
আবহাওয়া খারাপ থাকলে সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণ করা অনেক সময় রোমাঞ্চকর মনে হলেও ঝুঁকিপূর্ণ। সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণের সময় ঝড়বৃষ্টিতে আটকে গেলে নিরাপত্তার জন্য জেনে নিতে হবে বিভিন্ন সতর্কসংকেত। এগুলো জানলে নিজেরাই বুঝতে পারবেন, কখন কী করতে হবে নিরাপত্তার জন্য।
দেশে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড় বা ঝড়ের সময় সংকেতভিত্তিক সতর্ক ব্যবস্থা চালু আছে। সাধারণত ১ থেকে ১১ নম্বর পর্যন্ত এই সংকেতগুলো দেওয়া হয়। এই সংকেতগুলোর প্রতিটির রয়েছে আলাদা অর্থ। সেগুলো জেনে নিন—
কোন সতর্কসংকেতে করণীয় কী
১ ও ২ নম্বর: দূরবর্তী সংকেত
অর্থ: গভীর সমুদ্রে ঝড় সৃষ্টি হয়েছে বা হতে পারে। কিন্তু এখনো উপকূলে সরাসরি প্রভাব পড়েনি।
করণীয়
» আবহাওয়ার খবর নিয়মিত অনুসরণ করুন
» অপ্রয়োজনীয় সমুদ্রযাত্রা এড়িয়ে চলুন
» গভীর সমুদ্রে না যাওয়া ভালো
» জরুরি নম্বর ও আশ্রয়কেন্দ্র সম্পর্কে ধারণা নিন
৩ ও ৪ নম্বর: স্থানীয় সংকেত
অর্থ: উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বা ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে।
করণীয়
» উপকূলের কাছাকাছি আপনি অবস্থান করলে সতর্ক থাকুন
» নৌকা ও ট্রলারে থাকলে নিরাপদ স্থানে থাকুন
» শুকনো খাবার, পানি, ওষুধসহ জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখুন
» পরিবার-পরিজনকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানিয়ে রাখুন
৫, ৬ ও ৭ নম্বর: বিপৎসংকেত
অর্থ: ঘূর্ণিঝড় কিংবা প্রবল ঝড় সরাসরি আঘাত হানতে পারে। এ সময় জাহাজ চলাচল সীমিত বা বন্ধ করা হয় এবং মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়।
করণীয়
» দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন
» প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলুন
» জেলেদের সঙ্গে সাগরে থাকলে দ্রুততম সময়ে তীরে ফিরে আসুন
» যেখানে আছেন, সে ভবনের দরজা-জানালা শক্ত করে বন্ধ করুন
» বিদ্যুতের সংযোগ ও গ্যাসের লাইন নিরাপদ কি না, তা খেয়াল করুন
» গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, আইডি কার্ড, টাকা ইত্যাদি নিরাপদে রাখুন
৮, ৯ ও ১০ নম্বর: মহা বিপৎসংকেত
অর্থ: শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানার প্রবল আশঙ্কা বা আঘাত হানছে। জলোচ্ছ্বাস, প্লাবন, ঘরবাড়ি ধ্বংস ইত্যাদিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আছে।
করণীয়
» অবিলম্বে আশ্রয়কেন্দ্র অথবা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান
» নিচু এলাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ ঘর ছেড়ে দিন
» শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের আগে নিরাপদে সরিয়ে নিন
» মোবাইল ফোন চার্জ করে রাখুন, যোগাযোগ সচল রাখুন
» ঘরের ভেতরে থাকুন, বাইরে বের হবেন না
» জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় উঁচু স্থানে আশ্রয় নিন
১১ নম্বর: চরম সংকেত
অর্থ: ঘূর্ণিঝড়ের কারণে যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন কিংবা সম্পূর্ণ বন্ধ। এটি সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
করণীয়
» যেখানেই নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন, সেখানেই থাকুন
» কোনো অবস্থাতেই বাইরে বের হবেন না
» প্রশাসন বা উদ্ধারকর্মীদের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করুন
» পানির স্রোত বা বাতাস কমা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন
অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
» স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার নির্দেশনা সব সময় মেনে চলুন।
» গুজব এড়িয়ে চলুন এবং শুধু নির্ভরযোগ্য তথ্য গ্রহণ করুন।
» আগেই আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান জেনে রাখুন।
***সংকেত সংখ্যা যত বাড়ে, করণীয় তত জরুরি ও দ্রুত হয়ে ওঠে। দেরি না করে প্রস্তুতি নিয়ে থাকা নিরাপদ উপায়। তবে খারাপ আবহাওয়ায় সমুদ্র ও সৈকত দর্শন থেকে বিরত থাকা ভালো।

সঠিক ভাবে হাত ধুতে সাবান ও পানি দিয়ে ৪০ থেকে ৬০ সেকেন্ড এবং অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড রাব দিয়ে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ধরে হাত ঘষতে হবে। রোগজীবাণুর ছড়িয়ে পড়া রোধে হাত ধোয়া প্রথম ধাপের বাধা হিসেবে কাজ করে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে হাত না ধোয়ার ফলে এক রোগীর শরীর থেকে অন্য রোগীর শরীরে এবং...
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রাঙামাটিয়া গ্রাম। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের সারি। তবে এসব ঘর আর দশটি গ্রামের মতো সাদামাটা নয়। কোনো দেয়ালে শিকারি জীবনের দৃশ্য, কোথাও সাঁওতাল তরুণ-তরুণীর নাচ-গান...
১০ ঘণ্টা আগে
ঘুম পৃথিবীর সব মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু ঘুমানোর ধরন সব দেশে, সব সংস্কৃতিতে এক নয়। কোনো দেশে শিশুকে শীতের মধ্যেও বাইরে ঘুম পাড়ানো হয়, আবার কোথাও স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমালেও ব্যবহার করেন আলাদা কম্বল। দেশ, আবহাওয়া, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের সঙ্গে বদলে যায় ঘুমের অভ্যাসও।...
১০ ঘণ্টা আগে
সিলেট ভ্রমণের আনন্দ শুরু হয় ট্রেন বা বাসে ওঠার পর থেকে। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে বাস বা ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখা দুই পাশের সবুজ চা-বাগান, সারি সারি গাছ, নদী-খাল আর দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ—সব মিলিয়ে এই যাত্রা হতে পারে স্মরণীয়।
১১ ঘণ্টা আগে