একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, গত কয়েক বছরে পুরোনো অনেক ফ্যাশন ফিরে এসেছে। এগুলোর মধ্যে একটি হলো বো হেয়ার ব্যান্ড কিংবা বো ক্লিপ। এটি ছিল সত্তর দশকের হেয়ারস্টাইলের অন্যতম অনুষঙ্গ। ওয়েস্টার্ন পোশাকের পাশাপাশি কামিজ এমনকি শাড়ির সঙ্গেও বো হেয়ার ব্যান্ড পরা হতো সে সময়। সময়ের ফেরে হারিয়ে যাওয়া এই স্টাইল আবার ফিরে এসেছে। বর্তমানে তরুণীদের কাছে বেশ ট্রেন্ডি এই বো হেয়ার ব্যান্ড।
শাড়ির সঙ্গে
চুল বড় হলে খোঁপা করে তার মধ্যে পছন্দের রঙের বো ক্লিপ পরা যেতে পেরে। এই ধরনের হেয়ারস্টাইল শাড়ির সঙ্গে বেশ ভালো মানিয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে শাড়ির রং হালকা হলে উজ্জ্বল রঙের বো হেয়ার ক্লিপ পরতে পারেন। আবার পোলকা ডটের শাড়ি হলে পোলকা ডটের বো হেয়ার ব্যান্ড বেছে নিতে পারেন।
ওয়েস্টার্ন আউটলুক
ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে চুল ভালো করে আঁচড়ে নিয়ে মাঝখানে সিঁথি করে দুপাশে দুটি বো ক্লিপ লাগাতে পারেন। চুল লম্বা হলে সামনের চুল অর্ধেকটা টেনে নিয়ে পেছনে একটি বো ক্লিপ লাগিয়ে নিতে পারেন। আবার হট রোলার দিয়ে চুলকে সামনে দিয়ে সামান্য ফুলিয়ে পেছনে বড় একটি বো ক্লিপ পরা যেতে পারে।
বো স্ক্র্যাঞ্চিজ
এখন কাপড় ও লেইস দিয়ে তৈরি অনেক ধরনের বো স্ক্র্যাঞ্চিজ পাওয়া যায়। একটু বৈচিত্র্যময় লুক চাইলে একটা বেণি বো স্ক্র্যাঞ্চিজ পরতে পারেন। আবার পনিটেইল করেও এ ধরনের স্ক্র্যাঞ্চিজ ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি যেকোনো আউটফিটে অনেক বেশি ট্রেন্ডি লাগবে।
সত্তরের নস্টালজিয়া
সত্তরের দশকের নায়িকাদের হেয়ারস্টাইল এখনো মন কাড়ে। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে যদি সেই লুকে নিজেকে সাজাতে ইচ্ছে হয়, তাহলে তার জন্য প্রথমে স্ট্রেইটনার দিয়ে ভালো করে চুল টেনে নিন। এরপর চুলের যেকোনো এক পাশে সিঁথি করে বো হেয়ার ব্যান্ড চুলের ওপর সেট করে দিন। বাজারে এখন নানান প্রিন্টের কাপড়ের বো হেয়ার ব্যান্ড পাওয়া যায়। এটি একরঙা পোশাকের সঙ্গে পরলে
ফুটে উঠবে।
খোঁজখবর
বো হেয়ার ব্যান্ড পেয়ে যাবেন ঢাকার মৌচাক, নিউমার্কেট, গাউছিয়াসহ বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কের কিছু হেয়ার অ্যাকসেসরিজ শপে। এ ছাড়া যেকোনো জেলা বা উপজেলার ফ্যাশন অ্যাকসেসরিজের দোকানেও পাওয়া যাবে বো হেয়ার ব্যান্ড। ডিজাইন ও মানের ওপর নির্ভর করে দাম পড়বে ২০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া কিছু অনলাইনভিত্তিক পেজ হ্যান্ডমেইড বো হেয়ার ব্যান্ড বিক্রি করে। সেসব জায়গা থেকে কাস্টমাইজড করেও নেওয়া যায়। চাইলে সুই, সুতা, কাপড়, রশি ও নানান রকম পাথর দিয়ে নিজেও হেয়ার বো তৈরি করে নিতে পারেন।

ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
৯ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে আঁশ বা ফাইবার বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে ওটমিলের নাম। প্রতি কাপ ওটমিলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। তবে ওটমিলই একমাত্র আঁশের উৎস নয়। এমন অনেক সাধারণ খাবার আছে, যা ফাইবার বা আঁশের দিক থেকে ওটমিলকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই যাঁরা ওটমিল খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য এ খাবারগুলো সম্পর্কে জানা বেশি জরুরি।
১০ ঘণ্টা আগে
সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ।
১১ ঘণ্টা আগে
পথে আসতে-যেতে পেয়ারা চোখে পড়ছে এখন। প্রায়ই হয়তো ফেরার পথে কিনে নিয়ে আসেন বাড়িতে। এবার তৈরি করে ফেলুন পেয়ারার টক-মিষ্টি চাটনি। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত...
১৫ ঘণ্টা আগে