
ব্রেক্সিট হয়ে যাওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অন্য দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফিরিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিল যুক্তরাজ্য। কিন্তু গত বছর দেশটিতে ছোট ছোট নৌকায় চড়ে ফ্রান্স থেকে ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী এলেও তাদের মধ্যে মাত্র দুজনকে উল্টোদিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে নতুন অভিবাসনবিধি প্রবর্তন করেছিল যুক্তরাজ্যর সরকার। এই বিধিমতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারত এমন কোনো নিরাপদ তৃতীয় দেশের মধ্য দিয়ে যদি যুক্তরাজ্যে এসে পৌঁছায়, তবে তাদের ‘অগ্রহণযোগ্য’ ঘোষণা করতে হবে।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত নদী পার হয়ে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বিধিটি দুজন ছাড়া কারও ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হয়নি।
এ ছাড়া যখন থেকে পরিকল্পনাটি চালু হয়েছিল, তখন থেকে মাত্র ৮৩ জন আশ্রয়প্রার্থীকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ নীতির আওতায় আনা হয়েছে এবং ২৩ জনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে ৯৩ হাজার ৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্রান্সের উত্তর উপকূল হয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছালেও এবং ফ্রান্সসহ অন্য দেশগুলো নিরাপদ হওয়া সত্ত্বেও নীতিটি প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্য দেশগুলোর সহযোগিতা ছাড়া এই নীতির বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। চলতি মাসের শুরুর দিকেই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অভিবাসননীতি-সংক্রান্ত ব্রেক্সিটের আগের ‘ডাবলিন-৩ রেগুলেশন’ প্রতিস্থাপন করতে আলোচনায় অপারগতা প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান কমিশন। ডাবলিন রেগুলেশন অনুযায়ী, কোনো শরণার্থী আশ্রয়ের আবেদন করলে সেই আবেদন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত যেকোনো একটি দেশ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এ ক্ষেত্রে আশ্রয়প্রার্থী নির্দিষ্ট কোনো দেশকে বেছে নিতে পারবে না।
ফিরিয়ে না দিতে পারার ব্যর্থতায় যুক্তরাজ্যে বর্তমানে রেকর্ড পৌনে ২ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।

ব্রেক্সিট হয়ে যাওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অন্য দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফিরিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিল যুক্তরাজ্য। কিন্তু গত বছর দেশটিতে ছোট ছোট নৌকায় চড়ে ফ্রান্স থেকে ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী এলেও তাদের মধ্যে মাত্র দুজনকে উল্টোদিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে নতুন অভিবাসনবিধি প্রবর্তন করেছিল যুক্তরাজ্যর সরকার। এই বিধিমতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারত এমন কোনো নিরাপদ তৃতীয় দেশের মধ্য দিয়ে যদি যুক্তরাজ্যে এসে পৌঁছায়, তবে তাদের ‘অগ্রহণযোগ্য’ ঘোষণা করতে হবে।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত নদী পার হয়ে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বিধিটি দুজন ছাড়া কারও ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হয়নি।
এ ছাড়া যখন থেকে পরিকল্পনাটি চালু হয়েছিল, তখন থেকে মাত্র ৮৩ জন আশ্রয়প্রার্থীকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ নীতির আওতায় আনা হয়েছে এবং ২৩ জনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে ৯৩ হাজার ৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্রান্সের উত্তর উপকূল হয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছালেও এবং ফ্রান্সসহ অন্য দেশগুলো নিরাপদ হওয়া সত্ত্বেও নীতিটি প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্য দেশগুলোর সহযোগিতা ছাড়া এই নীতির বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। চলতি মাসের শুরুর দিকেই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অভিবাসননীতি-সংক্রান্ত ব্রেক্সিটের আগের ‘ডাবলিন-৩ রেগুলেশন’ প্রতিস্থাপন করতে আলোচনায় অপারগতা প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান কমিশন। ডাবলিন রেগুলেশন অনুযায়ী, কোনো শরণার্থী আশ্রয়ের আবেদন করলে সেই আবেদন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত যেকোনো একটি দেশ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এ ক্ষেত্রে আশ্রয়প্রার্থী নির্দিষ্ট কোনো দেশকে বেছে নিতে পারবে না।
ফিরিয়ে না দিতে পারার ব্যর্থতায় যুক্তরাজ্যে বর্তমানে রেকর্ড পৌনে ২ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
২৪ মিনিট আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে