প্রশ্ন: ঈদে সালামি দেওয়ার প্রচলন আছে সমাজে। এ বিষয়ে ইসলাম কী বলে জানতে চাই।
সজল মিয়া, গাজীপুর
উত্তর: ঈদের দিন শিশু-কিশোরের বিশেষ আকর্ষণের বিষয় ঈদি তথা ঈদের সালামি। ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদে সালামি দেওয়ার এ প্রচলনে কোনো আপত্তি বা বাধা-নিষেধ নেই। এর মাধ্যমে ছোটদের প্রতি স্নেহ-মমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বড়দের পক্ষ থেকে পাওয়া সালামি শিশুদের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।
ইসলামে উপহার দেওয়া-নেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য (কাউকে কিছু) দেয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দেওয়া থেকে বিরত থাকে, সে তার ইমান পূর্ণ করল।’ (সুনানে তিরমিজি: ২৫২১)। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘পরস্পর হাদিয়া দাও, তাহলে মহব্বত বৃদ্ধি পাবে।’ (আদাবুল মুফরাদ: ৫৯৪)
তবে ঈদে সালামি দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের লক্ষ রাখা প্রয়োজন, শিশুরা হাতে টাকা পেয়ে আজেবাজে বা গুনাহের কাজে যেন খরচ না করে।
তা ছাড়া সালামি পাওয়ার জন্য ছোটরা মাথা ঝুঁকিয়ে বড়দের পা ছুঁয়ে সালাম করার প্রচলন আছে। এটি উচিত নয়। কেউ এমনটি করলে তাকে নিষেধ করতে হবে।
ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, পা ছুঁয়ে সালাম করা ইসলামি সংস্কৃতি নয়। ইসলামে সালাম বলতে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ বোঝায়। বর্তমান সমাজে প্রচলিত পা ছুঁয়ে সালাম বা কদমবুসি করার সময় যদি মাথা ঝোঁকানো হয়, তাহলে তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই সালামের এ নতুন পদ্ধতি থেকে বিরত থাকা উচিত। (আদ্দুররুল মুখতার: ২ / ২৪৫, রদ্দুল মুহতার: ৬ / ৩৮৩)
উত্তর দিয়েছেন: মুফতি হাসান আরিফ, ইসলামবিষয়ক গবেষক

ইসলামে ইবাদতের প্রতিটি ধাপে রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। অজু করার পরপর যে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয়, তাকে পরিভাষায় ‘তাহিয়্যাতুল অজু’ বলা হয়। এই আমল ছোট হলেও এর ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম।
২০ ঘণ্টা আগে
হজ কোনো সাধারণ সফর নয়, এটি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের এক অনন্য মাধ্যম। এই ইবাদত যেমন শরীরের পরিশ্রমে ঋদ্ধ, তেমনি আত্মার প্রশান্তিতে ধন্য। তবে প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় এই পবিত্র সফর কেবল ভ্রমণে পর্যবসিত হয়। তাই হজে যাওয়ার আগে প্রতিটি হাজিকে কিছু মৌলিক বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়।
২ দিন আগে
এই নশ্বর জীবনে প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কর্মপদ্ধতি ও ব্যস্ততা রয়েছে। কিন্তু একজন মুমিনের জীবনের মূল চালিকাশক্তি হলো পরকালের চিন্তা। দুনিয়াবি ব্যস্ততার পসরা যতই বড় হোক, মুমিন তার ইমান ও আমলের জন্য সময় বের করে নেয়।
২ দিন আগে
খিভা থেকে আমু দরিয়া (প্রাচীন অক্সাস নদী) পার হলেই চোখে পড়ে মাওয়ারাননাহার বা ট্রান্স-অক্সিয়ানার দিগন্ত। এই জনপদেই গড়ে উঠেছে উজবেকিস্তানের দুই গৌরবোজ্জ্বল শহর—সমরকন্দ ও বুখারা। তবে সব ছাপিয়ে বুখারাকে বলা হয় ‘কুব্বাতুল ইসলাম’ বা ইসলামের গম্বুজ; যা শতাব্দীকাল ধরে ঐতিহ্য, পাণ্ডিত্য এবং সুফি ঐতিহ্যের...
২ দিন আগে