পৃথিবীর ইতিহাসে জালিম শাসকের সংখ্যা অগুনতি। কিন্তু একসময় ভয়ংকরভাবে তাদের পতন হয়। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্তই হলো জালিমের পতন। অত্যাচারের অবসানেই উদিত হয় ইনসাফের সোনালি প্রভাত। ফেরাউনের অত্যাচারের শাসনের অবসান হলে এক ন্যায়পরায়ণ শাসকের আবির্ভাব হয়েছিল। তাই তো ফেরাউনের ধ্বংসের খবরের সঙ্গে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সুসংবাদও এসেছে পবিত্র কোরআনে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে কোরআন এক চিরন্তন বিধানের সংবাদ দেয়। ইরশাদ হয়েছে, পৃথিবীটা যেন জাঁকজমক ও শক্তি-প্রতিপত্তি দেখার কেন্দ্রস্থল এবং সে সঙ্গে দুর্বলদের নিধনের যজ্ঞশালা। শক্তিশালী জাতিগুলো দুর্বল জাতিগুলোকে দাস বানিয়ে রাখে, ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের বিভিন্ন দল ও শ্রেণিতে ভাগ করে রেখে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হতে দেয় না। কারণ, তারা সংহত হয়ে গেলে আর দুর্বল থাকবে না। ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবে এবং জালিমের তখ্ত উল্টে ফেলবে।
আবার এমনও হয়, যখন অত্যাচার ও অহংকার সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন পৃথিবীটা শক্তিশালীদের হাত থেকে ছিনিয়ে দুর্বলদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তখন যে মাটিতে দুর্বলকে বলিদান করা হতো, সেখানে সবলদের নিধনস্থান গড়ে ওঠে। সেদিন ছোটকে বড় এবং বড়কে ছোট করে দেওয়া হয়। যারা দুর্বল, অসহায়, যারা শুধু কান্না, হাহাকার, মাতম ও গড়াগড়ি খাওয়ার লোক, তারাই আল্লাহর অনুগ্রহে ধন্য হয়।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলো—হে আল্লাহ, সার্বভৌম শক্তির মালিক, আপনি যাকে চান ক্ষমতা দান করেন, আর যার থেকে চান ক্ষমতা কেড়ে নেন। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন এবং যাকে চান লাঞ্ছিত করেন। সমস্ত কল্যাণ আপনারই হাতে। নিশ্চয়ই আপনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। (সুরা আল ইমরান: ২৬)
আল্লাহ তা’আলা রাজত্ব দিয়ে কাউকে সম্মানিত করেন, কাউকে করেন পরীক্ষা। যারা ন্যায় ও ইনসাফের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করে, এটি তাদের জন্য সম্মানের। আর যারা ক্ষমতাকে নিজের অর্জন মনে করে স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে, ইতিহাসে রয়েছে তাদের জন্য পরম শিক্ষা।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীর জন্য থাকছে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুবর্ণ সুযোগ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর জন্য রয়েছে যথাক্রমে একটি ডেস্কটপ ও একটি ল্যাপটপ। এ ছাড়া সেরা ১০ বিজয়ীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বিশেষ স্মারক ও পুরস্কার।
৯ ঘণ্টা আগে
বিদায় হজ সেরে মদিনায় ফেরার পর থেকেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র কথা ও আচরণে এক বিদায়ী সুর ফুটে উঠছিল। শরিয়তের পূর্ণতায় বিধান নাজিল হলো, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম।’ (সুরা মায়িদা: ৩)। গভীর প্রজ্ঞাসম্পন্ন সাহাবিগণ মহানবী...
১১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ধূলির ধরণিতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বরকতময় আগমন থেকে শুরু করে মহান রবের পানে প্রস্থান—সুদীর্ঘ এই পুরো জীবনপরিক্রমায় যে কয়জন ধন্য মানুষ তাঁকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখার ও পরম মায়ায় আগলে রাখার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন, তাঁদের অনন্য উচ্চতায় হজরত উম্মে আইমান (রা.)।
১১ ঘণ্টা আগে
‘দায়েমি’ শব্দের শাব্দিক অর্থ নিরবচ্ছিন্ন, চিরন্তন, সার্বক্ষণিক বা সর্বদা পালনীয়। সাধারণ সামাজিক বা ব্যক্তিগত জীবনে এমন কিছু বিধান রয়েছে, যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে পালন করা আবশ্যক।
১১ ঘণ্টা আগে