স্বপ্ন কখনো কখনো বিশেষ অর্থবহ হয় ৷ তাই দুঃস্বপ্ন দেখলে আমরা ভীষণ ভয় পাই। এ ক্ষেত্রে আমাদের কী করা উচিত সে বিষয়ে হাদিসে বেশ কিছু করণীয়ের কথা আলোচিত হয়েছে। যথা—
এক . বাঁ দিকে তিনবার থুতু ফেলা: রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কেউ যদি এমন কিছু দেখে, যা সে অপছন্দ করে, সে যেন বাঁ দিকে তিনবার থুতু ফেলে এবং শয়তান থেকে আশ্রয় চায়। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোনো ক্ষতি করবে না।’ (বুখারি: ৬৯৯৫)
দুই. আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া: ওপরের হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বাঁ দিকে তিনবার থুতু ফেলার পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার হুকুম দিয়েছেন। (বুখারি: ৬৯৯৫) কোনো কোনো হাদিসে তিনবার আশ্রয় চাওয়ার কথাও উল্লেখ আছে। (ইবনে মাজাহ: ৩৯০৯)
তিন. পাশ পরিবর্তন করে শোয়া: ঘুমের মধ্যে কোনো খারাপ বা ভীতিকর স্বপ্ন দেখলে পাশ পরিবর্তন করে শোয়ার কথা বলেছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ স্বপ্নে অপছন্দনীয় কিছু দেখলে সে যেন তার বাঁ দিকে তিনবার থুতু ফেলে, আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে তিনবার আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং যে পাশে শোয়া ছিল তা পরিবর্তন করে।’ (ইবনে মাজাহ: ৩৯০৯)
চার. ঘুম থেকে জেগে নামাজ আদায়: ঘুমন্ত অবস্থায় কেউ কোনো খারাপ স্বপ্ন দেখলে ঘুম থেকে জেগে নামাজ আদায় করার পরামর্শ দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। (আবু দাউদ: ৫০১৯)
পাঁচ. স্বপ্নের কথা গোপন রাখা: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন খারাপ স্বপ্ন দেখে, সে যেন ঘুমের মধ্যে তার সঙ্গে শয়তানের চক্রান্তের সংবাদ কাউকে না দেয়।’ (মুসলিম: ৫৮১৬)

মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘হারবুল ফুজ্জার’ বা অন্যায় যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে তিনি ব্যথিত হন। সংঘাত বন্ধ, দুর্বল ও এতিমদের সাহায্য এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মক্কার যুবকদের সংগঠিত করে গড়ে তোলেন ইতিহাসের প্রথম শান্তি সংঘ...
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২০ ঘণ্টা আগে
ঘুমানোর পর মানুষ নানাবিধ স্বপ্ন দেখে থাকে। তবে স্বপ্নে নিজেকে নতুন বর বা কনের সাজে দেখলে কিংবা নিজের বিয়ে হতে দেখলে মনে নানা কৌতূহল ও নানা প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বপ্নে নিজের বিয়ে দেখলে এর ব্যাখ্যা বা তাবির কী হতে পারে?
১ দিন আগে
ভুল করা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। জীবন চলার পথে ছোট-বড় ভুল সবারই হয়। কিন্তু সেই ভুলকে কীভাবে সংশোধন করতে হবে, তা মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ হজরত মুহাম্মদ (সা.) শিখিয়ে গেছেন। তিনি ভুলকে লজ্জা বা অপমানের কারণ হিসেবে দেখেননি, বরং এটিকে ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
২ দিন আগে