
উৎসবের জাঁকজমক থেকে প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার এই প্রক্রিয়াটি হওয়া উচিত ধীর ও ছন্দময়। দীর্ঘ একমাস রোজার আমেজের পর ঈদ পালনের মধ্যে দিয়ে উৎসবের আমেজটা শেষ হয়। সেই আমেজের পর আবারও ফিরে আসতে হয় আগের জীবনে।
এদিকে ঈদের আনন্দ-উৎসব, মেহমানদারি আর হইহুল্লোড়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আমাদের ঘরদোর বেশ অগোছালো হয়ে পড়ে। উৎসবের ব্যস্ততা শেষে ঘরবড়ি আবার তার স্বাভাবিক, শান্ত এবং পরিপাটি রূপে ফিরিয়ে আনাটা জরুরি। এতে মনে প্রশান্তি আসে এবং দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়। ছোট ছোট পরিবর্তন আপনার ঘর কেবল পরিষ্কারই করবে না, বরং নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করার শক্তি যোগাবে।

ধীরেসুস্থে গোছগাছ শুরু করুন
একেবারে পুরো ঘর পরিষ্কারের বিশাল কর্মযজ্ঞে না নেমে ছোট ছোট এলাকা দিয়ে শুরু করুন। ঈদে অনেক উপহার বা নতুন কেনাকাটা ঘরে আসে। সেগুলো এদিক-ওদিক ফেলে না রেখে নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখুন, যাতে ঘর ঘিঞ্জি না লাগে। ঈদে তুলে রাখা অনেক জিনিসই আলমারি ও র্যাক থেকে বের করা হয়। বিশেষ করে শখের ডিনার সেট, বাটি, প্লেট, কড়াই। ঈদের রান্নায় ব্যবহৃত বড় হাঁড়ি-পাতিল বা দামি ডিনার সেটগুলো ধুয়ে মুছে আলমারির পেছনের দিকে তুলে রাখুন। রান্নাঘর পরিষ্কার ও সচল থাকলে ঘর গোছানোর কাজ অর্ধেক সহজ হয়ে যায়।
সতেজ বাতাস চলাচল করতে দিন
উৎসবের দিনগুলোতে অনেক মানুষ এবং রান্নার গন্ধে ঘরে এক ধরণের ভারি ভাব তৈরি হয়। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত কিছুক্ষণের জন্য ঘরের সব জানালা খুলে দিন। বাইরের সতেজ বাতাস ঘরের গুমোট ভাব ও রান্নার মসলার গন্ধ দূর করে দেবে। ঈদের ভারী আতর বা কড়া সুগন্ধির বদলে এখন হালকা ও সতেজ ঘ্রাণ বেছে নিন। লেবু বা ইউক্যালিপটাস জাতীয় সতেজ সুগন্ধি এই সময়ে ঘরে প্রশান্তি আনবে। প্রাকৃতিক উপায়ে চুলায় সামান্য পানিতে লেবুর খোসা ও রোজমেরি ফুটিয়েও ঘর সতেজ করতে পারেন।
সাজসজ্জা নামিয়ে ফেলুন
ঈদের জন্য ঘরজুড়ে যে আলোকসজ্জা বা ব্যানার লাগিয়েছিলেন, সেগুলো গুছিয়ে ফেলার সময় হয়েছে। তাড়াহুড়ো করে সব এক জায়গায় না রেখে টিস্যু পেপার দিয়ে মুড়িয়ে আলাদা বক্সে রাখুন। এতে পরের বছর সাজানোর সময় জিনিসগুলো নতুনের মতো পাবেন এবং কোনো কিছু ভাঙবে না। বিশেষ করে কাচের বা শৌখিন জিনিসগুলো সাবধানে রাখুন।
সবুজের ছোঁয়া বজায় রাখুন
ঈদের জমকালো সাজসজ্জা সরিয়ে ফেললে ঘরটা যেন হঠাৎ খালি খালি না লাগে, তাই কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট যোগ করুন। ডাইনিং টেবিল বা জানালার পাশে ছোট টবে পুদিনা পাতা বা ধনে পাতার মতো ভেষজ গাছ রাখতে পারেন। এ ছাড়া শ্বেতপদ্ম বা টিউলিপের মতো হালকা রঙের ফুলদানি ঘরের কোণায় রাখলে তা উৎসবের আমেজ কাটিয়ে প্রতিদিনের শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে।
ফ্রিজ পরিষ্কার করুন
ঈদের বড় ধকল যায় ফ্রিজের ওপর। মাংস, মিষ্টি আর হাজারো বেঁচে যাওয়া খাবারে ফ্রিজ ঠাসা থাকে। ফ্রিজের কোণায় পড়ে থাকা বেঁচে যাওয়া খাবারগুলো দিয়ে নতুন কোনো পদ তৈরি করে ফেলুন। যেমন বেঁচে যাওয়া মাংস দিয়ে স্যান্ডউইচ বা রোল তৈরি করা যেতে পারে। যদি এমন কোনো খাবার থাকে যা আর খাওয়া হবে না কিন্তু ভালো আছে, তবে তা অপচয় না করে অভাবীদের মাঝে বিলিয়ে দিন। এতে ফ্রিজ যেমন হালকা হবে, তেমনি আপনার মনের ওপর থেকেও এক ধরণের চাপ কমে যাবে।
সূত্র: কান্ট্রি লিভিং

২০১২ সালে টিন্ডার নামের ‘ডেটিং’ অ্যাপটি আসার পরও মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল তার ওপর ‘মনের মতো মানুষ’ খুঁজে পাওয়ার জন্য। কিন্তু অবাস্তব সেই দুনিয়ায় মানুষকে পণ্যের মতো ব্যবহার, অবিশ্বাস, হতাশা, ডেটিং বার্ন আউট ইত্যাদি কারণে দেড় দশক না যেতেই এখন তাতে মানুষ ক্লান্ত। তারপরেও ডেটিং অ্যাপের ক্লান্তির চক্রে...
৬ ঘণ্টা আগে
এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে টিকটকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, দারুণ পাহাড়ি প্রকৃতির মাঝ দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে হেঁটে চলেছেন এক নারী। ভিডিওটির মূলকথা ছিল, পাহাড়ে হাইকিংয়ে গিয়ে যখন দেখেন, আপনাকে মাঝপথে একা ফেলে সঙ্গীটি চলে যায়, তখন বোঝা যায়, সে আপনাকে কখনোই ভালোবাসেনি
৯ ঘণ্টা আগে
এ সময়টায় যদিও সবার বাড়িতে গরু বা খাসির মাংস থাকে; কিন্তু এসব লাল মাংস খান না, এমন অতিথি হঠাৎ বাড়িতে এলে রান্না করতে পারেন মুরগির মাংসের কোর্মা। তার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। মুরগির মাংস বড় টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিন। টক দই, আদা, রসুন, মরিচ ও ধনেবাটা দিয়ে মেখে ঘণ্টাখানেক...
১১ ঘণ্টা আগে
ঈদের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে অনেকে কর্মস্থলে ফিরেছেন। কেউ কেউ ফিরবেন আরও কয়েক দিন বাদে। দীর্ঘ অবসরের পর আবার রোজ সকালে হন্তদন্ত হয়ে অফিসের পথে পা বাড়ানো। আবার একগাদা ফাইলে মুখ গুঁজে বসে থাকার দিন শুরু হলেও কিছুতেই আপনার শরীর ও মন বুঝতে পারছে না, ছুটি আসলেই শেষ। উৎসবে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দঘন সময়...
১৩ ঘণ্টা আগে