
জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য পেতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| সেহরি ও তাহাজ্জুদের শেষ সময় | -- | ০৫: ২০ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২১ মিনিট | ০৬: ৩৭ মিনিট |
| জোহর | ১২: ১৩ মিনিট | ০৪: ১০ মিনিট |
| আসর | ০৪: ১১ মিনিট | ০৫: ৪৭ মিনিট |
| ইফতার ও মাগরিব | ০৫: ৪৮ মিনিট | ০৭: ০৩ মিনিট |
| এশা | ০৭: ০৪ মিনিট | ০৫: ২০ মিনিট |
ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:
বিয়োগ করতে হবে
যোগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে অভাব-অনটন, দারিদ্র্য কিংবা অর্থনৈতিক সংকট আসে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে গেলে আল্লাহ তাআলা একসময় অভাব-অনটন থেকে মুক্তি দেন। এর জন্য প্রয়োজন চেষ্টার পাশাপাশি কিছু আমল এবং আল্লাহর দরবারে দোয়া-মোনাজাত। কোরআন ও হাদিসের আলোকে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি এবং রিজিকে
২০ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
বিপন্ন মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার ফজিলত অনেক। এর বিনিময়ে জান্নাতে অফুরন্ত নিয়ামত অর্জিত হবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বস্ত্রহীনকে কাপড় পরাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবুজ রেশমি কাপড় পরাবেন। যে ব্যক্তি কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন।
২ দিন আগে