ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

জীবনে আমরা প্রায়ই এমন কিছু লক্ষ্য তাড়া করি, যেগুলো আসলে যতটা না জরুরি, তার চেয়ে বেশি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া। অতিমূল্যায়িত বা ওভাররেটেড লক্ষ্য এবং তার পরিবর্তে যা করা উচিত, সে সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে। তা না হলে জীবনে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা সব সময় ভারী থাকবে। কারণ জীবন কোনো প্রতিযোগিতা নয় যে সব সময় প্রথম হতে হবে। বরং জীবন হলো একটি ভ্রমণ, যেখানে ছোট ছোট আনন্দ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন পার্কে হাঁটাহাঁটি করা বা প্রিয়জনের সঙ্গে এক কাপ চা-পান করার মতো স্মৃতি ও ঘটনা জীবনে জরুরি। মেকি সাফল্যের পেছনে না ছুটে নিজের মতো করে বাঁচার সাহস সঞ্চয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব জিনিস বাদ দিতে হবে
অফিসের ইঁদুর দৌড়: করপোরেট সিঁড়ির একদম শীর্ষে ওঠার স্বপ্নে আমরা অনেক সময় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিসর্জন দিই। মনে রাখবেন, উচ্চপদ মানেই উচ্চতর মানসিক চাপ, যা আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে।
মেকি আভিজাত্য: দামি হ্যান্ডব্যাগ, লাক্সারি ঘড়ি বা ব্র্যান্ডের পোশাক দিয়ে নিজেকে জাহির করবেন না। এগুলো আপনার পরিশ্রমের অর্থের সঠিক প্রতিদান দেয় না।
তর্কে জেতার নেশা: আমরা অনেক সময় তুচ্ছ বিষয়েও নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠি। কিন্তু সম্পর্কের বিনিময়ে তর্কে জেতা আসলে একধরনের পরাজয়।
ডিগ্রির মোহ: বড় বড় পদবি থাকলেই জীবন সফল, এমন ধারণা ভুল। শিক্ষা হওয়া উচিত আত্ম-আবিষ্কার ও ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য, কেবল নামের আগে টাইটেল যোগ করার জন্য নয়।
বিষাক্ত কর্মতৎপরতা: সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকাকে আমরা সাফল্যের মাপকাঠি ধরি। কিন্তু বিশ্রামহীন কাজ সৃজনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ায়।
যে লক্ষ্যগুলো জীবনে স্বস্তি দেয়
গভীর ও অর্থবহ সম্পর্ক: আপনার সঙ্গীরাই আপনার পরিচয়। তাই লোকদেখানো সম্পর্কের বদলে গভীর ও সৎ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। যারা আপনার শক্তি কেড়ে নেয়, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন এবং যাদের আপনি শ্রদ্ধা করেন তাদের সঙ্গে সময় কাটান।
ভয় ও ঝুঁকিকে আলিঙ্গন: আরামদায়ক অবস্থার বাইরে বেরোলেই প্রকৃত বৃদ্ধি ঘটে। এমন কিছু করার লক্ষ্য নিন, যা আপনাকে ভয় দেখায়—হতে পারে তা নতুন কোনো দেশ ভ্রমণ বা নতুন কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগ। ঝুঁকি নেওয়াই আপনাকে সাহসী করে তুলবে।
সৃজনশীলতায় ডুব দেওয়া: আমাদের সবার মধ্যেই সৃজনশীল সত্তা আছে। রান্না করা, বাগান করা, লেখালেখি বা ছবি আঁকার মতো শখগুলো কেবল আনন্দ দেয় না, এগুলো দীর্ঘমেয়াদি মানসিক প্রশান্তির উৎস।
বর্তমান মুহূর্তে বাঁচা: ভবিষ্যতের চিন্তায় বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবেন না। মেডিটেশন বা ডায়েরি লেখার মাধ্যমে বর্তমানে মনোযোগী হওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত একটি ছোট ভালো কাজ বা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ আপনার মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা: ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে একে জীবনের পাঠশালা হিসেবে গ্রহণ করুন। নিজের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো চিনুন এবং সেই অনুযায়ী নিজের একটি ‘লাইফ প্ল্যান’ তৈরি করুন।
সততা ও নিজস্বতা: অন্যের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাঁচলে কেবল অতৃপ্তিই বাড়বে। নিজের মূল্যবোধ চিনুন এবং প্রতিদিন নিজের প্রকৃত সত্তার প্রতিফলন ঘটান।
জীবন গড়ার ৬টি মৌলিক অভ্যাস
বড় কোনো রেজল্যুশন না নিয়ে ছোট ছোট অভ্যাসে মনোযোগ দিন। যেকোনো একটি অভ্যাস বেছে নিন এবং ৩০ দিন টানা সেটি পালন করুন। ছোট ছোট জয়ের এই ধারাবাহিকতাই আপনাকে একদিন বড় লক্ষ্যের চূড়ায় পৌঁছে দেবে। গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নিচের ৬টি অভ্যাস বেশি সুফল দেয়।
ব্যায়াম: সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর চেহারার পাশাপাশি ব্যায়াম মেজাজ ভালো রাখে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। শুরুতে খুব কঠিন কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। মূল বিষয় হলো, প্রতিদিন নিয়মিত উপস্থিত থাকা।
রান্না করা: বাইরের খাবারের ওপর নির্ভরশীলতা মানে পুষ্টির বদলে অসুস্থতাকে বেছে নেওয়া। নিজে রান্না করার অভ্যাস মানে আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকা। এটি ওজন কমানো ও দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধের সেরা উপায়।
ধ্যান বা মেডিটেশন: এটি মনোযোগ বৃদ্ধি ও মানসিক চাপ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। দিনে মাত্র ১ মিনিট দিয়ে শুরু করুন। এটি আপনাকে আবেগীয়ভাবে স্থির হতে এবং আত্মসচেতন হতে সাহায্য করবে।
বই পড়া: বই পড়া মানে অন্য কারও মস্তিষ্কে বা অভিজ্ঞতায় বসবাস করা। এটি আপনার জ্ঞান বাড়ায় এবং অন্যের প্রতি সহমর্মিতা তৈরি করে। যা ভালো লাগে তা দিয়েই পড়া শুরু করুন এবং প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করুন।
লেখা: নিজের চিন্তাগুলো গুছিয়ে আনা এবং মনের ভাব প্রকাশের সেরা মাধ্যম হলো লেখা। এটি কেবল যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ায় না; বরং নিজের চিন্তাভাবনাকে পরিষ্কার করে। প্রতিদিন জার্নাল বা ডায়েরি লেখার অভ্যাস শুরু করুন।
সামাজিকতা: মানুষ সামাজিক জীব। একাকিত্ব স্থূলতা বা ধূমপানের মতোই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন অন্তত একজন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা বা নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অভ্যাস আপনার সামাজিক জীবনকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং আপনাকে সুখী রাখবে।
সূত্র: শোবিজ ডেইলি, মার্ক ম্যানশন ডটনেট

জীবনে আমরা প্রায়ই এমন কিছু লক্ষ্য তাড়া করি, যেগুলো আসলে যতটা না জরুরি, তার চেয়ে বেশি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া। অতিমূল্যায়িত বা ওভাররেটেড লক্ষ্য এবং তার পরিবর্তে যা করা উচিত, সে সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে। তা না হলে জীবনে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা সব সময় ভারী থাকবে। কারণ জীবন কোনো প্রতিযোগিতা নয় যে সব সময় প্রথম হতে হবে। বরং জীবন হলো একটি ভ্রমণ, যেখানে ছোট ছোট আনন্দ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন পার্কে হাঁটাহাঁটি করা বা প্রিয়জনের সঙ্গে এক কাপ চা-পান করার মতো স্মৃতি ও ঘটনা জীবনে জরুরি। মেকি সাফল্যের পেছনে না ছুটে নিজের মতো করে বাঁচার সাহস সঞ্চয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব জিনিস বাদ দিতে হবে
অফিসের ইঁদুর দৌড়: করপোরেট সিঁড়ির একদম শীর্ষে ওঠার স্বপ্নে আমরা অনেক সময় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিসর্জন দিই। মনে রাখবেন, উচ্চপদ মানেই উচ্চতর মানসিক চাপ, যা আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে।
মেকি আভিজাত্য: দামি হ্যান্ডব্যাগ, লাক্সারি ঘড়ি বা ব্র্যান্ডের পোশাক দিয়ে নিজেকে জাহির করবেন না। এগুলো আপনার পরিশ্রমের অর্থের সঠিক প্রতিদান দেয় না।
তর্কে জেতার নেশা: আমরা অনেক সময় তুচ্ছ বিষয়েও নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠি। কিন্তু সম্পর্কের বিনিময়ে তর্কে জেতা আসলে একধরনের পরাজয়।
ডিগ্রির মোহ: বড় বড় পদবি থাকলেই জীবন সফল, এমন ধারণা ভুল। শিক্ষা হওয়া উচিত আত্ম-আবিষ্কার ও ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য, কেবল নামের আগে টাইটেল যোগ করার জন্য নয়।
বিষাক্ত কর্মতৎপরতা: সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকাকে আমরা সাফল্যের মাপকাঠি ধরি। কিন্তু বিশ্রামহীন কাজ সৃজনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ায়।
যে লক্ষ্যগুলো জীবনে স্বস্তি দেয়
গভীর ও অর্থবহ সম্পর্ক: আপনার সঙ্গীরাই আপনার পরিচয়। তাই লোকদেখানো সম্পর্কের বদলে গভীর ও সৎ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। যারা আপনার শক্তি কেড়ে নেয়, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন এবং যাদের আপনি শ্রদ্ধা করেন তাদের সঙ্গে সময় কাটান।
ভয় ও ঝুঁকিকে আলিঙ্গন: আরামদায়ক অবস্থার বাইরে বেরোলেই প্রকৃত বৃদ্ধি ঘটে। এমন কিছু করার লক্ষ্য নিন, যা আপনাকে ভয় দেখায়—হতে পারে তা নতুন কোনো দেশ ভ্রমণ বা নতুন কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগ। ঝুঁকি নেওয়াই আপনাকে সাহসী করে তুলবে।
সৃজনশীলতায় ডুব দেওয়া: আমাদের সবার মধ্যেই সৃজনশীল সত্তা আছে। রান্না করা, বাগান করা, লেখালেখি বা ছবি আঁকার মতো শখগুলো কেবল আনন্দ দেয় না, এগুলো দীর্ঘমেয়াদি মানসিক প্রশান্তির উৎস।
বর্তমান মুহূর্তে বাঁচা: ভবিষ্যতের চিন্তায় বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবেন না। মেডিটেশন বা ডায়েরি লেখার মাধ্যমে বর্তমানে মনোযোগী হওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত একটি ছোট ভালো কাজ বা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ আপনার মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা: ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে একে জীবনের পাঠশালা হিসেবে গ্রহণ করুন। নিজের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো চিনুন এবং সেই অনুযায়ী নিজের একটি ‘লাইফ প্ল্যান’ তৈরি করুন।
সততা ও নিজস্বতা: অন্যের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাঁচলে কেবল অতৃপ্তিই বাড়বে। নিজের মূল্যবোধ চিনুন এবং প্রতিদিন নিজের প্রকৃত সত্তার প্রতিফলন ঘটান।
জীবন গড়ার ৬টি মৌলিক অভ্যাস
বড় কোনো রেজল্যুশন না নিয়ে ছোট ছোট অভ্যাসে মনোযোগ দিন। যেকোনো একটি অভ্যাস বেছে নিন এবং ৩০ দিন টানা সেটি পালন করুন। ছোট ছোট জয়ের এই ধারাবাহিকতাই আপনাকে একদিন বড় লক্ষ্যের চূড়ায় পৌঁছে দেবে। গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নিচের ৬টি অভ্যাস বেশি সুফল দেয়।
ব্যায়াম: সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর চেহারার পাশাপাশি ব্যায়াম মেজাজ ভালো রাখে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। শুরুতে খুব কঠিন কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। মূল বিষয় হলো, প্রতিদিন নিয়মিত উপস্থিত থাকা।
রান্না করা: বাইরের খাবারের ওপর নির্ভরশীলতা মানে পুষ্টির বদলে অসুস্থতাকে বেছে নেওয়া। নিজে রান্না করার অভ্যাস মানে আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকা। এটি ওজন কমানো ও দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধের সেরা উপায়।
ধ্যান বা মেডিটেশন: এটি মনোযোগ বৃদ্ধি ও মানসিক চাপ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। দিনে মাত্র ১ মিনিট দিয়ে শুরু করুন। এটি আপনাকে আবেগীয়ভাবে স্থির হতে এবং আত্মসচেতন হতে সাহায্য করবে।
বই পড়া: বই পড়া মানে অন্য কারও মস্তিষ্কে বা অভিজ্ঞতায় বসবাস করা। এটি আপনার জ্ঞান বাড়ায় এবং অন্যের প্রতি সহমর্মিতা তৈরি করে। যা ভালো লাগে তা দিয়েই পড়া শুরু করুন এবং প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করুন।
লেখা: নিজের চিন্তাগুলো গুছিয়ে আনা এবং মনের ভাব প্রকাশের সেরা মাধ্যম হলো লেখা। এটি কেবল যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ায় না; বরং নিজের চিন্তাভাবনাকে পরিষ্কার করে। প্রতিদিন জার্নাল বা ডায়েরি লেখার অভ্যাস শুরু করুন।
সামাজিকতা: মানুষ সামাজিক জীব। একাকিত্ব স্থূলতা বা ধূমপানের মতোই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন অন্তত একজন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা বা নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অভ্যাস আপনার সামাজিক জীবনকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং আপনাকে সুখী রাখবে।
সূত্র: শোবিজ ডেইলি, মার্ক ম্যানশন ডটনেট

শীতের রুক্ষ ও শীতল হাওয়া ত্বকের জন্য যন্ত্রণাদায়ক। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁদের জন্য এ সময়টি বেশি কষ্টের। আর্দ্রতার অভাবে ত্বক নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে, চামড়া উঠে যায় এবং ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যার প্রধান সমাধান হলো ত্বকের সঠিক আর্দ্রতা বজায় রাখা। সে জন্য পর্যাপ্ত পানি পানের পাশাপাশি...
৪ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার মেজাজ খিটখিটে হতে পারে। কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অর্ধাঙ্গিনী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে পরামর্শ করুন, নয়তো বাড়িতে যুদ্ধ বাধতে পারে। আর্থিক যোগ ভালো, কিন্তু টাকাটা নিজের পকেটে রাখাই হবে আসল চ্যালেঞ্জ।
৫ ঘণ্টা আগে
সয়াবিন কেবল উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি শক্তিশালী উৎসই নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এক অনন্য সুপার ফুড। হাজার বছর ধরে এশিয়ান ডায়েটে এর আধিপত্য থাকলেও বর্তমানে এর পুষ্টিগুণ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ওজনে লাগাম টানা থেকে শুরু করে হাড়ের সুরক্ষা, সব ক্ষেত্রেই সয়াবিন সব সমস্যার এক দারুণ সমাধান। ওজন কমানোর...
৬ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
১ দিন আগে