আজকের পত্রিকা ডেস্ক

একই বিষয়ে আগ্রহী মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে ফেসবুক গ্রুপ। এই ফেসবুকের গ্রুপের একটি কার্যকর ফিচার হলো—ইভেন্ট তৈরি করার সুবিধা।
আপনি চাইলে মিটআপ, ওয়েবিনার কিংবা যেকোনো ধরনের ইভেন্ট তৈরি করতে পারেন, আর ফেসবুক গ্রুপের ইভেন্ট ফিচার কমিউনিটির সদস্যদের কাছাকাছি আনার এক দুর্দান্ত উপায় হতে পারে।
ফেসবুক গ্রুপে ইভেন্ট তৈরির জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন এবং যে গ্রুপে ইভেন্ট তৈরি করতে চান সেই গ্রুপে প্রবেশ করুন। ইভেন্ট তৈরি করার জন্য গ্রুপের অ্যাডমিন বা অনুমোদিত সদস্য হওয়া প্রয়োজন।
২. এরপর ওপরের দিকে কিছু সেকশন দেখা যাবে। যেমন—ইউ, চ্যাটস, ফিচারড। এই ফিচারগুলো ডান দিকে সোয়াইপ করুন। এভাবে সোয়াইপ করতে করতে ‘ইভেন্ট’ সেকশন খুঁজে পাবেন। এই ইভেন্ট অপশনে ট্যাপ করুন।
৩. এরপর ‘ক্রিয়েট ইভেন্ট’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. ইভেন্ট তৈরির পেজ চালু হলে ইভেন্টের বিভিন্ন বিষয় ঠিক করুন। যেমন—
ইভেন্টের নাম: ১০০ অক্ষরের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় নাম নির্বাচন করুন, যাতে ইভেন্টটি সহজে সকলের নজরে আসে।
তারিখ ও সময়: ইভেন্ট কখন শুরু এবং কখন শেষ হবে, তা নির্ধারণ করুন।
ইভেন্টের ধরন: ইভেন্টটি সশরীরে (ইন পারসন) অনুষ্ঠিত হবে, না কি ভার্চুয়াল হবে, তা নির্ধারণ করুন। ভার্চুয়াল ইভেন্ট বেছে নিলে কীভাবে পরিচালনা করবেন, তা নির্বাচন করুন। সম্ভাব্য বিকল্পগুলো হলো—মেসেঞ্জার রুম, ফেসবুক লাইভ, অন্য প্ল্যাটফর্মে লিংক।
ইভেন্টের গোপনীয়তা: ইভেন্টটি শুধু গ্রুপের সদস্যদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে, না কি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে–তা নির্ধারণ করুন।
ইনভাইট অল গ্রুপ মেম্বারস: এই বিকল্পটি সক্রিয় করলে গ্রুপের যেসব সদস্য আপনার বন্ধু, তাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন।
ইভেন্টের বিবরণ: এই অংশে ইভেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখুন, যাতে অংশগ্রহণকারীরা ইভেন্টের উদ্দেশ্য ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান।
কো হোস্ট: আপনার সঙ্গে যদি কেউ এই ইভেন্ট আয়োজন বা পরিচালনায় সহায়তা করে, তাহলে তাদের সহ-আয়োজক হিসেবে যোগ করুন। সদস্যের নাম টাইপ করে সহজেই যোগ করা যাবে।
ইভেন্ট চ্যাট: আপনি চাইলে একটি চ্যাট গ্রুপ তৈরি করতে পারেন, যেখানে ইভেন্ট-সম্পর্কিত নিয়মিত আপডেট বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করা যাবে। এ জন্য নিচের দিকে থাকা চ্যাট সেটিংস চালু করুন।
৫. ইভেন্ট আরও আকর্ষণীয় করতে ইভেন্টের জন্য একটি কভার ছবি নির্বাচন করতে পারেন। এ জন্য ওপরের দিকে থাকা ‘পিক এ জিআইএফ’, ‘গ্যালারি’ বা ‘আপলোড’ অপশন নির্বাচন করুন। এভাবে কভার ছবির জন্য জিআইএফ, ফেসবুকের বিশেষ ছবি বা নিজের ফোন থেকে ছবি নির্বাচন করতে পারবেন।

একই বিষয়ে আগ্রহী মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে ফেসবুক গ্রুপ। এই ফেসবুকের গ্রুপের একটি কার্যকর ফিচার হলো—ইভেন্ট তৈরি করার সুবিধা।
আপনি চাইলে মিটআপ, ওয়েবিনার কিংবা যেকোনো ধরনের ইভেন্ট তৈরি করতে পারেন, আর ফেসবুক গ্রুপের ইভেন্ট ফিচার কমিউনিটির সদস্যদের কাছাকাছি আনার এক দুর্দান্ত উপায় হতে পারে।
ফেসবুক গ্রুপে ইভেন্ট তৈরির জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন এবং যে গ্রুপে ইভেন্ট তৈরি করতে চান সেই গ্রুপে প্রবেশ করুন। ইভেন্ট তৈরি করার জন্য গ্রুপের অ্যাডমিন বা অনুমোদিত সদস্য হওয়া প্রয়োজন।
২. এরপর ওপরের দিকে কিছু সেকশন দেখা যাবে। যেমন—ইউ, চ্যাটস, ফিচারড। এই ফিচারগুলো ডান দিকে সোয়াইপ করুন। এভাবে সোয়াইপ করতে করতে ‘ইভেন্ট’ সেকশন খুঁজে পাবেন। এই ইভেন্ট অপশনে ট্যাপ করুন।
৩. এরপর ‘ক্রিয়েট ইভেন্ট’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. ইভেন্ট তৈরির পেজ চালু হলে ইভেন্টের বিভিন্ন বিষয় ঠিক করুন। যেমন—
ইভেন্টের নাম: ১০০ অক্ষরের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় নাম নির্বাচন করুন, যাতে ইভেন্টটি সহজে সকলের নজরে আসে।
তারিখ ও সময়: ইভেন্ট কখন শুরু এবং কখন শেষ হবে, তা নির্ধারণ করুন।
ইভেন্টের ধরন: ইভেন্টটি সশরীরে (ইন পারসন) অনুষ্ঠিত হবে, না কি ভার্চুয়াল হবে, তা নির্ধারণ করুন। ভার্চুয়াল ইভেন্ট বেছে নিলে কীভাবে পরিচালনা করবেন, তা নির্বাচন করুন। সম্ভাব্য বিকল্পগুলো হলো—মেসেঞ্জার রুম, ফেসবুক লাইভ, অন্য প্ল্যাটফর্মে লিংক।
ইভেন্টের গোপনীয়তা: ইভেন্টটি শুধু গ্রুপের সদস্যদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে, না কি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে–তা নির্ধারণ করুন।
ইনভাইট অল গ্রুপ মেম্বারস: এই বিকল্পটি সক্রিয় করলে গ্রুপের যেসব সদস্য আপনার বন্ধু, তাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন।
ইভেন্টের বিবরণ: এই অংশে ইভেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখুন, যাতে অংশগ্রহণকারীরা ইভেন্টের উদ্দেশ্য ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান।
কো হোস্ট: আপনার সঙ্গে যদি কেউ এই ইভেন্ট আয়োজন বা পরিচালনায় সহায়তা করে, তাহলে তাদের সহ-আয়োজক হিসেবে যোগ করুন। সদস্যের নাম টাইপ করে সহজেই যোগ করা যাবে।
ইভেন্ট চ্যাট: আপনি চাইলে একটি চ্যাট গ্রুপ তৈরি করতে পারেন, যেখানে ইভেন্ট-সম্পর্কিত নিয়মিত আপডেট বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করা যাবে। এ জন্য নিচের দিকে থাকা চ্যাট সেটিংস চালু করুন।
৫. ইভেন্ট আরও আকর্ষণীয় করতে ইভেন্টের জন্য একটি কভার ছবি নির্বাচন করতে পারেন। এ জন্য ওপরের দিকে থাকা ‘পিক এ জিআইএফ’, ‘গ্যালারি’ বা ‘আপলোড’ অপশন নির্বাচন করুন। এভাবে কভার ছবির জন্য জিআইএফ, ফেসবুকের বিশেষ ছবি বা নিজের ফোন থেকে ছবি নির্বাচন করতে পারবেন।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিবাসন আইন মানা নিশ্চিত করতেই এই ভিসা বন্ড চালু করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের বড় একটি অংশের মতে, এই নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে, যা অনেকের জন্য আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
একসময় আমেরিকার পারিবারিক উৎসব মানেই ছিল কোলাহল। ছুটির দিনে বাড়িভর্তি থাকত চাচাতো-ফুফাতো ভাই-বোনে। শিশুরা দৌড়াদৌড়ি করত, বড়রা গল্পে মেতে উঠত। কিন্তু সময় বদলেছে। আজ অনেক আমেরিকানের জীবনে সেই চেনা দৃশ্য আর নেই।
৮ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণ মানেই শুধু ছবি তোলা আর জায়গা দেখা নয়, ভ্রমণ মানে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা। কখনো পাহাড়ের নীরবতায়, কখনো সমুদ্রের ঢেউয়ে, আবার কখনো শতাব্দীপ্রাচীন কোনো শহরের অলিগলিতে হারিয়ে গিয়ে।
৯ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, রাইস কুকার মানেই হলো চাল আর জল দিয়ে সুইচ টিপে দেওয়া। ব্যস, কাজ শেষ! কিন্তু নিখুঁত ঝরঝরে ভাত পাওয়া কিংবা এই যন্ত্রকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে কিছু ছোট ছোট ভুলের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আমাদের অজান্তেই করা কিছু ভুল রাইস কুকার ও খাবার—উভয়েরই ক্ষতি করতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে