ইসলামে নিয়মিত ও ধারাবাহিক আমলের গুরুত্ব অপরিসীম। হুটহাট অতিরিক্ত আমল করে পরে তা ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে অল্প হলেও নিয়মিতভাবে আমল করাই উত্তম। কারণ, এতে আমলের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, যা আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।
এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যথাসাধ্য আমল করো। কেননা, সেই আমলই উত্তম, যা নিয়মিত করা যায়, তা পরিমাণে কম হলেও।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২৪০)
অসুস্থতা বা সফরেও আমলের সওয়াব
নিয়মিত আমলের সবচেয়ে বড় ফায়দা হলো, আপনি যদি কখনো অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে সেই আমল করতে না পারেন, তবু আল্লাহ আপনাকে সুস্থ অবস্থায় কৃত আমলের মতোই সওয়াব দান করবেন। এটি আল্লাহর বান্দার প্রতি এক বিশেষ দয়া ও অনুগ্রহ।
হজরত আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো বান্দা নেক কাজ করলে এবং পরে রোগ বা সফর তাকে সেই কাজ থেকে বিরত রাখলে তার আমলনামায় সুস্থ ও আবাসে অবস্থানকালে তার কৃত সৎ আমলের ন্যায় সওয়াব লেখা হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৩০৯১)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ তাঁর বান্দাকে কতটা ভালোবাসেন। যখন কোনো মুমিন দৈনন্দিন নেক আমল নিয়মিত করতে থাকে, তখন আল্লাহ তার সেই আমলের মূল্য দেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতেই তার আমলনামায় তা লিখে রাখেন। এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশাল সুসংবাদ।
এটি প্রমাণ করে যে, ছোট ছোট ভালো কাজও যদি নিয়মিত করা যায়, তা আমাদের পরকালীন জীবনে এক বড় পুঁজি হয়ে উঠতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নিয়মিত নেক আমল করার তৌফিক দান করুন।

ইসলাম ধর্মের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মুসলিম নারী ও পুরুষের ওপর দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ বা অবশ্যপালনীয়। কোনো ব্যক্তির ওপর নামাজ ফরজ হওয়ার জন্য প্রধানত তিনটি শর্ত একসঙ্গে পূর্ণ হতে হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে
কওমি মাদ্রাসা নিয়ে অভিযোগ গ্রহণ, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, ফ্যাক্ট-চেক এবং তদারকি কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে একটি কেন্দ্রীয় ‘কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য বিশেষ হটলাইন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’।
১ দিন আগে
আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম একটি হলো, তিনি মুসলিম উম্মাহকে তাঁর প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠের মহান আমল দান করেছেন। এ আমল রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতাগণ
১ দিন আগে