
চশমা পরেন বলে অনেকেই সাজগোজ করতে কিছুটা আড়ষ্ট বোধ করেন। আবার অনেকেই সেজেগুজে ছবি তোলার সময় টুক করে চশমা খুলে ছবি তোলেন। কিন্তু চশমা পরে সেজেগুজে সুন্দর লাগাতে পারাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। তাই চশমা পরা মানেই সাজগোজের আনন্দ মাটি নয়। বরং সঠিক মেকআপ কৌশলে চশমার ফ্রেম আপনার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। জেনিফার অ্যানিস্টন বা গুইনেথ প্যালট্রোর মতো তারকারাও নিয়মিত চশমা পরে নিজেদের ফ্যাশনেবল লুক ধরে রাখেন।
চোখের সাজে আনুন ভিন্নতা
চশমার লেন্স আপনার চোখকে ফোকাস পয়েন্টে নিয়ে আসে। তাই এ ক্ষেত্রে আইশ্যাডো ব্লেন্ডিং হতে হবে নিখুঁত। আপনি যদি হাইপারমেট্রোপিয়া বা দূরের দৃষ্টির সমস্যায় আক্রান্ত হন, তবে লেন্সের কারণে চোখ বড় দেখাবে। আর মায়োপিয়া বা কাছের দৃষ্টির সমস্যা থাকলে চোখ ছোট দেখাবে। চোখের নিচের ওয়াটার লাইনে সাদা বা হালকা নুড রঙের পেনসিল ব্যবহার করুন। যদি আপনার চোখের নিচে বেগুনি বা কালচে আভা থাকে, তবে সাধারণ কনসিলারের নিচে সামান্য ‘হলুদ কনসিলার’ ব্যবহার করুন। এটি বেগুনি রঙের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে কালচে ভাব পুরোপুরি ঢেকে দেয়। কালো কাজল এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ লেন্সের ছায়ায় চোখ আরও ছোট বা অন্ধকার দেখাতে পারে।
পাপড়ি নিয়ে বাড়তি সতর্কতা
চোখের পাপড়ি খুব বেশি লম্বা হলে তা বারবার চশমার লেন্সে ঘষা খেয়ে বিরক্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। মাসকারা দেওয়ার আগে আইল্যাশ কার্লার দিয়ে পাপড়িগুলো ভালো করে কার্ল করে নিন। এতে পাপড়ি সামনের দিকে না বেড়ে ওপরের দিকে থাকবে। পাপড়ি লম্বা করার বদলে ভলিউম বা ঘনত্ব বাড়ায় এমন মাসকারা বেছে নিন। দলা পাকানো মাসকারা লেন্সের ভেতর দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। তাই পাপড়িগুলো আলাদা রাখে, এমন ব্রাশ ব্যবহার করুন।
আইলাইনার ও মাসকারার জাদু
চশমার লেন্সের ভেতর দিয়ে ক্ল্যাসিক ক্যাট-আই লাইনার দেখতে খুব সুন্দর লাগে। তবে লাইনারের রেখাটি খুব বেশি মোটা করবেন না, এতে লুকটি ভারী মনে হতে পারে। অবশ্যই ওয়াটারপ্রুফ লাইনার ব্যবহার করবেন, যাতে তা ছড়িয়ে না যায়। নিচের পাপড়িতে সাধারণ মাসকারার বদলে স্বচ্ছ মাসকারা ব্যবহার করুন। এতে চোখে জল এলেও বা ঘষা লাগলেও ‘পান্ডা’র মতো কালো দাগ হবে না। পাপড়ি লম্বা করার চেয়ে ঘন করার দিকে মন দিন। লম্বা পাপড়ি বারবার লেন্সে ঘষা খেয়ে আপনার অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

ফাউন্ডেশন ও কনসিলার ব্যবহারের কৌশল
চশমা পরলে নাকের দুই পাশে ফাউন্ডেশন লেপ্টে যাওয়া বা গর্ত হয়ে যাওয়ার সমস্যা অনেকেরই হয়। এ ঝামেলা এড়াতে নাকের ওপর কম মেকআপ নিন। নাকের যেখানে চশমা বসে, সেখানে খুব ঘন স্তরে ফাউন্ডেশন দেবেন না। বরং ব্রাশে লেগে থাকা সামান্য অবশিষ্টাংশ সেখানে ড্যাব করে নিন। প্রাইমার এবং সেটিং স্প্রে ব্যবহার করে মেকআপ ‘লক’ করে দিন। চোখের নিচে চশমার ফ্রেমের কারণে সৃষ্টি হওয়া ছায়া ঢাকতে কনসিলার ব্যবহার করুন। চোখের নিচে আপনার স্ক্রিন টোনের চেয়ে এক শেড হালকা কনসিলার ব্যবহার করলে চশমার ফ্রেমের কারণে তৈরি হওয়া ছায়া দূর হয় এবং চোখ সতেজ দেখাবে।
ব্লাশন ও হাইলাইটার কোথায় দেবেন?
আপনার ফ্রেমের আকার অনুযায়ী ব্লাশন দেওয়ার জায়গা পরিবর্তন করতে হবে।
বড় ফ্রেম: যদি ফ্রেমটি গালের অনেকটা অংশজুড়ে থাকে, তবে ব্লাশন দেওয়ার সময় গালের হাড় থেকে শুরু করে রগ পর্যন্ত ইংরেজি ‘সি’ আকৃতিতে ব্রাশ করুন।
হাইলাইটার: গালের হাড়ের উপরি ভাগে হাইলাইটার দিলে পুরো মুখ উজ্জ্বল দেখাবে এবং চোখের সাজের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় থাকবে।
ঠোঁটকে আকর্ষণীয় করুন
যদি চোখের সাজ কিছুটা গাঢ় হয়, তবে ঠোঁটে কেবল গ্লস বা হালকা রঙের লিপস্টিক দিন। আর যদি ঠোঁটে উজ্জ্বল কোনো রং ব্যবহার করেন তবে খেয়াল রাখুন, সেটি যেন আপনার চশমার ফ্রেম বা আইশ্যাডোর রঙের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়। চোখের মেকআপ নিয়ে যদি খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী না হন, তবে নজর কেড়ে নিন ঠোঁট দিয়ে। চশমার সঙ্গে গাঢ় বা বোল্ড রঙের লিপস্টিক দারুণ মানায়। ভেলভেটি বা ম্যাট ফিনিশ লিপস্টিক ব্যবহার করলে লুকে আভিজাত্য আসবে। ঠোঁটে গাঢ় রং থাকলে চোখের সাজ হালকা বা নিউট্রাল রাখুন।
ভ্রুর যত্ন
চশমার ফ্রেমের ওপর দিয়ে ভ্রু দেখা যায়। তাই ভ্রু সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা জরুরি। একটি ব্রাউন মাসকারা বা পেনসিল দিয়ে ভ্রু ফিলআপ করে নিলে পুরো মুখের কাঠামোটি সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে।
সূত্র: ভোগ, শোবিজ ডেইলি

ধরুন আলমারিতে লাল রঙের দুটি শাড়ি আছে। তবে আপনার আরও একটি শাড়ি ভালো লেগেছে, যা লাল রঙেরই। কিনবেন? আবার ধরুন আপনার বাড়ির দুই গলি পরই একটি স্কুল আছে, আপনার আদরের সন্তানটিকে সেখানে ভর্তি করাবেন। তবে সেই স্কুলটি কাছে হলেও লেখাপড়া সেখানে খুব একটা ভালো হয় না। তাহলে কোথায় ভর্তি করাবেন?
২৪ মিনিট আগে
আজ আপনার শরীরের রক্ত গরম হয়ে থাকবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হবে যেন অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে সোনা জেতার ক্ষমতা আপনার আছে, যদিও বাস্তবে বিছানা থেকে নামতেই আপনার হাঁটুতে কটকট শব্দ হতে পারে। অফিসে বসের কোনো ছোট সমালোচনা শুনলেই আপনার ভেতরের ড্রাগন জেগে উঠতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ইউক্যালিপটাসগাছের ডালে গুটিসুটি হয়ে বসে থাকা আদুরে প্রাণী কোয়ালা। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এই প্রাণীরা এক ভয়াবহ অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। একদিকে বন উজাড় আর জলবায়ু পরিবর্তন, অন্যদিকে ‘ক্ল্যামাইডিয়া’ (Chlamydia) নামক এক মরণব্যাধি। যে রোগ তাদের বিলুপ্তির পথে
৪ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
১৮ ঘণ্টা আগে