যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার গবেষণা এবং উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট গাছ ঘরে রাখলে তা গ্রিন এয়ারকন্ডিশনিং বা প্রাকৃতিক এসি হিসেবে কাজ করে।

চলছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমের সময়। সামনের দিনগুলোতে আরও গরম পড়বে। সঙ্গে মাঝেমধ্যে থাকবে গুমোট পরিবেশ। থাকবে এই রোদ, এই বৃষ্টি অবস্থা। অতিরিক্ত গরমের সময় ঘর ঠান্ডা রাখতে আমরা সাধারণত ফ্যান বা এয়ারকন্ডিশনারের ওপর নির্ভর করি। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব। ঘরোয়া গাছ বা হাউস প্ল্যান্ট ব্যবহার করেও ঘরের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যায়। আপনার ঘর ঠান্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করুন এমন গাছপালা, যেগুলো ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি ঘরের শোভাও বাড়াবে।

ঘর ঠান্ডা রাখার সেরা ইনডোর প্ল্যান্ট
সব গাছের প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচনের হার এক নয়। ঘর দ্রুত ঠান্ডা করতে এবং ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে কিছু গাছ বেশি কার্যকরী। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
স্নেক প্ল্যান্ট: এটি রাতেও অক্সিজেন ছাড়ে এবং এর প্রস্বেদনের হার বেশ ভালো।
অ্যালোভেরা: ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি এটি ঘরের বাতাসের মান কেমন, তা বুঝতেও সাহায্য করে।
ব্যাম্বু পাম: প্রাকৃতিকভাবে ঘর আর্দ্র ও শীতল রাখতে এই গাছ দারুণ কাজ করে।
বস্টন ফার্ন: এটি ঘরের ভেতরের আর্দ্রতা বাড়ায় এবং বাতাস শীতল রাখে।
গোল্ডেন পোথোস বা মানি প্ল্যান্ট: খুব কম যত্নে বেঁচে থাকে এবং বাতাস পরিশুদ্ধ করে।
স্পাইডার প্ল্যান্ট: বাথরুম বা আর্দ্র জায়গায় রাখার জন্য এটি আদর্শ এবং এটি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

গরম লাগলে মানুষ ঘামের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। গাছও ঠিক একইভাবে তার তাপমাত্রা কমায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন। গাছ যখন মূল বা শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে পানি শোষণ করে, তখন সেই পানি কাণ্ড বেয়ে পাতায় পৌঁছায়। পাতার গায়ে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র বা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে এই বাড়তি পানি বাষ্প আকারে বাতাসে নির্গত হয়। এই জলীয় বাষ্প যখন চারপাশের বাতাস থেকে তাপ শোষণ করে উড়ে যায়, তখন গাছের চারপাশের পরিবেশ প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হয়ে ওঠে। নাসার দেওয়া তথ্য মতে, বায়ুমণ্ডলের মোট জলীয় বাষ্পের প্রায় ১০ শতাংশ আসে উদ্ভিদের এই প্রস্বেদন প্রক্রিয়া থেকে।
গাছগুলো যেন ঠিকমতো বাষ্পমোচন করতে পারে এবং ঘর ঠান্ডা রাখতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে পারে, সে জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
পর্যাপ্ত পানি দিন: গাছে নিয়মিত পানি দেওয়া জরুরি। মাটিতে পানির ঘাটতি হলে গাছ পানি বাঁচানোর জন্য বাষ্পমোচন কমিয়ে দেয়। ফলে ঘর ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
আর্দ্রতা বৃদ্ধি করুন: গাছের টবের নিচে ভেজা নুড়ি পাথরের ট্রে রাখতে পারেন। পাথর থেকে পানি বাষ্প হলে গাছের চারপাশে একটি শীতল আর্দ্র বলয় তৈরি হয়। এ ছাড়া হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে।
গাছগুলো একসঙ্গে রাখুন: ঘরে আলাদা জায়গায় গাছ না রেখে কয়েকটি গাছ একসঙ্গে দলবদ্ধ করে রাখুন। এতে গাছগুলোর চারপাশে নিজস্ব একটি আর্দ্র জলবায়ু তৈরি হয়, যা বাতাস ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
বড় টব ব্যবহার করুন: ছোট টবে গাছের শিকড় বেশি ছড়াতে পারে না। ফলে গাছ দ্রুত পানিশূন্যতায় ভোগে। তাই একটু বড় আকারের টব বেছে নিন।
গরমের দিনে ছাঁটাই নয়: গরম আবহাওয়ায় গাছের ডালপালা বা পাতা ছাঁটাই করবেন না। পাতা কমে গেলে গাছ কম পানি শোষণ করে, যা বাষ্পমোচনের হার কমিয়ে দেয়।
গাছের সঠিক চাহিদা জানুন: প্রতিটি গাছের আলো ও বাতাসের চাহিদা ভিন্ন। যে গাছ যতটুকু রোদ বা ছায়া পছন্দ করে, তাকে ঠিক সেই জায়গায় রাখুন। গাছ নিজে সুস্থ ও সতেজ থাকলে তবেই আপনার ঘর শীতল রাখতে ভালো অবদান রাখতে পারবে।
সূত্র: নাসা, ডেইলি মেইল

ঈদে গরুর মাংস তো নানাভাবে রান্না করা হয়। যাঁরা ঝাঁজালো খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাঁরা ঈদের ছুটিতে এক দিন রান্না করতে পারেন আস্ত রসুন দিয়ে গরুর মাংসের ঝাল ভুনা। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
১৬ মিনিট আগে
ঈদ তো চলেই এল। ভ্যাপসা গরম আর অতিরিক্ত ঘামের কারণে ভালোভাবে মেকআপ করলেও কিছুক্ষণের মধ্যে মেকআপ গলে লেপ্টে গিয়ে মুখ তেলতেলে হয়ে যায়। আর এতে পড়তে হয় বিব্রতকর অবস্থায়। এই সমস্যার সমাধান হলো সোয়েট-প্রুফ ফাউন্ডেশন। এটি এমন এক ধরনের বেজ মেকআপ যা ত্বক ঘেমে যেতে দেয় না এবং দীর্ঘ সময় ধরে সাজ অক্ষুণ্ন রাখে...
১৯ ঘণ্টা আগে
চা বা কফি আমাদের শুধু তরতাজাই করে না। পরিমাণে বেশি পান করলে এগুলো আমাদের শরীরে ভিন্ন কাজও করতে পারে। তাই চা-কফি পানের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। হুট করে চা-কফি পানের অভ্যাস বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমানোর সহজ উপায় আছে কিছু। পরিমাণ কমানোর জন্য সেগুলোর অভ্যা গড়ে তোলার চেষ্টা...
১ দিন আগে
সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ডার্ট ইটিং’ বা মাটি খাওয়া কিংবা ‘র মিল্ক’ বা কাঁচা দুধ পানের মতো অদ্ভুত ও ক্ষতিকর সব ট্রেন্ড আমরা হরহামেশা দেখি। এসবের ভিড়ে টিকটকের একটি ভিন্ন ট্রেন্ড (ফাইবারম্যাক্সিং) বা পুপম্যাক্সিং। এই ট্রেন্ড আবার বেশ ব্যতিক্রম। ড্যানিয়েল ফিশেল বা ল্যান্স বাসের মতো তারকারাও এই ট্রেন্ডের জোয়ারে
১ দিন আগে