
২০২৬ সালের ২৬ মার্চ শুধু এক বিশেষ দিন নয়, পরাধীনতার গ্লানি মুছে স্বাধীনতা ঘোষণার গৌরবের দিন তো ছিলই; এখন এটি নিজেদের প্রকাশের দিন। ৫৫ বছরের স্বাধীন দেশে যা কিছু অর্জন, তা প্রকাশের দিন ২৬ মার্চ। স্বাধীনতা অর্জন একদিকে যেমন রণাঙ্গনে বিজয়ের বিষয়, অন্যদিকে তেমন নিজ সংস্কৃতির সব শাখার পুষ্পপল্লবে বিকশিত হওয়ারও। গত ৫৫ বছরে আমরা সেটা অর্জন করতে পেরেছি। সংস্কৃতির সব শাখার মতো এই দীর্ঘ সময়ে আমাদের নিজস্ব ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিও বর্ণিল হয়ে উঠেছে, খুঁজে নিয়েছে নিজস্ব রং, নিজস্ব ছন্দ আর গতি ও প্রকৃতি। সেই এক কালরাতের পর আমরা এখন বলতে পারি, বিশেষ দিনের জন্য আমাদের বিশেষ পোশাক আছে, আছে তার নিজস্ব রং।
শাড়িতে ঐতিহ্যের ছোঁয়া

রঙ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সৌমিক দাস বলেন, ‘উৎসবের সাজে বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি। ২৬ মার্চের সকালে বের হওয়ার জন্য সুতি শাড়ি হতে পারে আরামদায়ক। লাল পাড়ের সবুজ শাড়ি অথবা সবুজ জমিনে লাল ব্লকের কাজ এখনকার ট্রেন্ড।’ তিনি আরও জানান, চাইলে গাঢ় সবুজ শাড়ির সঙ্গে উজ্জ্বল লাল রঙের হাই-নেক বা থ্রি-কোয়ার্টার হাতা ব্লাউজ পরতে পারেন। শাড়ির আঁচল যদি ভারী নকশার হয়, তবে তা কুঁচি করে না পরে ছেড়ে দিয়ে পরলেই বেশি মানাবে, নকশাও দেখা যাবে।
সালোয়ার-কামিজ বা কুর্তিতে আধুনিকতার ছোঁয়া
তরুণ প্রজন্মের কাছে স্বাচ্ছন্দ্য ও আধুনিকতার মিশেলে সালোয়ার-কামিজ বা কুর্তি বেশ জনপ্রিয়। সৌমিক দাস জানান, এ ক্ষেত্রে পুরো পোশাকে লাল-সবুজ না রেখে মিক্সড অ্যান্ড ম্যাচ করা যেতে পারে। যেমন সবুজ রঙের কামিজের সঙ্গে লাল লিনেন প্যান্ট এবং একটি মাল্টিকালার ওড়না আপনাকে দেবে সতেজ লুক। বর্তমানে স্ক্রিন প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট এবং হাতের কাজের টাই-ডাই কামিজের খুব চল দেখা যাচ্ছে; বিশেষ করে কুর্তির গলায় বা হাতায় যদি লাল-সবুজের সূক্ষ্ম কাজ থাকে, তবে তা সাধারণ সাজকেও অসাধারণ করে তোলে। গরমে আরাম পেতে সুতি বা লিনেন কাপড় বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ছেলেদের ফ্যাশনে পাঞ্জাবি ও কটি
কে ক্র্যাফটের সিনিয়র ডিজাইনার শরিফুল হুদা বিপ্লব বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের সকালে ছেলেদের প্রথম পছন্দ লাল-সবুজ পাঞ্জাবি। এক রঙের সবুজ পাঞ্জাবিতে লাল সুতার কাজ বা কন্ট্রাস্ট বাটন বেশ রুচিশীল দেখায়।’ পাঞ্জাবির পাশাপাশি এখন লাল বা সবুজ রঙের কটি বা নেহরু জ্যাকেট পরার ট্রেন্ড বেড়েছে। সাদা রঙের পাঞ্জাবির ওপর একটি সুন্দর সবুজ কটি এবং তাতে লাল রঙের পকেটে স্কয়ার বা ছোট কোনো ব্যাজ আপনার সাজে আভিজাত্য আনবে। পায়জামার পাশাপাশি জিনসের সঙ্গে শর্ট পাঞ্জাবি বা ফতুয়া পরেও এই দিনে ক্যাজুয়াল লুক পাওয়া সম্ভব।
সাজগোজ ও অ্যাকসেসরিজ
বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ারের স্বত্বাধিকারী রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ‘পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে সাজ হওয়া চাই স্নিগ্ধ ও পরিমিত। লাল-সবুজ পোশাক যেহেতু এমনিতেই উজ্জ্বল, তাই মেকআপ হওয়া উচিত মিনিমাল বা হালকা।’ চোখে আইশ্যাডো বা আইলাইনারে সবুজের সামান্য ছোঁয়া এবং ঠোঁটে লাল লিপস্টিক আপনার অবয়বে গ্ল্যামার যোগ করবে। গয়নার ক্ষেত্রে মাটির গয়না, কাঠের মালা কিংবা অক্সিডাইজড সিলভারের গয়না স্বাধীনতা দিবসের সাজের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। শারমিন কচি বলেন, ‘পোশাক যেহেতু উজ্জ্বল, তাই গয়না রাখুন একেবারেই সাধারণ। আর কপালে একটি বড় লাল টিপ আর হাতে একগুচ্ছ কাচের চুড়ি পরে সাজের পূর্ণতা দিতে পারেন।’
জুতা ও আনুষঙ্গিক বিষয়
যেকোনো উৎসবের সাজ পূর্ণ হয় সঠিক জুতা ও ব্যাগের ব্যবহারে। স্মৃতিসৌধে বা উৎসবে অনেকটা পথ হাঁটার প্রয়োজন হলে হিল জুতা এড়িয়ে চটি বা নাগরা বেছে নিন। ছেলেদের ক্ষেত্রে চামড়ার স্যান্ডেল বা লোফার আদর্শ। আর হাতে রাখতে পারেন পাটের তৈরি ব্যাগ বা লোকজ মোটিফের ক্লাচ। খেয়াল রাখবেন, লাল ও সবুজ—দুটি রংই অন্যান্য রং ছাড়িয়ে দৃষ্টি কাড়ে। পোশাক যেহেতু উজ্জ্বল রঙের, তাই জুতা ও ব্যাগ হালকা রঙের মধ্যেই রাখুন, দেখতে স্নিগ্ধ লাগবে।
ছবি সৌজন্য: রঙ বাংলাদেশ

সকালের বেঁচে যাওয়া বাসি রুটি অনেক সময় আমরা খাওয়ার অনুপযোগী ভেবে ফেলে দিই কিংবা গৃহপালিত পশুকে খাইয়ে দিই। কিন্তু জেনে নিন, এই বাসি রুটিই হতে পারে আপনার ঝকঝকে ও প্রাণবন্ত ত্বকের রহস্য? রাসায়নিকযুক্ত দামি কসমেটিকসের পেছনে হাজার টাকা খরচ না করে বাসি রুটি দিয়ে ঘরে বসেই সুন্দরভাবে ত্বকের যত্ন নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাজার থেকে দুটি ৮০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ (প্রতিটি ১,২০০ টাকা দরে) কিনেছিলেন নারায়ণ চন্দ্র। চলতি মৌসুমে এটাই ছিল তাঁর প্রথম ইলিশ কেনা। রাতে পাতে প্রিয় মাছটির স্বাদের কথা মনে মনে কল্পনাও করছিলেন তিনি...
৭ ঘণ্টা আগে
সকালে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ কফি ছাড়া অনেকেরই দিন শুরু হয় না। ওয়েলনেস ও স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনায় কফি নিয়ে নানা মতামত রয়েছে—কারও মতে এটি মেটাবলিজম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস, আবার কারও মতে এটি পাকস্থলী জ্বালাপোড়া ও মানসিক চাপ বা কর্টিসল হরমোন বাড়ানোর কারণ।
১১ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের আনন্দ শুধু ঐতিহাসিক স্থাপত্য কিংবা প্রকৃতির শোভা দর্শনেই সীমাবদ্ধ নয়। এর এক বড় অংশজুড়ে থাকে স্বাদের অভিজ্ঞতা। আর যদি বিষয় হয় ‘পিৎজা’, তবে তো কথাই নেই। রোম থেকে শুরু করে কাসের্তার মতো ঐতিহ্যবাহী শহরে এখনো গড়ে উঠছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় পিৎজা কারিগর।
১৩ ঘণ্টা আগে