হেদায়াতুল্লাহ বিন হাবিব, ঢাকা

একমাত্র ইবাদতের জন্যই আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তবে সেই ইবাদতের আছে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি। নিয়ম মেনেই আমাদের ইবাদত করতে হবে। নিজের মনমতো কিছু করলেই তা ইবাদত হবে না, বরং কিছু ক্ষেত্রে গুনাহের আশঙ্কা থাকে। যেকোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো নিয়ত। অর্থাৎ, বিশুদ্ধ নিয়তে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে ইবাদত করা। অন্য কাউকে খুশি করা বা লোকদেখানো ইবাদত না করা।
এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তাদের শুধু একনিষ্ঠভাবে বিশুদ্ধ চিত্তে আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ (সুরা বাইয়িনা: ৫)। অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে নবী, আপনি বলে দিন, তোমাদের অন্তরের বিষয় গোপন করো বা প্রকাশ করো—আল্লাহ সবকিছু জানেন।’ (সুরা আলে ইমরান: ২৯)। এই আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যায়, কার মনে কী আছে, কে কোন নিয়তে ইবাদত করছেন, আল্লাহ সব জানেন। সে অনুযায়ী তিনি বান্দাকে প্রতিদান দেবেন। বান্দার নিয়ত শুদ্ধ হলে সওয়াব দেবেন, জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; আর নিয়ত খারাপ হলে ইবাদত বিফলে যাবে।
নিয়ত নিয়ে হাদিসে চমৎকার একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। নিয়তের বিষয়টা তাতে সুন্দরভাবে বোঝা যায়। হজরত মান ইবনে ইয়াজিদ (রা.) বলেন, ‘আমার বাবা ইয়াজিদ একবার কিছু দিনার নিয়ে মসজিদে এক ব্যক্তির কাছে দিয়ে এলেন, যেন তিনি তা সদকা করে দেন। তখন আমি গিয়ে তাঁর থেকে তা (সদকা হিসেবে) নিয়ে বাসায় চলে এলাম। আমার বাবা দেখে বললেন, ‘‘আল্লাহর কসম, আমি তো তোমাকে দেওয়ার ইচ্ছা করিনি।’’ আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বিষয়টির সমাধান করে দেওয়ার আবেদন করলাম। তিনি আমার বাবাকে বললেন, ‘‘ইয়াজিদ, তুমি যা নিয়ত করেছ, তার সওয়াব পেয়ে গেছ।’’ আর আমাকে বললেন, ‘‘তুমি যে দিনার নিয়েছ, সেটা তোমারই থেকে যাবে।’’’ (সহিহ্ বুখারি: ১৪২২)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

একমাত্র ইবাদতের জন্যই আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তবে সেই ইবাদতের আছে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি। নিয়ম মেনেই আমাদের ইবাদত করতে হবে। নিজের মনমতো কিছু করলেই তা ইবাদত হবে না, বরং কিছু ক্ষেত্রে গুনাহের আশঙ্কা থাকে। যেকোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো নিয়ত। অর্থাৎ, বিশুদ্ধ নিয়তে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে ইবাদত করা। অন্য কাউকে খুশি করা বা লোকদেখানো ইবাদত না করা।
এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তাদের শুধু একনিষ্ঠভাবে বিশুদ্ধ চিত্তে আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ (সুরা বাইয়িনা: ৫)। অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে নবী, আপনি বলে দিন, তোমাদের অন্তরের বিষয় গোপন করো বা প্রকাশ করো—আল্লাহ সবকিছু জানেন।’ (সুরা আলে ইমরান: ২৯)। এই আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যায়, কার মনে কী আছে, কে কোন নিয়তে ইবাদত করছেন, আল্লাহ সব জানেন। সে অনুযায়ী তিনি বান্দাকে প্রতিদান দেবেন। বান্দার নিয়ত শুদ্ধ হলে সওয়াব দেবেন, জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; আর নিয়ত খারাপ হলে ইবাদত বিফলে যাবে।
নিয়ত নিয়ে হাদিসে চমৎকার একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। নিয়তের বিষয়টা তাতে সুন্দরভাবে বোঝা যায়। হজরত মান ইবনে ইয়াজিদ (রা.) বলেন, ‘আমার বাবা ইয়াজিদ একবার কিছু দিনার নিয়ে মসজিদে এক ব্যক্তির কাছে দিয়ে এলেন, যেন তিনি তা সদকা করে দেন। তখন আমি গিয়ে তাঁর থেকে তা (সদকা হিসেবে) নিয়ে বাসায় চলে এলাম। আমার বাবা দেখে বললেন, ‘‘আল্লাহর কসম, আমি তো তোমাকে দেওয়ার ইচ্ছা করিনি।’’ আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বিষয়টির সমাধান করে দেওয়ার আবেদন করলাম। তিনি আমার বাবাকে বললেন, ‘‘ইয়াজিদ, তুমি যা নিয়ত করেছ, তার সওয়াব পেয়ে গেছ।’’ আর আমাকে বললেন, ‘‘তুমি যে দিনার নিয়েছ, সেটা তোমারই থেকে যাবে।’’’ (সহিহ্ বুখারি: ১৪২২)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের অধীনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড়। সকালে ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দানে। দোয়ায় অংশ নেন প্রায় ৭২টি দেশ থেকে ২ হাজার ৫০০ বিদেশি মেহমান ও বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ...
৬ ঘণ্টা আগে
অজু দৈনন্দিন জীবনে একাধিকবার ফিরে আসা এক পবিত্র চর্চা। যাঁরা অজুকে গুরুত্ব দেন, নিয়মিত অজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তির প্রতিশ্রুতি। অজু নামাজের পূর্বশর্ত। এটি শুধু শরীর ধোয়ার একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং আত্মিক ও শারীরিক পবিত্রতার সম্মিলিত একটি প্রতীক।
১৪ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
কবর জিয়ারত করা প্রিয় নবী (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। এটি মানুষকে দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করতে এবং পরকালের কথা স্মরণ করতে সাহায্য করে। ইসলামের প্রথম যুগে শিরক বা মূর্তিপূজার আশঙ্কায় কবর জিয়ারত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
২ দিন আগে