কনে দেখতে গিয়ে ঠায় বসে আছেন। প্রথমে লেবুজল পান আর তারপর মিষ্টিমুখ। ঘরের ভেতরে খানিক উঁকিঝুঁকি দিয়েও কনের দেখা মিলছে না। মিলবে কী করে? শেষ বিকেলের লালচে আভা জানালা গলিয়ে ঘরে প্রবেশ করলে তবেই না কনেকে সামনে আনা হবে। পশ্চিমমুখী জানালার কোনাকুনি পাতা চেয়ারে এসে বসবেন কনে। সূর্যের লালচে-সোনালি আভা কনের মুখে এসে পড়লে তাঁকে আরও উজ্জ্বল দেখাবে, তাই তো এত কসরত।
কনে দেখা বিয়ের প্রথম ধাপ কি না, এই আধুনিক যুগে এসে সে নিয়ে খানিক বিতর্ক হতেই পারে। কিন্তু এটি যে আনুষ্ঠানিক বিয়ের প্রথম ধাপ, সেটা অস্বীকার করা যায় না। তাই এ দিন কনের সাজ এমন হওয়া চাই যেন রূপ-লাবণ্যের সম্পূর্ণ বহিঃপ্রকাশ হয়। আলমারি থেকে সবচেয়ে উজ্জ্বল আর দামি শাড়িটা বের করার আগে একবার ভেবে নেওয়া চাই শাড়ির রং কনের রূপকে ঠিকঠাক বের করে আনতে পারবে কি না। পাশাপাশি সাজটাও হওয়া চাই আড়ম্বরহীন, যাতে অযথা ভারী না লাগে। গোটা সাজপোশাকেই যেন বিরাজ করে স্নিগ্ধতা।
শাড়িই সেরা
কনে দেখার আয়োজনে বিয়ের পাত্রীকে সাধারণত শাড়িই পরানো হয়। সে ক্ষেত্রে গাঢ় রঙের বা ভারী কাজের শাড়ি এদিন এড়িয়ে চলাই ভালো। তাতে কনের স্বাভাবিক গায়ের রং ও লাবণ্য ঢাকা পড়ে যায়। বেছে নিন প্যাস্টেল শেডের কোনো শাড়ি। তা হতে পারে জামদানি, হাফসিল্ক, জাপানি সিল্ক, জর্জেট, তসর বা একেবারেই হালকা-পাতলা ওজনের কোনো কাতান শাড়ি। শাড়ির জমিনে যেন ঘন কাজ না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শাড়ির আঁচল লম্বা রেখে অল্প কুচি দিয়ে শাড়ি গুছিয়ে পরে নিন। এতে প্রয়োজনে আঁচল দিয়ে খোঁপার ওপর ছোট্ট ঘোমটা তুলে দেওয়া যাবে। তবে ঘোমটা দিতে চাইলে খোঁপায় ও কাঁধের অংশে শাড়ি এমনভাবে পিনআপ করে নিতে হবে যাতে বারবার ঘোমটা তুলে নেওয়ার ঝামেলা না থাকে।
ছিমছাম গয়না
কনে দেখানোর ক্ষেত্রে আগেকার সময়ে মা-খালারা পাত্রীর হাতে, কানে, গলায় সোনার গয়না পরানোর পক্ষপাতী ছিলেন। কিন্তু কালের ধারাবাহিকতায় সেই ধারণা পাল্টেছে। সোনার গয়নার বদলে এখন শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে মিনিমাল গয়না পরতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন নারীরা। এমন গয়না বেছে নিন যেখানে কান, গলা কিংবা হাতে একই নকশা ও একই রঙের গয়না থাকে। এতে সাজটা পরিপূর্ণ লাগবে দেখতে। বেছে নিতে পারেন রুপা, পাথর কিংবা মুক্তার গয়না।
সাজে স্নিগ্ধতা
হালকা ফাউন্ডেশন দিয়ে ফেস পাউডারের বেজ মেকআপ করে নিন। মুখের দাগ ঢাকতে কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। কনট্যুরিং করতে চাইলে পাউডার কনট্যুরিং কিট ব্যবহার করুন। চোখে পাউডার আইশ্যাডোর বাদামি শেড ব্যবহার করতে পারেন। চোখের কোলে হালকা কাজল এবং ওপরে চিকন করে আইলাইনারের রেখা এঁকে দিন। মাসকারার কথা কিন্তু ভুলবেন না। এদিন গ্লসি বা শিমারিং লিপস্টিক এড়িয়ে ম্যাট বা ক্রিম বেজড লিপ কালার ব্যবহার করুন। হালকা সাজের সঙ্গে লাল, মেরুনসহ যেকোনো গাঢ় রঙের লিপস্টিক হলেও মানাবে বেশ। ন্যুড লিপস্টিক যেকোনো মেকআপ লুকের সঙ্গে মানানসই। এ জন্য ‘সিম্পল টু গর্জিয়াস’ যেকোনো লুকের জন্য ঠোঁটে ন্যুড লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। পিচ, ন্যুড পিংক, মভ, টেরাকোটা ইত্যাদি রংও দারুণ মানাবে এই দিনের সাজে। চুলের সাজে টুইস্ট, সাইড বান, ফ্রেঞ্চ বেণি কিংবা কার্ল করে চুল বাঁধলেও ভালো দেখাবে।

ঋতু বদলের এই সময়ে অনেকে জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা অন্য কোনো সংক্রমণের কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে জ্বর হতে পারে। অনেক সময় জ্বর শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা সক্রিয় থাকার একটি লক্ষণ।
২ ঘণ্টা আগে
প্রিয় পারফিউমটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে করতে হঠাৎ একদিন খেয়াল করলেন, আগের মতো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে না। পরিচিত সেই সতেজতা নেই। এর জন্য সব সময় পারফিউম দায়ী নয়। ভুলভাবে সংরক্ষণ করার কারণেও বদলে যেতে পারে প্রিয় সুগন্ধির ঘ্রাণ। পারফিউম বেশ সংবেদনশীল একটি জিনিস।
৪ ঘণ্টা আগে
পোক দিবসের এই ‘পোক’ হলো হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী খাবার। হাওয়াইয়ান ভাষায় পোক শব্দের অর্থ হলো টুকরো করা। সাধারণত কাঁচা মাছ ছোট ছোট কিউব বা টুকরো করে কেটে, বিভিন্ন মসলা ও সস দিয়ে মাখিয়ে ভাতের ওপর সাজিয়ে খাওয়া হয় এই খাবারটি। এটি বিখ্যাত জাপানিজ খাবার সুশির মতো কাঁচা মাছ...
৬ ঘণ্টা আগে
কোরিয়ান ওমুরাইসের ইতিহাস বেশ আকর্ষণীয়। এই খাবারটি জাপানি শাসনের সময় কোরিয়াতে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে সেখানকার একটি অন্যতম ঘরোয়া খাবারে পরিণত হয়। সবজি ও মাংস দিয়ে ভাজা ভাতকে একটি পাতলা ডিমের ওমলেটের ভেতর মুড়িয়ে ওপর থেকে টক-মিষ্টি কেচাপ বা গাঢ় ডেমি-গ্লেস সস দিয়ে পরিবেশন করা হয় এই খাবারটি। এর...
৮ ঘণ্টা আগে