
খেলা চলছে দূর পরবাসে; উত্তর আমেরিকার তিন দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোতে। মাঠের লড়াই যখন জমজমাট, গ্যালারিতে যখন উল্লাসের গর্জন, আমাদের এদিকের ঘড়িতে তখন হয়তো রাত ২টা কিংবা ভোর ৪টা! ফুটবল আর নির্ঘুম রাত তাই আমাদের অঞ্চলে চিরকালের আপন ভাই। কিন্তু মুশকিল হলো, রাত জেগে খেলা দেখার পরদিন সকালে অ্যালার্ম বেজে উঠলে মনে হয়, জীবনটা বুঝি দোজখ হয়ে গেল। চার কাপ কফি খেয়েও অফিস বা ইউনিভার্সিটির ক্লাসে হাই তোলা আটকানো যায় না। তাই বলে চার বছর পর আসা এই ফুটবল মহোৎসব তো মিস করা যাবে না। আবার পরের দিনের কর্মক্ষমতাও ধুলোয় মেশানো যাবে না। তাই শরীর ঠিক রেখে কীভাবে এই ‘টাইম জোন’-এর মারপ্যাঁচ সামলানো যায়, তার এক চটকদার ও বিজ্ঞানসম্মত গাইডলাইন জেনে নিন।
খেলার সময় অনুযায়ী আপনার ঘুমের ছক সাজাতে হবে। খেলা শুরুর আগেই জলদি একটা ঘুম দিয়ে নেওয়া, ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে অ্যালার্ম শুনে উঠে খেলা দেখা এবং শেষ বাঁশি বাজার পর আবার ঘুমাতে যাওয়া—এই হলো সমাধান। তবে ম্যাচ শেষের স্নায়ু উত্তেজনায় দ্বিতীয় দফায় ঘুমানো একটু কঠিন হতে পারে। সারা রাত জেগে খেলা দেখে ভোরের দিকে মাত্র ঘণ্টা দুয়েকের একটা ছোট ঘুম দিয়ে নিতে পারেন। এটি সবচেয়ে সহজ মনে হলেও পরদিন খিটখিটে মেজাজ আর মনোযোগের ১২টা বাজার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
ঘুম তাড়াতে চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকস আমাদের প্রধান ভরসা হলেও, এটি দোধারী তলোয়ারের মতো। কফির প্রভাব শরীরে দীর্ঘ সময় থাকে। তাই খেলা শুরুর ঠিক আগে কড়া কফি খেলে ম্যাচ শেষে আর কোনোভাবেই ঘুমাতে পারবেন না। আপনি ঠিক যখন ঘুমাতে চান, তার অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে আপনার শেষ কফিটা খেয়ে নিন। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দিন শুরু করতে আবার কড়া এক কাপ কফি পান করতে পারেন।
পরের দিন ক্লান্তি দূর করতে বা রাতের ম্যাচের জন্য এনার্জি জমিয়ে রাখার বড় অস্ত্র হলো দুপুরের হালকা ঘুম। দুপুরের খাবারের পর শরীরের শক্তি স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা কমে আসে। সম্ভব হলে তখন ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা পাওয়ার ন্যাপ দিন। তবে ভুলেও ৩০ মিনিটের বেশি গভীর ঘুমে তলিয়ে যাবেন না, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর আরও বেশি ম্যাজম্যাজ করবে।
অনেকে ভাবেন রাতে ঘুমিয়ে সকাল ৮টায় খেলাটি রেকর্ড বা অন-ডিমান্ড রিপ্লেতে দেখে নেবেন। কিন্তু আজকের যুগের সোশ্যাল মিডিয়ার পুশ নোটিফিকেশন, বন্ধুমহলের গ্রুপ চ্যাট কিংবা ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম আপনার অজান্তেই ফোনের স্ক্রিনে স্কোর ভাসিয়ে দিয়ে পুরো ম্যাচের থ্রিল নষ্ট করে দেবে। আর ঘরের টিনেজার বা কিশোর বয়সীদের ক্ষেত্রে রাত ৩টার ম্যাচ দেখার জন্য জাগিয়ে রাখার চেয়ে ভোরবেলা জলদি ঘুম থেকে উঠে স্কুলের আগে ম্যাচটি দেখে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ। যদিও এই নিয়ম তরুণ প্রজন্মের কাছে খুব একটা জনপ্রিয় নয়।
ফুটবলের উন্মাদনায় একটু আধটু নিয়মের বাইরে যাওয়া অন্যায় কিছু নয়। তবে মনে রাখবেন, পরের দিনটি যাতে সুন্দর যায়, সে জন্য নিজের শরীর ও ঘুমের ওপর এই ট্যাকটিক্যাল প্ল্যান প্রয়োগ করা আবশ্যক। প্রিয় দলের জয় উদ্যাপন করুন, তবে শরীর বাঁচিয়ে!
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

ছোট স্যুটকেস বেশি কেনাকাটা করায়—এমন দাবির সরাসরি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই; বরং গবেষণাগুলো পর্যটকের কেনাকাটার পেছনে সময়ের স্বল্পতা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, স্মৃতি, উপহার, স্থানীয়তার অনুভূতি এবং পণ্যের মূল্যবোধের মতো নানা কারণ দেখিয়েছে। বরং বলা যায়, স্যুটকেসের সীমিত জায়গা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সময়ও সীমিত...
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অপচয় হয়, যা ল্যান্ডফিলে পচে ক্ষতিকর মিথেন গ্যাস তৈরি করে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। অথচ একটু সচেতন হলেই আমরা রান্নায় এই ফেলে দেওয়া অংশগুলোকে ব্যবহার করে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নিজেদের পুষ্টির চাহিদাও মেটাতে পারি...
৯ ঘণ্টা আগে
খ্যাতনামা বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত বায়োমেডিসিন-বিষয়ক গবেষণাপত্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশেই কোনো না কোনোভাবে এআইয়ের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত লেখা লিখে পারলেও চিন্তা, আবেগ ও কৌশলের বিকল্প নয়। এবার প্রশ্ন হলো, এআই কি সত্যিই লেখার মূল উদ্দেশ্যে আমাদের সাহায্য করতে পারছে।...
১১ ঘণ্টা আগে
পালংশাকের স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে তৈরি করতে পারেন আচারি পালংশাক। এতে পালংশাকের সঙ্গে রসুন, সরিষার তেল, পাঁচফোড়ন ও মসলা দিয়ে তৈরি হয় সুগন্ধিযুক্ত এই আচার। পালংশাকের প্রচলিত স্বাদের বাইরে নতুন কিছু খেতে চাইলে ঝটপট তৈরি করা যায় এই আচার...
১৩ ঘণ্টা আগে