পৃথিবীতে অসংখ্য মহাপুরুষ এসেছেন, কিন্তু কারও চরিত্রই এত নিখুঁতভাবে ইতিহাসে খোদাই হয়নি, যতটা হয়েছে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর। তাঁর চরিত্রের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল সততা ও সত্যবাদিতা।
আরবের মরুভূমিতে যেখানে মিথ্যা, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা ছিল নিত্যদিনের ব্যাপার; সেখানে একজন মানুষ সারা জীবন সত্যভাষী ও বিশ্বস্ত থেকে পরিচিত হয়েছেন—আল-আমিন, অর্থাৎ ‘অত্যন্ত বিশ্বস্ত।’
রাসুলুল্লাহ (সা.) নবুওয়াতের আগে থেকেই সততার অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেন। ব্যবসা ও লেনদেনে তিনি কখনো প্রতারণা করেননি। তাঁর কাছে যত সম্পদ ও আমানত রাখা হতো, তিনি সব নিখুঁতভাবে ফিরিয়ে দিতেন। এমনকি মক্কার মানুষ তাঁর বিরোধী হলেও আমানত রাখার জন্য প্রথমে তাঁর কাছেই ছুটে যেতেন। কারণ, তাঁকে ছাড়া যে আর কাউকে তাঁরা বিশ্বাস করতে পারতেন না।
নবুওয়াতের পর সততার এ শিক্ষাকেই তিনি দাওয়াতের মূল অংশ বানান। তিনি বললেন, ‘সততা মানুষকে সৎকর্মের দিকে নিয়ে যায় আর সৎকর্ম জান্নাতে নিয়ে যায়।’ অন্যদিকে মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায় আর পাপ জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যায়।
আজকের সমাজে চারদিকে দুর্নীতি, অসততা, মিথ্যা ও প্রতারণা বেড়ে চলেছে। রাজনীতি থেকে ব্যবসা—প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্যের ঘাটতি স্পষ্ট। অথচ যদি নবীজির সততা আমরা অনুসরণ করতে পারতাম, তাহলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হতো, মানুষের আস্থা ফিরত এবং আধ্যাত্মিক শান্তি আসত।
লেখক: জাহিদ বিন জোবায়ের, শিক্ষার্থী, ইসলামি আইন বিভাগ, জামিয়া শারইয়্যা মালিবাগ ঢাকা

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ গ্রহণ করছে। তাদের সম্পূর্ণ সিলেবাস প্রণয়ন করেছে ইতমিনান বোর্ড বাংলাদেশ।
২২ মিনিট আগে
ইসলাম ধর্মের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে প্রতিটি মুসলিম নারী ও পুরুষের ওপর দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ বা অবশ্যপালনীয়। কোনো ব্যক্তির ওপর নামাজ ফরজ হওয়ার জন্য প্রধানত তিনটি শর্ত একসঙ্গে পূর্ণ হতে হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
কওমি মাদ্রাসা নিয়ে অভিযোগ গ্রহণ, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, ফ্যাক্ট-চেক এবং তদারকি কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে একটি কেন্দ্রীয় ‘কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য বিশেষ হটলাইন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’।
১ দিন আগে