জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য পেতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| সেহরি ও তাহাজ্জুদের শেষ সময় | -- | ০৫: ১৯ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২০ মিনিট | ০৬: ৩৬ মিনিট |
| জোহর | ১২: ১৩ মিনিট | ০৪: ১০ মিনিট |
| আসর | ০৪: ১১ মিনিট | ০৫: ৪৭ মিনিট |
| ইফতার ও মাগরিব | ০৫: ৪৮ মিনিট | ০৭: ০৪ মিনিট |
| এশা | ০৭: ০৫ মিনিট | ০৫: ১৯ মিনিট |
ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:
বিয়োগ করতে হবে
যোগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

পবিত্র কোরআনের ১০৩তম সুরা হলো সুরা আসর (سورة العصر)। মাত্র তিনটি আয়াতবিশিষ্ট এই সংক্ষিপ্ত সুরা মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। ইমাম শাফেয়ি (র.)-এর মতে, যদি মানুষ কেবল এই সুরা নিয়ে চিন্তা করত, তবে তাদের ইহকাল ও পরকাল সংশোধনের জন্য এটিই যথেষ্ট হতো।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
১৫ শাবানের রাত (১৪ তারিখের দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখ। কেননা এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, আছে কি কোনো ক্ষমাপ্রার্থী? আমি তাকে ক্ষমা করবো। আছে কি কোনো রিজিক প্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব।
১ দিন আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ রজনী হলো শবে বরাত। প্রতিবছর শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টির দিকে বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। এই রাত নিয়ে মুসলিম সমাজে নানা মত ও বিশ্লেষণ থাকলেও কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে আমাদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো...
২ দিন আগে