আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফেসবুক গ্রুপ চালানোর জন্য প্রয়োজন হয় দক্ষ অ্যাডমিনের। তাঁরা গ্রুপের সদস্যদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশে তৈরি করতে পারেন। তবে গ্রুপ বড় হয়ে গেলে বা এনগেজমেন্ট বেশি হলে গ্রুপটি একজন অ্যাডমিনের পক্ষে দেখভাল করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এমন অবস্থায় গ্রুপের বিশ্বস্ত কোনো সদস্যকে অ্যাডমিন বানানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।
যিনি ফেসবুক গ্রুপ খোলেন, তিনিই ডিফল্টভাবে গ্রুপের অ্যাডমিন হয়ে যান। পরে গ্রুপের অন্য সদস্যদেরও অ্যাডমিন হিসেবে যুক্ত করা যায়।
একাধিক অ্যাডমিন রাখার উপকারিতা
কাজ ভাগাভাগি: একাধিক অ্যাডমিন থাকলে গ্রুপ চালানোর কাজটি সহজভাবে ভাগ করে নেওয়া যায়। বিশেষ করে, যদি গ্রুপটি বিভিন্ন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়, তাহলে বিভিন্ন টাইম জোনে থাকা অ্যাডমিন রাখাই শ্রেয়।
দ্রুত সাড়া দেওয়া: একাধিক অ্যাডমিন থাকলে গ্রুপে সব সময় কেউ না কেউ সক্রিয় থাকেন, ফলে সদস্যদের অনুরোধ, পোস্টের যাচাই-বাছাই ও গ্রুপের নিয়মকানুন কার্যকরভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যদি গ্রুপটি কাস্টমার সাপোর্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি: একাধিক অ্যাডমিন বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাধারা নিয়ে আসেন, যা গ্রুপ চালানোয় আরও পরিপক্ব ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়ক: গ্রুপে বেশি মানুষ নজরদারিতে থাকলে অনুপযুক্ত বা স্প্যাম পোস্ট শনাক্ত ও অপসারণ করা সহজ হয়, যা গ্রুপের সামগ্রিক নিরাপত্তা বাড়ায়।
ফেসবুক গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করবেন যেভাবে
১. প্রথমে স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাপ চালু করুন।
২. এখন মেনু অপশন খুঁজে পেতে হবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডান পাশের ওপরের দিকে প্রোফাইল ছবির ওপর (তিনটি অনুভূমিক লাইন) ট্যাপ করলেই মেনু চালু হবে। আইফোনে এই অপশন নিচের দিকে ডানে পাওয়া যাবে।
৩. এবার ‘গ্রুপস’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. যে গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করতে চান, তা স্ক্রল করুন বা সার্চ করে বের করুন। গ্রুপের নামের ওপর ট্যাপ করুন।
৫. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘ম্যানেজ’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৬. এবার টুল শর্টকাটস সেকশনের নিচে থাকা ‘পিপল’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৭. এখন গ্রুপের যে সদস্যকে অ্যাডমিন বানাতে চান, তাঁর নামের পাশের তিন ডট আইকনে ট্যাপ করুন। এর ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৮. মেনু থেকে ‘ইনভাইট অ্যাজ অ্যাডমিন’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৯. এবার ‘সেন্ড ইনভাইটেশন’ বাটনে ট্যাপ করুন।
এভাবে গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করা যাবে।

ফেসবুক গ্রুপ চালানোর জন্য প্রয়োজন হয় দক্ষ অ্যাডমিনের। তাঁরা গ্রুপের সদস্যদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশে তৈরি করতে পারেন। তবে গ্রুপ বড় হয়ে গেলে বা এনগেজমেন্ট বেশি হলে গ্রুপটি একজন অ্যাডমিনের পক্ষে দেখভাল করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এমন অবস্থায় গ্রুপের বিশ্বস্ত কোনো সদস্যকে অ্যাডমিন বানানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।
যিনি ফেসবুক গ্রুপ খোলেন, তিনিই ডিফল্টভাবে গ্রুপের অ্যাডমিন হয়ে যান। পরে গ্রুপের অন্য সদস্যদেরও অ্যাডমিন হিসেবে যুক্ত করা যায়।
একাধিক অ্যাডমিন রাখার উপকারিতা
কাজ ভাগাভাগি: একাধিক অ্যাডমিন থাকলে গ্রুপ চালানোর কাজটি সহজভাবে ভাগ করে নেওয়া যায়। বিশেষ করে, যদি গ্রুপটি বিভিন্ন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়, তাহলে বিভিন্ন টাইম জোনে থাকা অ্যাডমিন রাখাই শ্রেয়।
দ্রুত সাড়া দেওয়া: একাধিক অ্যাডমিন থাকলে গ্রুপে সব সময় কেউ না কেউ সক্রিয় থাকেন, ফলে সদস্যদের অনুরোধ, পোস্টের যাচাই-বাছাই ও গ্রুপের নিয়মকানুন কার্যকরভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যদি গ্রুপটি কাস্টমার সাপোর্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি: একাধিক অ্যাডমিন বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাধারা নিয়ে আসেন, যা গ্রুপ চালানোয় আরও পরিপক্ব ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়ক: গ্রুপে বেশি মানুষ নজরদারিতে থাকলে অনুপযুক্ত বা স্প্যাম পোস্ট শনাক্ত ও অপসারণ করা সহজ হয়, যা গ্রুপের সামগ্রিক নিরাপত্তা বাড়ায়।
ফেসবুক গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করবেন যেভাবে
১. প্রথমে স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাপ চালু করুন।
২. এখন মেনু অপশন খুঁজে পেতে হবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডান পাশের ওপরের দিকে প্রোফাইল ছবির ওপর (তিনটি অনুভূমিক লাইন) ট্যাপ করলেই মেনু চালু হবে। আইফোনে এই অপশন নিচের দিকে ডানে পাওয়া যাবে।
৩. এবার ‘গ্রুপস’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৪. যে গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করতে চান, তা স্ক্রল করুন বা সার্চ করে বের করুন। গ্রুপের নামের ওপর ট্যাপ করুন।
৫. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘ম্যানেজ’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৬. এবার টুল শর্টকাটস সেকশনের নিচে থাকা ‘পিপল’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৭. এখন গ্রুপের যে সদস্যকে অ্যাডমিন বানাতে চান, তাঁর নামের পাশের তিন ডট আইকনে ট্যাপ করুন। এর ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৮. মেনু থেকে ‘ইনভাইট অ্যাজ অ্যাডমিন’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৯. এবার ‘সেন্ড ইনভাইটেশন’ বাটনে ট্যাপ করুন।
এভাবে গ্রুপে অ্যাডমিন যুক্ত করা যাবে।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
৪ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
৬ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
৮ ঘণ্টা আগে