মো. আশিকুর রহমান

বছর ছয়েক আগের কথা। চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন আরিফ, তুহিন, স্বর্ণা, নিপাসহ কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থী। তাঁরা আশপাশের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিয়ে আলাপ করছিলেন। সেই আড্ডায় তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, কয়েকজন ঝরে পড়া শিক্ষার্থী খুঁজে বের করে তাদের বিনা মূল্যে শিক্ষার আওতায় আনা হবে। সে সময় ১০ জন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক এবং ৪৫ জন ঝরে পড়া শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় জাতীয়
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নির্ভয় ফাউন্ডেশন’। ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি সময়ের সঙ্গে কার্যপরিধি বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২০।
নির্ভয় এখন পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর পরিবার। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি এখন কাজ করছে ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায়। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুরসহ অন্যান্য বিভাগে নিজেদের প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
শিক্ষা ও সচেতনতা নির্ভয়ের প্রধান উদ্দেশ্য হলেও অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গেও নির্ভয়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর নিয়মিত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিনা মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম নির্ভয় পাঠশালা ও নির্ভয় পাঠাগার। এ ছাড়া অনলাইনে নিরাপত্তা ও করণীয় সম্পর্কে সচেতন করতে ‘সাইবার এডুকেশন ফর টিনস’ প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাড়ে তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেশন পরিচালনা করেছে সংগঠনটি। পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক একাধিক কার্যক্রমের মধ্যে স্কুলভিত্তিক সবুজায়ন প্রকল্প শিশুদের অভ্যাসগত পরিবর্তনে কাজ করছে। এ ছাড়া গত পাঁচ বছরের বেশি সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০ হাজারের বেশি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে নির্ভয়।
স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য নির্ভয় ব্লাড ব্যাংক ৩০০ ব্যাগের বেশি রক্তের জোগান দিয়েছে। তরুণ ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে ১৭ জন দক্ষ প্রশিক্ষক ২ হাজার মানুষকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। নারী ও শিশুদের পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করতে খাদ্য ও পুষ্টি প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে কমিউনিটি পর্যায়ে তিন শতাধিক নারীকে পুষ্টিজ্ঞান দিয়েছে নির্ভয়। এ ছাড়া প্রজননকালীন স্বাস্থ্যসচেতনতা প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রাধান্য পাচ্ছে হাওর অঞ্চলের কিশোরী ও নারীরা।
অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি নির্ভয় মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এগুলোর মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্যসহায়তা দেওয়া, রমজানে ইফতারসামগ্রী, ঈদে এতিমখানাসহ অন্যান্য জায়গায় শিশু ও নারীদের ঈদ উপহার দেওয়া উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া করোনাকালে ১ হাজার ২০০ পরিবারকে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছে নির্ভয়।
সমাজের অসহায়, অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে নির্ভয়। সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি, ন্যায়নীতি ও ন্যায্যতার চর্চা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রত্যয়দীপ্ত তরুণদের এই প্ল্যাটফর্মের স্লোগান ‘চলো এক সাথে পাল্টাই’।

বছর ছয়েক আগের কথা। চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন আরিফ, তুহিন, স্বর্ণা, নিপাসহ কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থী। তাঁরা আশপাশের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিয়ে আলাপ করছিলেন। সেই আড্ডায় তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, কয়েকজন ঝরে পড়া শিক্ষার্থী খুঁজে বের করে তাদের বিনা মূল্যে শিক্ষার আওতায় আনা হবে। সে সময় ১০ জন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক এবং ৪৫ জন ঝরে পড়া শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় জাতীয়
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নির্ভয় ফাউন্ডেশন’। ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি সময়ের সঙ্গে কার্যপরিধি বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২০।
নির্ভয় এখন পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর পরিবার। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি এখন কাজ করছে ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায়। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুরসহ অন্যান্য বিভাগে নিজেদের প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
শিক্ষা ও সচেতনতা নির্ভয়ের প্রধান উদ্দেশ্য হলেও অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গেও নির্ভয়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর নিয়মিত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিনা মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম নির্ভয় পাঠশালা ও নির্ভয় পাঠাগার। এ ছাড়া অনলাইনে নিরাপত্তা ও করণীয় সম্পর্কে সচেতন করতে ‘সাইবার এডুকেশন ফর টিনস’ প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাড়ে তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেশন পরিচালনা করেছে সংগঠনটি। পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক একাধিক কার্যক্রমের মধ্যে স্কুলভিত্তিক সবুজায়ন প্রকল্প শিশুদের অভ্যাসগত পরিবর্তনে কাজ করছে। এ ছাড়া গত পাঁচ বছরের বেশি সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০ হাজারের বেশি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে নির্ভয়।
স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য নির্ভয় ব্লাড ব্যাংক ৩০০ ব্যাগের বেশি রক্তের জোগান দিয়েছে। তরুণ ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে ১৭ জন দক্ষ প্রশিক্ষক ২ হাজার মানুষকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। নারী ও শিশুদের পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করতে খাদ্য ও পুষ্টি প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে কমিউনিটি পর্যায়ে তিন শতাধিক নারীকে পুষ্টিজ্ঞান দিয়েছে নির্ভয়। এ ছাড়া প্রজননকালীন স্বাস্থ্যসচেতনতা প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রাধান্য পাচ্ছে হাওর অঞ্চলের কিশোরী ও নারীরা।
অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি নির্ভয় মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এগুলোর মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্যসহায়তা দেওয়া, রমজানে ইফতারসামগ্রী, ঈদে এতিমখানাসহ অন্যান্য জায়গায় শিশু ও নারীদের ঈদ উপহার দেওয়া উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া করোনাকালে ১ হাজার ২০০ পরিবারকে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছে নির্ভয়।
সমাজের অসহায়, অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে নির্ভয়। সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি, ন্যায়নীতি ও ন্যায্যতার চর্চা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রত্যয়দীপ্ত তরুণদের এই প্ল্যাটফর্মের স্লোগান ‘চলো এক সাথে পাল্টাই’।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
১৩ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১৭ ঘণ্টা আগে