বৃষ্টি মহান আল্লাহ তাআলার অনেক বড় নিয়ামত। পবিত্র কোরআনে বারবার তিনি বৃষ্টির মাধ্যমে তাঁর অপার দানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এক আয়াতে বলেছেন, ‘আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণের মাধ্যমে মৃতপ্রায় ধরিত্রীকে পুনরুজ্জীবিত করেন; তাতে যাবতীয় জীবজন্তুর বিস্তার ঘটান; তাতে, বায়ুর দিক পরিবর্তনে এবং আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত মেঘমালায় জ্ঞানবান জাতির জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ১৬৪)
বৃষ্টির মাধ্যমেই পৃথিবী প্রাণের স্পন্দনে জেগে ওঠে। উৎপাদিত হয় নানা স্বাদ ও রঙের ফলমূল, শাকসবজি ও খাদ্য, যা খেয়ে মানুষ ও প্রাণিজগৎ জীবনধারণ করে। এরশাদ হয়েছে, ‘আর তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, তা দিয়ে তোমাদের জীবিকাস্বরূপ ফলমূল উৎপাদন করেন।’ (সুরা বাকারা: ২২)
মানুষের ব্যবহারের জন্য বৃষ্টির পানি নদী-সমুদ্র ও ভূগর্ভে সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করেছেন আল্লাহ তাআলা। এরশাদ হয়েছে, ‘আমি আকাশ থেকে পরিমিতভাবে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তারপর তা ভূমিতে সংরক্ষণ করি। নিশ্চিত জেনো, আমি তা অপসারণ করতেও সক্ষম।’ (সুরা মুমিনুন: ১৮)
তবে বৃষ্টি যেমন রহমতের, আবার কখনো আজাবেরও হতে পারে। এ কারণে রাসুল (সা.) বৃষ্টি দেখলেই মহান আল্লাহর দরবারে উপকারী বৃষ্টির জন্য দোয়া করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন বৃষ্টি হতো, তখন রাসুল (সা.) বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা সয়্যিবান নাফিআহ।’ অর্থাৎ, ‘হে আল্লাহ, এ বৃষ্টিকে প্রবহমান এবং উপকারী করে দিন।’ (নাসায়ি: ১৫২৩)
সীমালঙ্ঘনকারী অনেক জাতিকে আল্লাহ তাআলা অতিবৃষ্টি দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘আমি তাদের ওপর পাথরের বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। অতএব চেয়ে দেখো, অপরাধীদের কী পরিণাম হয়ে থাকে।’ (সুরা আরাফ: ৮৪)

আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং দুনিয়ার জীবনে সঠিকভাবে চলার জন্য কিছু বিধান ও নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এসব বিধান পালন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য; কারণ এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষিত হয় এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আজীবন এক আপসহীন ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা কিংবা যুদ্ধক্ষেত্র—যেকোনো চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি ও শত্রুভাবাপন্ন পরিবেশেও তিনি কখনো নিজের স্থান থেকে তিল পরিমাণ বিচ্যুত হননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, ইমানি চেতনা ও সামাজিক সংহতির প্রতীক। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান মসজিদে সমবেত হয়ে এ দিন আল্লাহর ইবাদত করেন। কিন্তু এই ইবাদতের সূচনা কীভাবে হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে নবুওয়াতের শুরুর যুগে।
১৩ ঘণ্টা আগে
তথ্যপ্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ ও গতিশীল করেছে। বর্তমানে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদানের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা ই-মেইল। দূর-দূরান্তে থাকা স্বজন বা পরিচিতজনদের সঙ্গে মুহূর্তেই মেসেজ বা ভয়েস পাঠাতে এই অ্যাপসগুলোর জুড়ি নেই।
১৪ ঘণ্টা আগে