জান্নাত কেবল এক কল্পনার জগৎ নয়, বরং পরকালীন জীবনে আল্লাহ তাআলার প্রতিশ্রুত এক বাস্তব পুরস্কার—যা তিনি প্রস্তুত রেখেছেন তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য।
এই জান্নাত কোনো সাধারণ বসতবাড়ি নয়, এটি এমন এক শান্তিময় আবাস—যেখানে নেই দুঃখ-কষ্ট, হিংসা কিংবা মৃত্যু। তবে এই জান্নাতের অধিকারী হবেন কারা? কোরআন ও হাদিসে রয়েছে তার স্পষ্ট বর্ণনা।
আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, আমি তাদের প্রবেশ করাব জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এটি আল্লাহর একটি প্রতিশ্রুতি, আর আল্লাহর চেয়ে অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে?’ (সুরা নিসা: ১২২)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না সে ইমান আনে। এবং তোমরা ইমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাস।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৯৩)
এ থেকেই স্পষ্ট, জান্নাতে প্রবেশের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে সঠিক ইমান, নেক আমল ও আল্লাহভীতি। সেই সঙ্গে রয়েছে কিছু বিশেষ গুণাবলি ও আচরণ, যা জান্নাতের উচ্চ মর্যাদার কারণ হতে পারে। যেমন—
জান্নাতের সর্বোচ্চ নেয়ামত হবে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ—যা জান্নাতবাসীদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান।
অতএব, জান্নাতের বাসিন্দা হতে হলে আমাদের চাই শুদ্ধ ইমান, কল্যাণময় জীবন, এবং আল্লাহর আনুগত্য। দুনিয়ায় আমরা যে জীবনযাপন করছি, সেটাই ঠিক করে দিচ্ছে পরকালের অবস্থান। জান্নাত কোনো অলীক স্বপ্ন নয়—বরং সৎ, মুত্তাকি ও আল্লাহপ্রেমিক বান্দাদের জন্য চিরন্তন শান্তির ঘর।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীর জন্য থাকছে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুবর্ণ সুযোগ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর জন্য রয়েছে যথাক্রমে একটি ডেস্কটপ ও একটি ল্যাপটপ। এ ছাড়া সেরা ১০ বিজয়ীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বিশেষ স্মারক ও পুরস্কার।
১০ ঘণ্টা আগে
বিদায় হজ সেরে মদিনায় ফেরার পর থেকেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র কথা ও আচরণে এক বিদায়ী সুর ফুটে উঠছিল। শরিয়তের পূর্ণতায় বিধান নাজিল হলো, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম।’ (সুরা মায়িদা: ৩)। গভীর প্রজ্ঞাসম্পন্ন সাহাবিগণ মহানবী...
১২ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ধূলির ধরণিতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বরকতময় আগমন থেকে শুরু করে মহান রবের পানে প্রস্থান—সুদীর্ঘ এই পুরো জীবনপরিক্রমায় যে কয়জন ধন্য মানুষ তাঁকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখার ও পরম মায়ায় আগলে রাখার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন, তাঁদের অনন্য উচ্চতায় হজরত উম্মে আইমান (রা.)।
১২ ঘণ্টা আগে
‘দায়েমি’ শব্দের শাব্দিক অর্থ নিরবচ্ছিন্ন, চিরন্তন, সার্বক্ষণিক বা সর্বদা পালনীয়। সাধারণ সামাজিক বা ব্যক্তিগত জীবনে এমন কিছু বিধান রয়েছে, যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে পালন করা আবশ্যক।
১২ ঘণ্টা আগে