ভালোবাসার অনুভূতি সবার হৃদয়ে এক হলেও তা প্রকাশের ধরন আলাদা। কেউ হয়তো দিনভর ভালোবাসার কথা শুনতে পছন্দ করেন, আবার কেউ চান, সঙ্গী তাঁর কাজে একটু সাহায্য করুক। ঠিক এখানেই জন্ম নেয় ‘লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা ভালোবাসার ভাষা। ১৯৯২ সালে ড. গ্যারি চ্যাপম্যান প্রথম এই ধারণা সামনে আনেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকের ভালোবাসার ভাষা ভিন্ন হতে পারে। এই ভাষাগুলো বুঝতে পারলেই সম্পর্ক হয়ে ওঠে মধুর ও দীর্ঘস্থায়ী। ভালোবাসা কোনো কঠিন সমীকরণ নয়, শুধু সঠিক ভাষা খুঁজে নিতে পারলেই জীবনটা হয়ে উঠবে বসন্তের মতো রঙিন।
প্রশংসামূলক বাক্য
যাঁদের প্রধান ভাষা এটি, তাঁরা সঙ্গীর কাছ থেকে সরাসরি প্রশংসা বা উৎসাহমূলক কথা শুনতে ভালোবাসেন। একটি ছোট ‘ধন্যবাদ’, ‘তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে’ কিংবা ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত’—এমন বাক্যগুলো তাঁদের কাছে বহুমূল্য। নিয়মিত সঙ্গীকে জানান যে আপনি তাঁকে ভালোবাসেন। তাঁর কাজের প্রশংসা করুন এবং দুঃসময়ে তাঁকে উৎসাহ দিন। ছোট নোট বা খুদে বার্তাও এ ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

গুণগত সময়
এখানে ‘সময়’ মানে শুধু পাশে বসে থাকা নয়, বরং একে অপরকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া। টিভি বা ফোনের দিকে না তাকিয়ে গভীর আলাপচারিতা বা একসঙ্গে কোনো কাজ করা এই ভাষার মূল ভিত্তি। প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় ফোন সরিয়ে রেখে কথা বলুন। একসঙ্গে হাঁটতে যান বা প্রতি সপ্তাহে একটি ‘ডেট নাইট’ রাখুন। আপনার উপস্থিতিই তাঁর কাছে শ্রেষ্ঠ উপহার।
সেবামূলক কাজ
যাঁরা এই ভাষায় বিশ্বাসী, তাঁদের কাছে ‘কথার চেয়ে কাজ বড়’। ঘরের কোনো কাজে সাহায্য করা, চা বানিয়ে দেওয়া বা বাজারের ভার নেওয়া। এই ছোট ছোট কাজ তাঁদের কাছে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সঙ্গী বলার আগেই তাঁর কোনো কঠিন কাজ সহজ করে দিন। হতে পারে তা রান্নায় সাহায্য করা কিংবা তাঁর প্রিয় কোনো কাজ গুছিয়ে রাখা।

উপহার আদান-প্রদান
অনেকে মনে করতে পারেন, এটি হয়তো বিলাসিতা, কিন্তু আসলে তা নয়। এই ভাষার মানুষদের কাছে উপহারের দাম বড় নয়। উপহারের পেছনের ‘চিন্তা’ এবং ‘প্রচেষ্টা’ বড়। একটি ছোট চকলেট বা রাস্তার ধারের একগুচ্ছ ফুলও তাঁদের বুঝিয়ে দেয় যে আপনি তাঁর কথা ভাবছেন। বিশেষ দিনের অপেক্ষা না করে হুটহাট ছোটখাটো কিছু উপহার দিন; যা তাঁর পছন্দ বা শখের সঙ্গে মিলে যায়।
শারীরিক স্পর্শ
ভালোবাসার এই ভাষা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি নির্ভর করে নিরাপদ ও আরামদায়ক স্পর্শের ওপর। হাত ধরা, জড়িয়ে ধরা বা স্রেফ কাঁধে হাত রাখা। এই ছোট ছোট ছোঁয়া তাঁদের অনেক বেশি সুরক্ষিত ও প্রিয় অনুভব করায়। কথা বলার সময় হাত ধরুন, বিদায় নেওয়ার সময় আলিঙ্গন করুন। আপনার স্পর্শই সঙ্গীকে নিঃশব্দে বলে দেবে যে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।
কেন লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ জানা জরুরি
অনেক সময় দেখা যায়, আমরা সঙ্গীর জন্য অনেক কিছু করছি, কিন্তু তিনি তা অনুভব করছেন না। এর কারণ হয়তো আপনি আপনার ভাষায় ভালোবাসা দিচ্ছেন, কিন্তু তিনি তা তাঁর ভাষায় গ্রহণ করতে পারছেন না। যেমন আপনি হয়তো দামি উপহার দিচ্ছেন। কিন্তু আপনার সঙ্গী আসলে চাচ্ছেন আপনার সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটাতে। তাই সম্পর্কের রসায়ন ঠিক রাখতে একে অপরের ‘লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ’ জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। এটি জানলে ভুল-বোঝাবুঝি কমে এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে।
সূত্র: হেলথ লাইন ও অন্যান্য

লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপ বা দীর্ঘ দূরত্বের প্রেমের সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। চাকরি বা পড়াশোনাসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ দীর্ঘ দূরত্বের প্রেমের জীবন অনিচ্ছা সত্ত্বেও কখনো কখনো বেছে নেয়। যদিও এখানে সম্পর্ক ক্রমেই সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছে, তবু এ ধরনের সম্পর্কে সহজে সবাই জড়াতে চায় না।
১ ঘণ্টা আগে
আজ ফাল্গুনের ১ তারিখ। মানে বসন্তের প্রথম দিন। এই দিন বাসন্তী রঙের পোশাক পরে তো ঘুরে বেড়াবেনই, নিশ্চয় খাবার টেবিলেও থাকবে রকমারি আয়োজন। আজকের রাতের ভোজে সাধারণ পোলাও না রেঁধে রান্না করতে পারেন বাসন্তী পোলাও। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
২ ঘণ্টা আগে
ফাগুনের মোহনায় আজ যখন দখিনা বাতাস বইছে, যখন চারদিকে কৃষ্ণচূড়া আর শিমুলের লাল আভা, তখন হয়তো শহরের অলিগলিতে জোড়ায় জোড়ায় কপোত-কপোতীর ভিড় দেখে আপনার মন কিছুটা ভারাক্রান্ত। মনে হতে পারে, এই রঙিন উৎসব বুঝি শুধু তাঁদেরই জন্য, যাঁদের হাত ধরার মতো কেউ আছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আপনার ভেতরের এনার্জি আজ টাইটানিকের ইঞ্জিনের মতো কাজ করবে, কিন্তু সাবধান—সামনে পকেটের আইসবার্গ আছে! অফিসের বসের ঝাড়ি খেয়েও আপনি আজ গুনগুন করে প্রেমিকার প্রিয় গান গাইবেন। বিকেলের দিকে কোনো রেস্তোরাঁর বিল দেখে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার উপক্রম হতে পারে। মায়ের শরীর নিয়ে একটু খেয়াল রাখুন, আর প্রেমিকার
৬ ঘণ্টা আগে