
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার পর দেশটি বর্তমানে কে পরিচালনা করছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (৪ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
এর এক দিন আগে, শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মাদুরো আটক হওয়ার পর আপাতত ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রই চালাবে। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।
রোববারের সাক্ষাৎকারে মার্কো রুবিওর কাছে উপস্থাপক সরাসরি জানতে চান, মাদুরো গ্রেপ্তারের পর ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রক্ষমতা কার হাতে? এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো জবাব দেননি রুবিও। তিনি বলেন, ‘অনেকে এই প্রশ্নে আটকে আছেন। কিন্তু আসল বিষয় হলো, আমরা ভেনেজুয়েলায় পরিবর্তন দেখতে চাই। স্বল্প মেয়াদে ও দীর্ঘ মেয়াদে নানা ধরনের পরিবর্তন আসবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে রাজধানী কারাকাসে এক ‘সামরিক অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১৫০টির বেশি সামরিক বিমান অংশ নেয়, যেগুলোর মধ্যে ছিল যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও বোমারু বিমান। এই অভিযানেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে সস্ত্রীক আটক করা হয়।
তবে ‘মাদকবিরোধী’ বলা হলেও সামরিক এই অভিযানের উদ্দেশ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, মাদকবিরোধী অভিযান নয়, বরং ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের লোভেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে শনিবার রাতে নিউইয়র্কে আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে ‘নার্কো-টেররিজম’ বা মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার অপসারিত এই নেতা আপাতত নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকবেন।
মার্কিন আইনসংক্রান্ত একটি সূত্রের বরাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ইনডিপেনডেন্ট’ জানিয়েছে, মাদুরোর প্রথম আদালতে হাজিরা সোমবারের মধ্যে হতে পারে। এ ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী (আইএএফ)। এমনটাই জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পৃথকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু যুদ্ধবিরতি আলোচনার কোথাও ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ছিল না বলে অভিযোগ করে ইসরায়েল..
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামোগুলো বেছে বেছে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্তত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য গবেষণাকেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তেহরানের ‘শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’তে
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয় বরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমনটাই জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয়’ ঘটেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার
৩ ঘণ্টা আগে