কান ধরে ওঠবস করানোর দুটি ভিডিও ছড়ানোর পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ বিষয়ে ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেছেন, ‘সাধারণত পদত্যাগ-সংক্রান্ত কোনো ইস্যু আসলে লিখিত আকারে আমার কাছে আসবার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমরা পাই নাই। এর বাইরে অন্য কোনো বক্তৃতা, কোনো পোস্ট কিংবা কোনো ফিডব্যাক আমার কাছে বিবেচনার বিষয় নয় এখন পর্যন্ত।’
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে ডাকসু ভবনে ‘ডাকসুর চার মাস: দায়িত্ব গ্রহণ ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এস এম ফরহাদ এসব তথ্য জানান।
সর্বমিত্র চাকমার কর্মকাণ্ডের বৈধতা প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডাকসু জিএস বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদকের বিরুদ্ধে এবং অন্যান্য অন্যায়-অবিচারে আমরা স্ট্যান্ড নিই। কিন্তু আমরা বারবার দেখেছি, প্রশাসন আমাদেরকে অসহযোগিতা করেছে; বরং বিপরীতভাবে বিরোধিতা করেছে, আমাদের কাজ বাস্তবায়ন করতে দেয় নাই, প্রত্যেকটা কাজে আপনারা দেখেছেন।
এমনকি ছোট ছোট সংস্কারের কাজ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রকল্প, প্রত্যেকটা কাজে একটা চক্র, একটা বিশেষ গ্রুপ—সেটা শিক্ষকদের এবং কর্মচারীদের, তারা যৌথভাবে এই কাজগুলো যাতে বাস্তবায়ন করতে না পারি, সে চেষ্টা করেছে। সে জায়গায় আমাদের ডাকসুর নির্বাচিত সদস্যরা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি, বারবার আমরা অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি, তারপরেও কাজ জারি রেখেছি।’
ডাকসু জিএস আরও বলেন, ‘আমাদের কমন জায়গা ছিল, আমরা অ্যাডভোকেসি করি। যেমন মসজিদ সংস্কার; একটা গ্রুপ করতে চায়, তারা এসে করে দিচ্ছে, আমরা এক্সেস পয়েন্ট তৈরি করেছি। অথবা প্রশাসন বাস্তবায়ন করতে চায়, তারা সেটা করে। এর বাইরে আমরা সরাসরি কোনো কিছু করি না। কোনো সদস্য করতে চাইলে তাকে আমরা বলি—এটা এভাবে না, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে। কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে কোনো কোনো সদস্য, কোনো প্রতিনিধি যদি তাদের (প্রশাসন) সহযোগিতা না পেয়ে নিজে অ্যাকশনে নেমে যায়, সেটি যদিও শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে সে করে থাকে, এটা কাম্য না। এভাবে করা উচিত না। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট অথরিটি সেগুলো নিশ্চিত করবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে...। প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতি আমাদের রিকোয়েস্টটা করা আছে যে আমরা সংশ্লিষ্ট অথরিটি দিয়ে কাজটা করাব।’

আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রায় সবাই জানি, গাজর চোখের জন্য ভালো, দুধ হাড় ও দাঁত মজবুত করে। কিন্তু মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখতে ঠিক কী ধরনের খাবার প্রয়োজন, সে বিষয়ে অনেকের পরিষ্কার ধারণা নেই। অথচ বাস্তবতা হলো আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, এমনকি মানসিক অবস্থাও অনেকটা নির্ভর করে আমরা কী
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞান বলছে, পাখির গান বা ‘ডন কোরাস’ কেবল শোনার জন্য মনোরম, তা নয়—এটি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক অনন্য মহৌষধ। ভোরের পাখির মিষ্টি সুর আমাদের মন থেকে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। যখন মানুষ পাখির ডাক শোনে বা পাখি দেখে, তখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি কয়েক...
১৫ ঘণ্টা আগে
একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।
১৬ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া ভ্রমণে গিয়ে অনেক পর্যটকই খুঁজছিল শান্ত, নিরিবিলি এক উষ্ণ ঝরনা। অনলাইনে পড়েছিল, বনঘেরা ওয়েল্ডবরো এলাকায় আছে ‘ওয়েল্ডবরো হট স্প্রিংস’, যা নাকি হাইকিংপ্রেমীদের প্রিয় জায়গা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা জানল, এমন কোনো উষ্ণ ঝরনা আদৌ নেই।
১৬ ঘণ্টা আগে