আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ বোয়াকাইয়ের ইংরেজি ভাষায় সাবলীল বক্তব্যে বেশ মুগ্ধ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক কূটনৈতিক বৈঠকে আফ্রিকার পাঁচটি দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো গ্যাবন, গিনি বিসাউ, লাইবেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও সেনেগাল।
বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক এবং আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন।
লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোয়াকাই তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু। আপনার ‘‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ নীতিকে আমরা সমর্থন করি। আমাদের দেশে প্রচুর খনিজসম্পদ রয়েছে এবং আমরা শান্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বোয়াকাই আরও জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের লাইবেরিয়ায় বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে চান।
তাঁর বক্তব্য শেষ হতেই ট্রাম্প বলেন, ‘খুব সুন্দর ইংরেজি বললেন আপনি। কোথায় শিখেছেন?’ জবাবে বোয়াকাই জানান, তিনি লাইবেরিয়াতেই শিক্ষালাভ করেছেন। এতে ট্রাম্প কিছুটা বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘লাইবেরিয়ায়? এটা তো দারুণ! অনেকেই এত সুন্দরভাবে বলতে পারে না।’
উল্লেখ্য, ইংরেজিই লাইবেরিয়ার সরকারি ভাষা। ১৮২২ সালে আমেরিকা থেকে মুক্ত হওয়া দাসদের উপনিবেশ হিসেবেই দেশটির প্রতিষ্ঠা।
বৈঠকে কঙ্গো ও রুয়ান্ডার মধ্যকার শান্তি আলোচনায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেন গ্যাবনের প্রেসিডেন্ট ওলিগি এনগুয়েমা। আর সেনেগালের প্রেসিডেন্ট বাসিরু ফায়ে ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানান দেশটিতে একটি গলফ কোর্স গড়ে তোলার জন্য।
৪৪ বছর বয়সী ফায়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সেনেগালের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রেসিডেন্ট হন। তিনি একসময় রাজনৈতিক বন্দী ছিলেন। ট্রাম্প তাঁর জীবনসংগ্রামের প্রশংসা করে বলেন, ‘আপনি দুর্দান্তভাবে প্রতিকূলতা জয় করেছেন। অভিনন্দন।’

লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ বোয়াকাইয়ের ইংরেজি ভাষায় সাবলীল বক্তব্যে বেশ মুগ্ধ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক কূটনৈতিক বৈঠকে আফ্রিকার পাঁচটি দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো গ্যাবন, গিনি বিসাউ, লাইবেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও সেনেগাল।
বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক এবং আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন।
লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোয়াকাই তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু। আপনার ‘‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ নীতিকে আমরা সমর্থন করি। আমাদের দেশে প্রচুর খনিজসম্পদ রয়েছে এবং আমরা শান্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বোয়াকাই আরও জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের লাইবেরিয়ায় বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে চান।
তাঁর বক্তব্য শেষ হতেই ট্রাম্প বলেন, ‘খুব সুন্দর ইংরেজি বললেন আপনি। কোথায় শিখেছেন?’ জবাবে বোয়াকাই জানান, তিনি লাইবেরিয়াতেই শিক্ষালাভ করেছেন। এতে ট্রাম্প কিছুটা বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘লাইবেরিয়ায়? এটা তো দারুণ! অনেকেই এত সুন্দরভাবে বলতে পারে না।’
উল্লেখ্য, ইংরেজিই লাইবেরিয়ার সরকারি ভাষা। ১৮২২ সালে আমেরিকা থেকে মুক্ত হওয়া দাসদের উপনিবেশ হিসেবেই দেশটির প্রতিষ্ঠা।
বৈঠকে কঙ্গো ও রুয়ান্ডার মধ্যকার শান্তি আলোচনায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেন গ্যাবনের প্রেসিডেন্ট ওলিগি এনগুয়েমা। আর সেনেগালের প্রেসিডেন্ট বাসিরু ফায়ে ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানান দেশটিতে একটি গলফ কোর্স গড়ে তোলার জন্য।
৪৪ বছর বয়সী ফায়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সেনেগালের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রেসিডেন্ট হন। তিনি একসময় রাজনৈতিক বন্দী ছিলেন। ট্রাম্প তাঁর জীবনসংগ্রামের প্রশংসা করে বলেন, ‘আপনি দুর্দান্তভাবে প্রতিকূলতা জয় করেছেন। অভিনন্দন।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
১ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে