সফর বা ভ্রমণের সময়ে নামাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ইসলাম। কোনো ব্যক্তি নিজের আবাসস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরের কোনো গন্তব্যে ভ্রমণের নিয়তে বের হয়ে তাঁর এলাকা পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে তিনি মুসাফির হয়ে যান। (জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪৩৬) মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত পড়বেন। এই সংক্ষেপকরণে আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণ রয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যখন পৃথিবীতে ভ্রমণ করবে, তখন তোমাদের জন্য নামাজ সংক্ষিপ্ত করায় কোনো আপত্তি নেই।’ (সুরা নিসা: ১০)
মুসাফির একাকী বা অন্য একজন মুসাফির ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত পড়বেন। এ ক্ষেত্রে পূর্ণ নামাজ পড়া ঠিক নয়। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর মুখে নামাজকে স্বাভাবিক অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত ফরজ করেছেন।’ (মুসলিম: ৬৮৭)
মুসাফির ব্যক্তি স্থানীয় ইমামের পেছনে ইকতিদা করলে সে ইমামের অনুসরণে পূর্ণ নামাজই আদায় করবেন। (আল মাবসুত, সারাখসি: ১/২৪৩)। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘মুসাফির যদি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নামাজে শরিক হয়, তবে সে যেন তাদের মতো (চার রাকাত) নামাজ পড়ে।’ (ইবনে আবি শাইবা: ৩৮৪৯)
মুসাফির ব্যক্তির জন্য চলন্ত অবস্থায় বা তাড়াহুড়ো থাকলে ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্যান্য সুন্নতে মুয়াক্কাদা না পড়ার সুযোগ রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ও স্থির অবস্থায় সুন্নতে মুয়াক্কাদা পড়তে হবে। (ইলাউস সুনান: ৭/১৯১)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনে সুরা রাহমানে আল্লাহ তাআলা বারবার প্রশ্ন করেছেন, ‘অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?’ জুমার দিনটি মূলত সেই নিয়ামত ও বরকতের এক বিশেষ ভান্ডার। দিনটির প্রতিটি ক্ষণে সাজানো রয়েছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের হাতছানি।
২০ ঘণ্টা আগে
মানুষকে আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে। জ্ঞান, বিবেক ও নৈতিকতার মাধ্যমে মানুষ এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেও তা টিকিয়ে রাখার একমাত্র শর্ত হলো বিনয়। অহংকার ও ক্ষমতার দম্ভ এমন এক মারাত্মক আত্মিক ব্যাধি, যা মানুষের ইমান, চরিত্র এবং মানবিকতাকে কুরে কুরে খায়।
২১ ঘণ্টা আগে
মসজিদের মিম্বর, মিহরাব এবং দেশজুড়ে আয়োজিত ওয়াজ-মাহফিলগুলো মুসলমানদের দ্বীন, ইমান ও আমল সংশোধনের অন্যতম উৎস। এখান থেকেই প্রতিনিয়ত উচ্চারিত হয় তাওহিদের কালিমা। সমাজ গঠনে এবং মানুষের নৈতিক চরিত্র শুদ্ধিকরণে এই প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।
২১ ঘণ্টা আগে