বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে আমাদের দেশে বরফি তৈরি করার প্রচলন আছে। মিষ্টিজাতীয় এ খাবারটিকে পুষ্টিকর করেও তৈরি করা যায়।
উপকরণ
বাদাম ৫০০ গ্রাম, ছোলা ৫০০ গ্রাম, চিনি বা গুড় ৫০০ গ্রাম বা স্বাদমতো, সয়াবিন তেল ৫০ গ্রাম, ঘি ২৫ গ্রাম, তিল ৫০ গ্রাম, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, তেজপাতা ও এলাচি দুটো করে।
প্রণালি
প্রণালি প্রথমে ছোলা ও বাদাম ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে ভালো করে ব্লেন্ডার অথবা পাটায় পিষে নিতে হবে। চুলায় বড় কড়াইয়ে তেল এবং ৩ থেকে ৪ চামচ ঘি গরম করে তেজপাতা ও এলাচি দিয়ে সামান্য নেড়েচেড়ে তুলে ফেলতে হবে।
এবার ছোলা ও বাদামের মিশ্রণ দিয়ে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে হালকা আঁচে ১০ মিনিট নেড়েচেড়ে নিতে হবে। এরপর চিনি বা গুড় দিয়ে আরও ১০ থেকে ১৫ মিনিট রান্না করে শেষে এক চামচ ঘি দিয়ে চুলা বন্ধ করতে হবে।
এখন বড় বাসনে বা পরিবেশন প্লেটে এক চামচ ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে নিয়ে ছোলা ও বাদামের মিশ্রণটুকু ঢেলে নিতে হবে। সমান করে রেখে ওপরে ভাজা তিল ও কিশমিশ দিয়ে হাতে বা অন্য কিছুর সাহায্যে হালকা চাপ দিয়ে সমান করে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে ফ্রিজে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা রেখে নিজের পছন্দ মতো কেটে নিলেই হয়ে যাবে মজাদার ও পুষ্টিকর বাদাম ছোলার বরফি।

সত্যি কি পোষা প্রাণী আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে? গবেষণা বলছে, প্রচণ্ড মানসিক চাপের মুহূর্তে বিড়ালকে আদর করা বা তাদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করা আপনার মেজাজ ভালো করার বদলে উল্টো আরও বিগড়ে দিতে পারে। অধিকাংশ মানুষ বিড়ালের শারীরিক ভাষা বা তাদের অপছন্দ বুঝতে ভুল করেন। নিজের খারাপ লাগার মুহূর্তে...
৪ ঘণ্টা আগে
যাঁরা এবার প্রথম কচুমুখী রাঁধবেন, তাঁদের জন্য এই রেসিপি। চিংড়ি দিয়ে কচুমুখী রান্নার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। কচুমুখী ৫০০ গ্রাম, চিংড়ি বড় ৮টি, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতাকুচি...
৬ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার, চুল নিয়মিত আঁচড়ানো, বাঁধার ধরন এবং আরও টুকিটাকি যত্ন নিয়ে সিল্কি চুল পেতে হতো আগেকার দিনের নারীদের। এখনকার সঙ্গে সে সময়ের পার্থক্য হলো, ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে চুলের যে ক্ষতি হয় এখন, তখনকার দিনের প্রাকৃতিক কেশচর্চায় তা হওয়ার আশঙ্কা ছিল না। চুল সিল্কি তো হতোই...
৮ ঘণ্টা আগে
মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম ভাষা। অনেকে বলেন, ঝগড়া করার সময় নাকি মাতৃভাষায় ঝগড়া করতেই বেশি শান্তি পাওয়া যায়। এমন অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজেদের ভাষা বা কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে বেশি পছন্দ করি। তাই প্রশ্ন আসতেই পারে, আমরা যখন অন্য কোনো ভাষায় কথা বলি, তখন কি শুধু শব্দের পরিবর্তন ঘটে...
১ দিন আগে