
সব তো ঠিকঠাকই রয়েছে, তবু বিকেলবেলা আয়নায় নাকের ওপর র্যাশ দেখতে পেলেন। হঠাৎ ত্বকে টান ধরছে, ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের নিচে যেন একদিন বেশিই কালো লাগছে অথবা রোমকূপ বড় লাগছে দেখতে। কেন হয় এগুলো? রাতারাতি ত্বকের এসব সমস্যা নানা কারণে দেখা দিতে পারে। যত্ন নিচ্ছেন, কিন্তু ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে কী ভুল করছেন, সেটা জানাও জরুরি। জীবনযাপনে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না, সে কথাও ভাবতে হবে। তারপরই সমাধান মিলবে। হঠাৎ মুখের ত্বকে সমস্যা দেখা দিলে যে বিষয়গুলো যাচাই করে দেখতে হবে, সেগুলো হলো—
বাড়িতে ফেশিয়াল করে অভ্যস্ত অনেকে। ফলে অনেকে নানা ধরনের ফেশিয়াল ক্রিম কেনেন। ত্বকের উপযোগী ফেশিয়াল ম্যাসাজ ক্রিম ব্যবহার না করলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু আপনি ত্বকের কোন ধরনের পরিবর্তনগুলো চাচ্ছেন, তা বিউটি এক্সপার্টকে জানালে তিনি সে ধরনের ফেশিয়াল করার পরামর্শ দেবেন। পারলার বা স্যালনে ম্যাসাজটা ভালো। পাশাপাশি কত দিন পরপর এই সেবা আপনাকে নিতে হবে, তা-ও তিনি বলে দেবেন।
শরীরের প্রতিটি অংশই অনিয়ন্ত্রিত মানসিক চাপের কারণে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। ত্বকের অবস্থার বিষয়ে একজিমা, সোরিয়াসিসসহ অনেক প্রদাহজনিত রোগের কারণ অন্তত আংশিকভাবে মানসিক চাপ হতে পারে। মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ আরও খারাপ আকার ধারণ করে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ আপনার ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ফলে ত্বক ধূসর ও অনুজ্জ্বল হয়ে যেতে পারে। তাই নিজেকে শান্ত রাখার জন্য যা যা করা সম্ভব, সেগুলো করতে হবে। এর মধ্যে থাকতে পারে কাজের পর যোগব্যায়ামের ক্লাসে যাওয়া, বিভিন্ন মেডিটেশন অ্যাপ ব্যবহার করা অথবা উৎসবের আয়োজনের পরিকল্পনার কিছু কাজ পরিবার ও বন্ধুদের ওপর ছেড়ে দেওয়া।

আজকাল বিভিন্ন ধরনের সেরামের ব্যবহার বেড়েছে, এ কথা অজানা নয়। এগুলো রোমকূপ পরিষ্কার করে, কোলাজেন বাড়ায় এবং হাইপারপিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে। এই পণ্যগুলো যতই ভালো হোক, তা আসলেই ত্বকের জন্য জরুরি কি না, সেটা বুঝে ব্যবহার না করলে ভুগতে হবে। এগুলো কোনো কোনো ত্বকে লালচে ভাব সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি এসব উপকারিতা দেওয়ার আগেই ব্রণ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য নিজে নিজে এ ধরনের পণ্য ব্যবহার না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ত্বকের উপযোগী পণ্য ব্যবহার করা ভালো; বিশেষ করে উৎসবের আগে।
ত্বকে মৃত কোষ জমলে তা আলোর প্রতিফলনে বাধা দেয়, ফলে ত্বক নিষ্প্রভ দেখায়। এর সমাধান? বিশেষ দিনে ভেতর থেকে উজ্জ্বল আভা ছড়াতে নিয়মিত এক্সফোলিয়েশনের দরকার। নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন মৃত কোষ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। প্রথমে সপ্তাহে একবার এক্সফোলিয়েট করুন। মাসখানেক পর যদি আপনি তা সহ্য করতে পারেন, তবে সপ্তাহে দুবার করতে পারেন।
ত্বকে সতেজতা ফিরে পেতে মৌসুমি ফল এবং সবজির জুস ও স্মুদি পান করা যেতে পারে। ঘরে তৈরি তাজা জুস ত্বকের জন্য ভালো। কারণ, এটি অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং এতে থাকা অত্যাবশ্যকীয় খনিজ লসিকাতন্ত্রকে উদ্দীপিত করতে এবং ত্বকের ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত নয়, দিনে এক গ্লাস জুস পান করাই যথেষ্ট।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ, হেলথলাইন ও অন্যান্য

সত্যি কি পোষা প্রাণী আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে? গবেষণা বলছে, প্রচণ্ড মানসিক চাপের মুহূর্তে বিড়ালকে আদর করা বা তাদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করা আপনার মেজাজ ভালো করার বদলে উল্টো আরও বিগড়ে দিতে পারে। অধিকাংশ মানুষ বিড়ালের শারীরিক ভাষা বা তাদের অপছন্দ বুঝতে ভুল করেন। নিজের খারাপ লাগার মুহূর্তে...
৬ ঘণ্টা আগে
যাঁরা এবার প্রথম কচুমুখী রাঁধবেন, তাঁদের জন্য এই রেসিপি। চিংড়ি দিয়ে কচুমুখী রান্নার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। কচুমুখী ৫০০ গ্রাম, চিংড়ি বড় ৮টি, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতাকুচি...
৮ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার, চুল নিয়মিত আঁচড়ানো, বাঁধার ধরন এবং আরও টুকিটাকি যত্ন নিয়ে সিল্কি চুল পেতে হতো আগেকার দিনের নারীদের। এখনকার সঙ্গে সে সময়ের পার্থক্য হলো, ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে চুলের যে ক্ষতি হয় এখন, তখনকার দিনের প্রাকৃতিক কেশচর্চায় তা হওয়ার আশঙ্কা ছিল না। চুল সিল্কি তো হতোই...
১০ ঘণ্টা আগে
মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম ভাষা। অনেকে বলেন, ঝগড়া করার সময় নাকি মাতৃভাষায় ঝগড়া করতেই বেশি শান্তি পাওয়া যায়। এমন অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজেদের ভাষা বা কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে বেশি পছন্দ করি। তাই প্রশ্ন আসতেই পারে, আমরা যখন অন্য কোনো ভাষায় কথা বলি, তখন কি শুধু শব্দের পরিবর্তন ঘটে...
১ দিন আগে