
পুরুষ হোক বা নারী, বিয়ের পর থেকে দুজন মানুষই পুরোপুরি নতুন একটি জীবন শুরু করেন। নতুন নিয়ম, নতুন অভ্যাস পালনে অভ্যস্ত হতে হয় দুজনকেই। ২০২৬ সালের এই গতিশীল পৃথিবীতে বিয়ে করে এক ঘরে দিনের পর দিন একই মানুষের সঙ্গে বসবাস করার ব্যাপারটি যেন অনেকের কাছে অদ্ভুত ঠেকছে। নতুন প্রজন্মের কাছে ক্রমেই ‘ন্যানোশিপ’, ‘বেঞ্চিং’য়ের মতো অস্থায়ী সম্পর্কগুলো গ্রহণযোগ্য়তা পাচ্ছে। তবু বলতে দ্বিধা নেই যে বিয়ে একটি মাধুর্যপূর্ণ সম্পর্ক, যা অপরিসীম ভালোবাসা, মমতা ও শ্রদ্ধাবোধে পূর্ণ। বিবাহিত দম্পতিরা যদি কয়েকটি বিষয় মেনে চলেন, তাহলে পুরো জীবন সুখে কাটানো সম্ভব। যে বিষয়গুলো দাম্পত্যকে মধুর করে তুলতে পারে তা জেনে নেওয়া যাক–
একটি সম্পর্কের জন্য শ্রদ্ধা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে যে আমরা কেউই কারও মতো নই, সবাই ভিন্ন। নিজেদের ভেতরের মিলগুলো নিয়ে আনন্দে থাকুন আর ভিন্ন দিকগুলোকে সম্মানের চোখে দেখুন। পারস্পরিক অভ্যাস, চলাফেরা, ধ্যানধারণাকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখুন ও প্রয়োজন বোধে উৎসাহ দিন। এককথায় দুজন দুজনের পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিতে হবে। সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। যখন কোনো ব্যক্তি ভাবেন, আমি যা মনে করি সেটাই সঠিক, ওপাশের মানুষটি ভুল; তখন থেকেই কিন্তু তাঁরা বিন্দু বিন্দু করে একে অপরের কাছ থেকে সরে যেতে শুরু করেন।
সম্পর্ক নির্ভুল হওয়ার চেয়ে স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। কারও ভুল হতেই পারে। তা নিয়ে হতাশায় ভুগবেন না বা প্রিয় মানুষটিকে অতিরিক্ত দোষারোপ করবেন না; বরং দুজনেই সৎ থাকার চেষ্টা করুন, সত্য বলুন। কোনো কাজে আটকে গেলে বা ফিরতে দেরি হলে সত্য কথাটিই তাঁকে জানান। মিথ্যে অজুহাত দেখাবেন না। সত্য যতই নির্মম হোক না কেন, মানুষের মনে তা বিশ্বাসের জন্ম দেয়।

একে অপরের বিশ্বাসভাজন থাকার ও বিশ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা করুন। যিনি আপনাকে এত বিশ্বাস করেন, তাঁর বিশ্বাস ভেঙে দেবেন না। বিশ্বাসই শ্রদ্ধার জন্ম দেয়। কোনো কাজ করার পর অপরাধ বোধ হলে তাঁর কাছে ব্যাপারটি খুলে বলুন, এতে সংকোচ হতে পারে। কিন্তু এতে আপনার সঙ্গীটি ভেতরের সচেতনতাকে অনুভব করতে পারবেন।
ভালোবাসা ব্যাপারটা আচরণেই প্রকাশ পায়। আপনার সঙ্গীকে আপনি যত ভালোই বাসুন না কেন, তাঁকে দিনে একবার হলেও মুখে জানান যে আপনি তাঁকে অনেক ভালোবাসেন। এ ব্যাপারটি খুব জরুরি।
অনেক সময় যে ভুলটা হয়ে যায়, তা হলো স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মধ্যে বাউন্ডারি রাখতে পারেন না। কোনো সমস্যা হলে দুই পরিবারেই জানাজানি হয়ে যায়। এতে সমস্যা সমাধানের থেকে বেড়ে যায় অনেক সময়। নিজেদের বোঝার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে হবে একে অপরকে। এ জন্য কোয়ালিটি টাইমের কোনো বিকল্প নেই।
সারা দিন পর দুজনেই যখন ক্লান্ত তখন হয়ে উঠুন একে অপরের আনন্দের মাধ্যম। একসঙ্গে গল্প করুন, চা-কফি খান আর প্রাণ খুলে হাসুন। যখনই সময় পান একে অপরকে খুশি রাখতে আর হাসাতে চেষ্টা করুন। এতে দুজনের কাছে দুজনের গুরুত্ব অনেক গুণ বেড়ে যাবে। দুজনেই খুঁজে পাবেন বেঁচে থাকার মানে।
এখনকার দিনে নারী-পুরুষ সবাই ঘরের বাইরে কাজ করছেন। তাই অফিস থেকে ফিরে ফ্রেশ হয়ে দুজনে মিলেই বানিয়ে ফেলুন চা, কফি বা কোনো মজাদার স্ন্যাকস। ছুটির দিনে ভাগাভাগি করে রান্না করুন। বিচার করুন একে অপরের পারদর্শিতা। হাসিঠাট্টায় মেতে উঠুন একে অপরকে নিয়ে।
লেখক: চিকিৎসক, কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডি

দুপুরের খাবারের পরপরই চোখের পাতা ভারী হয়ে আসে; যাকে আমরা বলি ভাতঘুম। এই সময় ক্লান্তি লাগা বেশ স্বাভাবিক বিষয়। অনেকে মনে করেন, কর্মব্যস্ত দিনের মাঝে একটু ঘুমিয়ে নিলে রাতের ঘুম নষ্ট হবে কিংবা আলসেমি আঁকড়ে ধরবে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে একদম ভিন্নকথা। কাজের ফাঁকে বা দুপুরে অল্প সময়ের জন্য চোখ...
৯ ঘণ্টা আগে
ভালোবাসার সম্পর্কে কখনো মনে হতে পারে, সঙ্গী আগের মতো যত্নশীল নেই। কখনো মনে হতে পারে, এই মানুষটিই কি আমার জন্য সঠিক? আবার কখনো সঙ্গীর কোনো ছোট আচরণও অস্বাভাবিকভাবে চোখে পড়তে পারে। এসব ভাবনা একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন একই ধরনের প্রশ্ন বছরের পর বছর বারবার ঘুরেফিরে মনে...
১১ ঘণ্টা আগে
‘এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ গল্পে এলিস কখনো নিজের আকার বদলে যেতে দেখে, কখনো চারপাশের জগৎকে স্বাভাবিকের চেয়ে ভিন্নভাবে অনুভব করে। বাস্তব জীবনে এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির অভিজ্ঞতাও কিছুটা এমন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এটি কোনো কল্পনার বিষয় নয়, এটি মস্তিষ্কের তথ্য...
১৩ ঘণ্টা আগে
আমেরিকায় মিটলোফ বেশ জনপ্রিয়। দেখতে অনেকটা পাউরুটির মতো হলেও এর মূল উপকরণ কিমা করা মাংস। তাই বাঙালির পরিচিত কিমার মাংসের সঙ্গে এর কিছুটা মিল পাওয়া যায়। কিন্তু রান্নার ধরন ও স্বাদে রয়েছে আমেরিকান ছোঁয়া। কিমার সঙ্গে ওটস, ডিম, দুধ ও মসলা মিশিয়ে পাউরুটির আকারে বেক করা হয় এটি। শেষে ওপরে কেচাপ ও...
১৫ ঘণ্টা আগে