ফিচার ডেস্ক

এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না। সে ক্ষেত্রে এর সঠিক কারণটা খুঁজে বের করতে হবে।
আঙুলের ডগা, নখ এবং আঙুলের চারপাশে শুষ্ক ত্বক জমা হয়। এখান থেকে ফুসকুড়ি বা চুলকানিও হতে পারে। কয়েক দিন স্থায়ী হলে আঙুলের ডগায় ত্বক খোসার মতো উঠতে থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু দিনের পর দিন এই সমস্যায় ভুগলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এই সমস্যার পেছনে নিজের ব্যক্তিগত অভ্যাসও দায়ী হতে পারে। আঙুলের ডগা ও নখের চারপাশ থেকে চামড়া ওঠার সম্ভাব্য কারণগুলো হলো—

ঘন ঘন হাত ধোয়া
বারবার হাত ধোয়ার ফলে ত্বক খোসার মতো উঠতে শুরু করতে পারে। বারবার ধোয়ার কারণে ত্বকের শুষ্কতা এবং রুক্ষতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের স্তর নষ্ট করে। এই সমস্যা রোধ করতে হাত ধোয়ার পরে ময়শ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম লাগাতে হবে। আর হাত ধোয়ার জন্য কম ক্ষারযুক্ত সাবান এবং হালকা গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে হবে।
রাসায়নিক ব্যবহার
কঠোর রাসায়নিকযুক্ত পণ্য ব্যবহার আপনার ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে আঙুলের ডগায় এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাবান, স্যানিটাইজার, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল মলম ইত্যাদিতে বেশি ক্ষারযুক্ত রাসায়নিক থাকতে পারে। ত্বক শুষ্ক থাকলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এই পণ্যগুলো ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো জ্বালা এবং চুলকানির কারণ হতে পারে। কৃত্রিম সুগন্ধি এবং প্রিজারভেটিভ থাকা পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। আপনার ত্বক সংবেদনশীল হলে কোনো নতুন পণ্য ব্যবহার করার আগে একটি প্যাচ পরীক্ষা করুন।
আঙুল চোষা বা দাঁত দিয়ে আঙুলের ডগা চিবানো
আঙুল চোষা এবং আঙুলের ডগা চিবানোর ফলে ত্বক খোসা ছাড়তে পারে। কিছু শিশু, এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদেরও এই অভ্যাস থাকতে পারে। লালা ত্বক অতিরিক্ত আর্দ্র করে তুলতে পারে এবং ত্বকের পরত উঠে যেতে পারে।
ভিটামিনের অভাব
ভিটামিন বি৩ বা নিয়াসিনের অভাবে ত্বকের পরত উঠতে শুরু করতে পারে। ভিটামিন বি৩ ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এটি ত্বকের আর্দ্রতা এবং সুরক্ষার স্তরের কার্যকারিতা উন্নত করে। খাদ্যতালিকায় তাই ডিম, চিনাবাদাম, হাঁস বা মুরগির মাংস, মাছ, গোটা শস্য এবং ডাল জাতীয় নিয়াসিন সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন।
হাতের একজিমা ও সোরিয়াসিস
একজিমা বা সোরিয়াসিস হলেও এমন হতে পারে। তাই ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানযুক্ত পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ঘন ঘন আপনার হাত ময়শ্চারাইজ করুন, বিশেষ করে গোসলের পরে। হাত ধোয়ার জন্য গরম পানি ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। চুলকানি বা লালচে ভাব অনুভব করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সোরিয়াসিসের ফলে ত্বকে লাল ও খসখসে দাগ পড়ে। এর ফলে চামড়াও উঠতে পারে। সোরিয়াসিসের কোনো প্রতিকার না থাকলেও মলম এবং ক্রিমের মতো সাময়িক চিকিৎসার মাধ্যমে আরাম পাওয়া যেতে পারে।

সাধারণ সমস্যা হয়ে থাকলে ওষুধ ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
মধু মাখুন
আক্রান্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা মধু মাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এভাবে দিনে তিনবার ব্যবহার করুন। মধু প্রাকৃতিক ইমোলিয়েন্ট, ফলে ত্বকের এ ধরনের সমস্যা সমাধানে এটি খুব ভালো কাজ করে।
দুধের প্রলেপ
দুধ ত্বক হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বকের সুরক্ষাকবচকে শক্তিশালী করে। হালকা গরম দুধে আঙুল ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। অল্প কিছুদিনের মধ্য়ে ভালো ফল পাবেন।
অ্যালোভেরা জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি
এই দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে রাতে হাতে মেখে ঘুমান। খুব বেশি পরিমাণে মাখতে হবে। এভাবে নিয়মিত করলে হাতের সমস্যাও সমাধান হবে, সৌন্দর্যও বাড়বে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না। সে ক্ষেত্রে এর সঠিক কারণটা খুঁজে বের করতে হবে।
আঙুলের ডগা, নখ এবং আঙুলের চারপাশে শুষ্ক ত্বক জমা হয়। এখান থেকে ফুসকুড়ি বা চুলকানিও হতে পারে। কয়েক দিন স্থায়ী হলে আঙুলের ডগায় ত্বক খোসার মতো উঠতে থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু দিনের পর দিন এই সমস্যায় ভুগলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এই সমস্যার পেছনে নিজের ব্যক্তিগত অভ্যাসও দায়ী হতে পারে। আঙুলের ডগা ও নখের চারপাশ থেকে চামড়া ওঠার সম্ভাব্য কারণগুলো হলো—

ঘন ঘন হাত ধোয়া
বারবার হাত ধোয়ার ফলে ত্বক খোসার মতো উঠতে শুরু করতে পারে। বারবার ধোয়ার কারণে ত্বকের শুষ্কতা এবং রুক্ষতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের স্তর নষ্ট করে। এই সমস্যা রোধ করতে হাত ধোয়ার পরে ময়শ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম লাগাতে হবে। আর হাত ধোয়ার জন্য কম ক্ষারযুক্ত সাবান এবং হালকা গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে হবে।
রাসায়নিক ব্যবহার
কঠোর রাসায়নিকযুক্ত পণ্য ব্যবহার আপনার ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে আঙুলের ডগায় এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাবান, স্যানিটাইজার, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল মলম ইত্যাদিতে বেশি ক্ষারযুক্ত রাসায়নিক থাকতে পারে। ত্বক শুষ্ক থাকলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এই পণ্যগুলো ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো জ্বালা এবং চুলকানির কারণ হতে পারে। কৃত্রিম সুগন্ধি এবং প্রিজারভেটিভ থাকা পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। আপনার ত্বক সংবেদনশীল হলে কোনো নতুন পণ্য ব্যবহার করার আগে একটি প্যাচ পরীক্ষা করুন।
আঙুল চোষা বা দাঁত দিয়ে আঙুলের ডগা চিবানো
আঙুল চোষা এবং আঙুলের ডগা চিবানোর ফলে ত্বক খোসা ছাড়তে পারে। কিছু শিশু, এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদেরও এই অভ্যাস থাকতে পারে। লালা ত্বক অতিরিক্ত আর্দ্র করে তুলতে পারে এবং ত্বকের পরত উঠে যেতে পারে।
ভিটামিনের অভাব
ভিটামিন বি৩ বা নিয়াসিনের অভাবে ত্বকের পরত উঠতে শুরু করতে পারে। ভিটামিন বি৩ ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এটি ত্বকের আর্দ্রতা এবং সুরক্ষার স্তরের কার্যকারিতা উন্নত করে। খাদ্যতালিকায় তাই ডিম, চিনাবাদাম, হাঁস বা মুরগির মাংস, মাছ, গোটা শস্য এবং ডাল জাতীয় নিয়াসিন সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন।
হাতের একজিমা ও সোরিয়াসিস
একজিমা বা সোরিয়াসিস হলেও এমন হতে পারে। তাই ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানযুক্ত পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ঘন ঘন আপনার হাত ময়শ্চারাইজ করুন, বিশেষ করে গোসলের পরে। হাত ধোয়ার জন্য গরম পানি ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। চুলকানি বা লালচে ভাব অনুভব করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সোরিয়াসিসের ফলে ত্বকে লাল ও খসখসে দাগ পড়ে। এর ফলে চামড়াও উঠতে পারে। সোরিয়াসিসের কোনো প্রতিকার না থাকলেও মলম এবং ক্রিমের মতো সাময়িক চিকিৎসার মাধ্যমে আরাম পাওয়া যেতে পারে।

সাধারণ সমস্যা হয়ে থাকলে ওষুধ ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
মধু মাখুন
আক্রান্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা মধু মাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এভাবে দিনে তিনবার ব্যবহার করুন। মধু প্রাকৃতিক ইমোলিয়েন্ট, ফলে ত্বকের এ ধরনের সমস্যা সমাধানে এটি খুব ভালো কাজ করে।
দুধের প্রলেপ
দুধ ত্বক হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বকের সুরক্ষাকবচকে শক্তিশালী করে। হালকা গরম দুধে আঙুল ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। অল্প কিছুদিনের মধ্য়ে ভালো ফল পাবেন।
অ্যালোভেরা জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি
এই দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে রাতে হাতে মেখে ঘুমান। খুব বেশি পরিমাণে মাখতে হবে। এভাবে নিয়মিত করলে হাতের সমস্যাও সমাধান হবে, সৌন্দর্যও বাড়বে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম
৩৪ মিনিট আগে
আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে রোদে পোড়া বা ‘সানবার্ন’ খুবই পরিচিত সমস্যা। তবে আমরা অনেকে জানি না যে সাধারণ এই রোদে পোড়া দাগ যখন চরমে পৌঁছায়, তখন তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সান পয়জনিং’ বলা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
আজ ২১ জানুয়ারি, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে মিউজিয়াম সেলফি ডে। একসময় ‘ছবি তোলা নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড আর অতীতমুখী নিস্তব্ধতায় মগ্ন থাকা জাদুঘর এখন খানিক উদার ও প্রাণবন্ত। বিশ্বের অনেক জাদুঘরে এখন ছবি তোলা যায়। আর সেলফি হলো সেই ছবি তোলার এক দারুণ মাধ্যম।
৭ ঘণ্টা আগে
মাঝরাতে সুইট ক্রেভিং হয়? দোকানের মিষ্টি মুখে না পুরে ঘরে তৈরি ক্ষীর খেতে পারেন। খেতেও ভালো, পুষ্টিকরও। আপনাদের জন্য খেজুরের গুড়ের ক্ষীরের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৯ ঘণ্টা আগে