নেবেন, সেটা বুঝলেই অর্ধেক মুশকিল আসান।
ত্বকে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে ফেস মিস্ট
ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে ফেস মিস্ট এখন দারুণ জনপ্রিয়। অনেকে টোনার ও ফেস মিস্টকে এক ভাবলেও টোনারের সঙ্গে ফেস মিস্টের মধ্য়ে খানিকটা পার্থক্য় রয়েছে।
টোনার ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কারে সহায়তা করে। ত্বকের রোমকূপ বড় হয়ে গেলে টোনার ব্যবহারে সমস্যার সমাধান হয়। অন্যদিকে ফেস মিস্ট শুধু ত্বক আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে। ফেস মিস্ট যেকোনো ধরনের ত্বকে ব্যবহার করা যায়। সারা দিনে যখন ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠছে মনে হবে, ততবারই মিস্ট ব্যবহার করা যাবে। টোনার ব্যবহার করার পরও মুখে ফেস মিস্ট লাগাতে পারেন। মিস্টের পর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। ব্র্যান্ডের ফেস মিস্ট কেনার সময় খেয়াল রাখবেন, যেন এতে প্যারাবেন বা সালফেটের মতো রাসায়নিক উপাদান না থাকে। প্রাকৃতিক ফেস মিস্ট তৈরি করতে চাইলে দুই ভাগ গোলাপজল এবং এক ভাগ পানি মিশিয়ে ছোট স্প্রে বোতলে ভরে ব্যাগে রেখে দিন। প্রয়োজনমতো ব্যবহার করুন।
শরীর–মন চনমনে রাখে গোসল
গোসল আমাদের ভেতরে তরতাজা ভাব নিয়ে আসে। শরীরের ক্লান্তি ও নানা রকম ব্যথা দূর করতেও গোসলের জুড়ি নেই। গোসলের পানিতে সি সল্ট, পাতিলেবুর রস, বাথ বম্ব—এগুলো ব্যবহারে শরীর তো শিথিল হয়ই, পাশাপাশি বাথবম্ব ও সি সল্টের ব্যবহার ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে। ঠান্ডা পানির চেয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে শরীর বেশি আরাম পায়। তবে গোসলের পানি বেশি গরম হলে ত্বক অতিমাত্রায় শুষ্ক হয়ে ওঠে।
ঘোরাঘুরি করে ফেরার পর পা ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে ফুটবাথও নিতে পারেন। এতে ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ে। যার কারণে পায়ে ব্যথা ও পায়ের ক্লান্তি দূর হয়। হাতের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
বরফ থেরাপি
ত্বকের যত্নে আইসকিউব খুব উপকারী। ফ্রিজে পানি আইসকিউব করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়। আবার বিভিন্ন ফল ও সবজির রস বরফ করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়। ত্বকে বরফ ব্যবহার করলে ত্বকের বড় হয়ে যাওয়া রোমকূপ ছোট হয়। এ ছাড়া ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতেও আইসকিউবের জুড়ি নেই। ত্বকের ব্রণ ও তৈলাক্ত ভাব দূর করার সহজ সমাধান হিসেবেও বরফ ব্যবহার করা যায়। সানট্যান দূর করতেও ত্বকে বরফ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

গরম পানির ভাপ
ফেশিয়ালে স্টিম বা গরম পানির ভাপ নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। স্টিম নিলে ত্বকের রোমকূপ খুলে যায়। এতে করে মুখের ত্বকের গভীরে জমে থাকা বাড়তি তেল বা সেবাম, ময়লা ইত্যাদি দূর হয়। ফলে ত্বকে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে। যাঁদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা অনায়াসে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।
তবে এসবের বাইরেও যদি পর্যাপ্ত পানি ও ফলের রস পান করা যায়, তাহলে চেহারায় আরও দীপ্তি ফুটে ওঠে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
৫ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
৬ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
৮ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
১২ ঘণ্টা আগে