ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

গিবত বা পরনিন্দা ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর ও ভয়াবহ কবিরা গুনাহ। এর আভিধানিক অর্থ হলো কারও অনুপস্থিতিতে তার দোষ বা অপছন্দের বিষয় অন্যের সামনে বলা। কোরআনে গিবতকে মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যা চরম ঘৃণিত কাজ।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা একে অপরের দোষ অনুসন্ধান করো না এবং কেউ কারও গিবত করো না।’ (সুরা হুজুরাত: ১২)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘গিবত হলো তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপছন্দ করে। যদি সেটি সত্যি হয়, তবে তা গিবত আর মিথ্যা হলে তা অপবাদ।’ (সহিহ্ মুসলিম)
গিবতকারীদের জন্য কঠিন আজাব নির্ধারিত হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত, মিরাজে নবী (সা.) এমন লোকদের দেখেছেন, যাঁরা তামার নখ দিয়ে নিজেদের মুখ ও বক্ষ বিদ্ধ করছিলেন; ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) জানান, তাঁরা পৃথিবীতে মানুষের গিবত ও চোগলখোরি করতেন। (সুনানে আবু দাউদ)
গিবতের ভয়াবহতা এত বেশি যে, এটি ব্যভিচার থেকেও মারাত্মক। কারণ, ব্যভিচারী তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করেন, কিন্তু গিবতকারীকে ক্ষমা পেতে হলে যার গিবত করা হয়েছে, তার কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হবে। নইলে আল্লাহও ক্ষমা করবেন না। হাদিসে এসেছে, ‘গিবতকারীরা কিয়ামতের দিন জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে এবং তাদের পচা মাংস খেতে দেওয়া হবে।’ (সহিহ্ বুখারি)
তাই গিবত শুধু বলা নয়, শোনা ও সহায়তা করাও সমান অপরাধ। মুসলমানের কর্তব্য হলো, গিবত থেকে বিরত থাকা, অন্যকে নিরুৎসাহিত করা এবং যদি ভুল করে থাকে, তবে যার গিবত করেছে, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। একটি গিবতই মানুষকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করে জাহান্নামের পথে ঠেলে দিতে পারে।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

গিবত বা পরনিন্দা ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর ও ভয়াবহ কবিরা গুনাহ। এর আভিধানিক অর্থ হলো কারও অনুপস্থিতিতে তার দোষ বা অপছন্দের বিষয় অন্যের সামনে বলা। কোরআনে গিবতকে মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যা চরম ঘৃণিত কাজ।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা একে অপরের দোষ অনুসন্ধান করো না এবং কেউ কারও গিবত করো না।’ (সুরা হুজুরাত: ১২)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘গিবত হলো তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপছন্দ করে। যদি সেটি সত্যি হয়, তবে তা গিবত আর মিথ্যা হলে তা অপবাদ।’ (সহিহ্ মুসলিম)
গিবতকারীদের জন্য কঠিন আজাব নির্ধারিত হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত, মিরাজে নবী (সা.) এমন লোকদের দেখেছেন, যাঁরা তামার নখ দিয়ে নিজেদের মুখ ও বক্ষ বিদ্ধ করছিলেন; ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) জানান, তাঁরা পৃথিবীতে মানুষের গিবত ও চোগলখোরি করতেন। (সুনানে আবু দাউদ)
গিবতের ভয়াবহতা এত বেশি যে, এটি ব্যভিচার থেকেও মারাত্মক। কারণ, ব্যভিচারী তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করেন, কিন্তু গিবতকারীকে ক্ষমা পেতে হলে যার গিবত করা হয়েছে, তার কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হবে। নইলে আল্লাহও ক্ষমা করবেন না। হাদিসে এসেছে, ‘গিবতকারীরা কিয়ামতের দিন জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে এবং তাদের পচা মাংস খেতে দেওয়া হবে।’ (সহিহ্ বুখারি)
তাই গিবত শুধু বলা নয়, শোনা ও সহায়তা করাও সমান অপরাধ। মুসলমানের কর্তব্য হলো, গিবত থেকে বিরত থাকা, অন্যকে নিরুৎসাহিত করা এবং যদি ভুল করে থাকে, তবে যার গিবত করেছে, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। একটি গিবতই মানুষকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করে জাহান্নামের পথে ঠেলে দিতে পারে।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১০ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে