বিয়ে নবীদের সুন্নত। বৈধ উপায়ে জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানুষের বংশপরম্পরা বজায় রাখতে বিয়ের বিকল্প নেই। প্রাপ্তবয়স্ক ও বিয়ের উপযুক্ত সন্তানদের বিয়ের ব্যবস্থা করা অভিভাবকদের কর্তব্য। আমাদের সমাজে বিয়ে করা দিনদিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বিয়ে সহজ হওয়ার জন্য হাদিসে কিছু আমল করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এখানে তা তুলে ধরা হলো:
এক. পবিত্র জীবনযাপনের জন্য বিয়ের ইচ্ছে পোষণ করা উচিত। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা তিন ধরনের মানুষকে সাহায্য করা নিজের কর্তব্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।… তৃতীয়জন হলো বিয়েতে আগ্রহী ব্যক্তি—যে বিয়ের মাধ্যমে পবিত্র জীবনযাপন করতে চায়।’ (তিরমিজি: ১৬৫৫)
দুই. বিয়ের আগে গুনাহ থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত। কারণ রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে এমন কোনো ব্যক্তি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, যার চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট, তার সঙ্গে (তোমাদের মেয়েদের) বিয়ে দাও।…’ (ইবনে মাজাহ: ১৯৬৭)
তিন. সমকক্ষ পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বার্থে উত্তম নারী গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবেচনায় বিয়ে করো, আর বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো।’ (ইবনে মাজাহ: ১৯৬৮)
চার. বিয়ে সহজ হওয়ার জন্য বেশি বেশি সালাতুল হাজত নামাজ পড়ে দোয়া করা উচিত। বিশেষ করে কোরআনে বর্ণিত দোয়া—রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আইউন, ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা’ পাঠ করা উচিত। দোয়ার অর্থ হলো—‘হে আমাদের রব, আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন, যারা আমাদের চোখ শীতলকারী হবে এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরুদের জন্য আদর্শ করুন।’ (সুরা ফুরকান: ৭৪)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২৬ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১ দিন আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
২ দিন আগে