
হেঁশেলে রান্নার ঘ্রাণ বলে দেয়, দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। বাজারে জলপাই উঠেছে; ডালে ও তরকারিতে যোগ হয়েছে নতুন স্বাদ। কয়েক পদের তরকারি রান্নার ঝামেলা এড়াতে ব্যস্ত দিনে জলপাই ও মুলা দিয়ে রান্না করুন মসুর ডাল। গরম ভাতের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগবে। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
উপকরণ
মুলা ৫০০ গ্রাম, আস্ত জলপাই ২টি, মসুর ডাল ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদা ও রসুনবাটা এক চা-চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া এক চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচের ফালি ৫ থেকে ৬টি, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি আধা কাপ।
প্রণালি
মুলার খোসা ছাড়িয়ে গোল গোল করে কেটে নিন। এবার মসুর ডাল ধুয়ে যে হাঁড়িতে রান্না করবেন, সেখানে নিয়ে নিন। তারপর আদা ও রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া, লবণ, সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে পরিমাণমতো পানি দিন। মসুর ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ডাল ঘুটনি দিয়ে ঘুঁটে নিন। এবার কেটে রাখা মুলা দিন। মুলা সেদ্ধ হয়ে এলে জলপাই ও কাঁচা মরিচের ফালি দিয়ে অনবরত নেড়ে নিন। এতে কাঁচা মরিচের রং খুব সুন্দর থাকে। শেষে লবণ দেখে ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল জলপাই ও মুলা দিয়ে মসুর ডাল। এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

সারা দিন আমরা কতখানি শক্তি অনুভব করব তা অনেকাংশেই নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। দিনের প্রথম খাবারটি কেবল ক্ষুধাই মেটায় না; বরং সারা দিনের কাজের গতি ও মনোযোগ ঠিক রাখতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেরই সকালের নাশতায় পছন্দের তালিকায় থাকে ফল। আর ফলের কথা ভাবলেই মনে আসে কমলা আর কলার নাম।
৩২ মিনিট আগে
বিশ শতকের শুরুর দিকে যখন কর্নফ্লেক্স আর গ্রানোলা বারকে ‘হেলথ ফুড’ হিসেবে মার্কেটিং করা শুরু হয়, তখন থেকে আমরা শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের মোহে পড়ে প্রোটিন অবহেলা করতে শুরু করেছি। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, আপনার শরীরের প্রতিটি কোষ থেকে শুরু করে হরমোনের ভারসাম্য—সবকিছুর চালিকা শক্তি হলো এই প্রোটিন...
১৪ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি এখন আর সেলেনা গোমেজ বা কিম কার্দাশিয়ানের মতো সেলিব্রিটিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন অনেকে সম্পর্কে বিচ্ছেদের মতো জীবনের একটি কঠিন ঘটনার পর পারলারে গিয়ে চুলে দিচ্ছেন ইচ্ছেমতো কাট। মনে হচ্ছে, বিচ্ছেদের পুরো দায়দায়িত্ব চুলের। আর কেটে ফেললেই পাওয়া যাবে শান্তি।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমাদের সারা দিনের খাদ্যতালিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে, সকাল থেকে রাত, প্রতি বেলার খাবার শর্করায় ভরপুর। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, টানা ৩০ দিন যদি এই শর্করা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন তবে আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন দেখা দিতে পারে? এক মাস সময়টি আসলে খুব দীর্ঘ না হলেও শরীরের অভ্যন্তরীণ...
১৮ ঘণ্টা আগে