ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

ঠিকভাবে ঘরের লাইটিং করা শুধু বিদ্যুতের বিল কমানোর জন্য নয়; বরং এটি ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেক সময় ছোট ছোট ভুলে ঘরের আলোর কারণে চোখে চাপ পড়ে, ছায়া তৈরি হয় বা পুরো রুমই অন্ধকার মনে হয়। এসব দূরে রাখতে যে ১০টি কাজ করবেন, সেগুলো হলো—
প্রাকৃতিক আলো উপেক্ষা করবেন না
সূর্যের আলো সব সময় বিনা মূল্যে পাওয়া যায় এবং চোখের জন্যও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অনেকে ঘর বানানোর সময় জানালা, স্কাই লাইট বা ছোট বাগান রাখেন না। ফলে দিনের আলো ব্যবহার করা যায় না এবং লাইট জ্বালানো বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। ঘরের আলোর পরিকল্পনায় জানালা বা স্বচ্ছ কাচ ব্যবহার করলে দিনের আলো সর্বাধিক ব্যবহার করা সম্ভব।
অতিরিক্ত উজ্জ্বল লাইট ব্যবহার করবেন না
অনেকে অন্ধকারের ভয়ে প্রয়োজনের বেশি ওয়াটের লাইট ব্যবহার করেন। তবে বেশি উজ্জ্বল লাইট চোখে চাপ সৃষ্টি করে এবং অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। রুমের আকার, ছাদের উচ্চতা এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী লাইটের উজ্জ্বলতা নির্ধারণ করা জরুরি।
শুধু সিলিং লাইট ব্যবহার করবেন না
শুধু ছাদের লাইট ঘর পুরোপুরি আলোকিত করে না। টেবিল ল্যাম্প, ফ্লোর ল্যাম্প, ওয়াল লাইট, রিসেসড লাইট এবং ক্যাবিনেট লাইট—সব কটি ঠিকভাবে ব্যবহার করলে ঘরে আলোর ভারসাম্য থাকে। কাজের বা পড়ার জায়গায় আলাদা লাইট ব্যবহার করা সুবিধাজনক।

চকচকে বা চোখে ঝলমল করা লাইট ব্যবহার করবেন না
অ্যান্টি-গ্লেয়ার শেডহীন সস্তা সিলিং লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট টিউব থেকে আলো সরাসরি চোখে পড়ে। ফলে চোখে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা অস্বস্তি তৈরি হয়। সঠিক শেড ও আলো নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি।
শোপিস লাইটকে মূল লাইটের জায়গায় ব্যবহার করবেন না
ডেকোরেটিভ লাইট ঘর সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে, কিন্তু সঠিক মাত্রায় আলো দিতে পারে না। লাইটের লক্ষ্য হলো ঠিকঠাক আলো দেওয়া। শুধু সাজানো তার কাজ নয়। ফলে শোপিস লাইটকে ঘরের মূল লাইট হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
রুমের রং উপেক্ষা করবেন না
লাইট যে রঙের ওপর পড়ে, তার প্রতিফলন ও শোষণ ক্ষমতা আলোর প্রয়োজন ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ। গাঢ় রং, যেমন কালো বা নীল বেশি আলো শোষণ করে। তাই যে রুমে তেমন রং থাকে, সেসব রুমে বেশি লাইট দরকার। হালকা রং, যেমন সাদা বা ক্রিম, আলো প্রতিফলিত করে। তাই যেসব ঘরের দেয়ালে এমন রং আছে সেগুলোতে কম লাইটেই কাজ চলে।
ডিমার সুইচ ব্যবহার করা
অনেকে ঘরের আলো নিয়ন্ত্রণ করতে শুধু অন-অফ সুইচ ব্যবহার করেন, কিন্তু ডিমার সুইচ ব্যবহার করলে একই লাইটের উজ্জ্বলতা সহজে কমানো বা বাড়ানো যায়। রাতে নরম ও আরামদায়ক আলো পাওয়া যায়। কাজ বা পড়াশোনার সময় লাইটকে যথেষ্ট উজ্জ্বল করা সম্ভব। এতে ঘর আরামদায়ক হয়, চোখের জন্য আলো নিরাপদ হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।
লাইটের ছায়া উপেক্ষা করবেন না
লাইট বসানোর সময় ছায়া কোথায় পড়বে, তা খেয়াল রাখা জরুরি। ডেস্কের পেছনে বা বাথরুমের সিংকের ওপর সিলিং লাইট বসালে ছায়া পড়ে। তাতে কাজ করা কঠিন হয়। ঘরের প্রতিটি কোণ অনুযায়ী আলো ঠিকভাবে বসানো প্রয়োজন।
সুইচগুলো একসঙ্গে রাখতে হবে
যেসব ঘরে একাধিক লাইট থাকে, সেসব ঘরে সব লাইট একসঙ্গে জ্বালানো সাশ্রয়ী নয়। লাইটগুলোকে জোন অনুযায়ী ভাগ করলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলো ব্যবহার করা যায়। স্মার্ট হোম কন্ট্রোল থাকলে মোবাইল বা ভয়েস কমান্ড দিয়ে আলোর মোড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
শুধু উজ্জ্বলতার দিকে লক্ষ রাখবেন না
শুধু ওয়াট লাইট কেনা ঠিক নয়। কালার টেম্পারেচার এবং কালার রেন্ডারিং ইনডেক্স লক্ষ করা দরকার। ভালো কালার রেন্ডারিং ইনডেক্স চোখের জন্য আরামদায়ক।
সঠিক লাইটিং মানে শুধু ঘর আলোকিত করা নয়, এটি আরামদায়ক, চোখের জন্য নিরাপদ, সৌন্দর্য বাড়ানো এবং ঘরে সুন্দর পরিবেশ তৈরির জন্য অপরিহার্য। ছোট পরিকল্পনা এবং সঠিক লাইটের ব্যবহার ঘরের চেহারা বদলে দিতে পারে।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

ঠিকভাবে ঘরের লাইটিং করা শুধু বিদ্যুতের বিল কমানোর জন্য নয়; বরং এটি ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেক সময় ছোট ছোট ভুলে ঘরের আলোর কারণে চোখে চাপ পড়ে, ছায়া তৈরি হয় বা পুরো রুমই অন্ধকার মনে হয়। এসব দূরে রাখতে যে ১০টি কাজ করবেন, সেগুলো হলো—
প্রাকৃতিক আলো উপেক্ষা করবেন না
সূর্যের আলো সব সময় বিনা মূল্যে পাওয়া যায় এবং চোখের জন্যও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অনেকে ঘর বানানোর সময় জানালা, স্কাই লাইট বা ছোট বাগান রাখেন না। ফলে দিনের আলো ব্যবহার করা যায় না এবং লাইট জ্বালানো বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। ঘরের আলোর পরিকল্পনায় জানালা বা স্বচ্ছ কাচ ব্যবহার করলে দিনের আলো সর্বাধিক ব্যবহার করা সম্ভব।
অতিরিক্ত উজ্জ্বল লাইট ব্যবহার করবেন না
অনেকে অন্ধকারের ভয়ে প্রয়োজনের বেশি ওয়াটের লাইট ব্যবহার করেন। তবে বেশি উজ্জ্বল লাইট চোখে চাপ সৃষ্টি করে এবং অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। রুমের আকার, ছাদের উচ্চতা এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী লাইটের উজ্জ্বলতা নির্ধারণ করা জরুরি।
শুধু সিলিং লাইট ব্যবহার করবেন না
শুধু ছাদের লাইট ঘর পুরোপুরি আলোকিত করে না। টেবিল ল্যাম্প, ফ্লোর ল্যাম্প, ওয়াল লাইট, রিসেসড লাইট এবং ক্যাবিনেট লাইট—সব কটি ঠিকভাবে ব্যবহার করলে ঘরে আলোর ভারসাম্য থাকে। কাজের বা পড়ার জায়গায় আলাদা লাইট ব্যবহার করা সুবিধাজনক।

চকচকে বা চোখে ঝলমল করা লাইট ব্যবহার করবেন না
অ্যান্টি-গ্লেয়ার শেডহীন সস্তা সিলিং লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট টিউব থেকে আলো সরাসরি চোখে পড়ে। ফলে চোখে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা অস্বস্তি তৈরি হয়। সঠিক শেড ও আলো নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি।
শোপিস লাইটকে মূল লাইটের জায়গায় ব্যবহার করবেন না
ডেকোরেটিভ লাইট ঘর সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে, কিন্তু সঠিক মাত্রায় আলো দিতে পারে না। লাইটের লক্ষ্য হলো ঠিকঠাক আলো দেওয়া। শুধু সাজানো তার কাজ নয়। ফলে শোপিস লাইটকে ঘরের মূল লাইট হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
রুমের রং উপেক্ষা করবেন না
লাইট যে রঙের ওপর পড়ে, তার প্রতিফলন ও শোষণ ক্ষমতা আলোর প্রয়োজন ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ। গাঢ় রং, যেমন কালো বা নীল বেশি আলো শোষণ করে। তাই যে রুমে তেমন রং থাকে, সেসব রুমে বেশি লাইট দরকার। হালকা রং, যেমন সাদা বা ক্রিম, আলো প্রতিফলিত করে। তাই যেসব ঘরের দেয়ালে এমন রং আছে সেগুলোতে কম লাইটেই কাজ চলে।
ডিমার সুইচ ব্যবহার করা
অনেকে ঘরের আলো নিয়ন্ত্রণ করতে শুধু অন-অফ সুইচ ব্যবহার করেন, কিন্তু ডিমার সুইচ ব্যবহার করলে একই লাইটের উজ্জ্বলতা সহজে কমানো বা বাড়ানো যায়। রাতে নরম ও আরামদায়ক আলো পাওয়া যায়। কাজ বা পড়াশোনার সময় লাইটকে যথেষ্ট উজ্জ্বল করা সম্ভব। এতে ঘর আরামদায়ক হয়, চোখের জন্য আলো নিরাপদ হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।
লাইটের ছায়া উপেক্ষা করবেন না
লাইট বসানোর সময় ছায়া কোথায় পড়বে, তা খেয়াল রাখা জরুরি। ডেস্কের পেছনে বা বাথরুমের সিংকের ওপর সিলিং লাইট বসালে ছায়া পড়ে। তাতে কাজ করা কঠিন হয়। ঘরের প্রতিটি কোণ অনুযায়ী আলো ঠিকভাবে বসানো প্রয়োজন।
সুইচগুলো একসঙ্গে রাখতে হবে
যেসব ঘরে একাধিক লাইট থাকে, সেসব ঘরে সব লাইট একসঙ্গে জ্বালানো সাশ্রয়ী নয়। লাইটগুলোকে জোন অনুযায়ী ভাগ করলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলো ব্যবহার করা যায়। স্মার্ট হোম কন্ট্রোল থাকলে মোবাইল বা ভয়েস কমান্ড দিয়ে আলোর মোড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
শুধু উজ্জ্বলতার দিকে লক্ষ রাখবেন না
শুধু ওয়াট লাইট কেনা ঠিক নয়। কালার টেম্পারেচার এবং কালার রেন্ডারিং ইনডেক্স লক্ষ করা দরকার। ভালো কালার রেন্ডারিং ইনডেক্স চোখের জন্য আরামদায়ক।
সঠিক লাইটিং মানে শুধু ঘর আলোকিত করা নয়, এটি আরামদায়ক, চোখের জন্য নিরাপদ, সৌন্দর্য বাড়ানো এবং ঘরে সুন্দর পরিবেশ তৈরির জন্য অপরিহার্য। ছোট পরিকল্পনা এবং সঠিক লাইটের ব্যবহার ঘরের চেহারা বদলে দিতে পারে।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

আপনি কি প্রায়ই অন্য়ের সঙ্গে নিজের তুলনা করেন? বন্ধু, সহকর্মী বা অন্য কারও সঙ্গে হরহামেশা নিজের হাল মেলান? তাহলে দিনটি আপনার জন্যই। আজ আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা দিবস। তুলনা বা প্রতিযোগিতা করার পরিবর্তে, নিজের প্রতি ভালোবাসা দেখানো এবং নিজের বিশেষ গুণাবলিকে গ্রহণ করার মাধ্য়মে সুন্দর জীবন গড়ে তোলার...
৩০ মিনিট আগে
বৈবাহিক সম্পর্ক সাধারণত হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় না। দায়িত্ব, যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত ছোট ছোট অমিল ধীরে ধীরে জমে বড় ফাটল তৈরি করে। এমনটাই মনে করেন চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী লুয়ো মিংজিন। তিনি ‘লাইফ নেভার এন্ডস’ বইয়ে লিখেছেন, ‘অনেক আধুনিক দম্পতি একই ছাদের নিচে থেকেও গভীর একাকিত্বে...
৫ ঘণ্টা আগে
সম্পর্কের টানাপোড়েন মানুষের জীবনের এক অমীমাংসিত জটিলতা। কখনো ভালোবাসা থাকে, কিন্তু বোঝাপড়া হয় না। কখনো আবার অভাব থাকে শুধু স্বচ্ছতার। অনেক সময় আমরা একটি সম্পর্কে বারবার ফিরে আসি, আবার দূরে সরে যাই। একে মনস্তাত্ত্বিক ভাষায় বলা হয়, ‘সাইক্লিং রিলেশনশিপ’ বা ‘অন-অ্যান্ড-অফ’ সম্পর্ক। অনেকে একে সরাসরি...
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সূর্যের বছর। সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, ২০২৬ সালের সংখ্যাগুলো যোগ করলে তার যোগফল হয় ১০। আবার ১০ এর যোগফল হয় ১। অর্থাৎ ২০২৬ সালের সংখ্যাতাত্ত্বিক মান ১, জ্যোতিষশাস্ত্রে যা সূর্যের প্রতীক। ফলে এ বছরকে বলা হচ্ছে সূর্যের বছর। সূর্য আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও নতুন সূচনার প্রতিনিধিত্ব করে। এর ফলে বছরটি...
৯ ঘণ্টা আগে