
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল ব্রুকলিনের একটি পাতাল স্টেশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক যাত্রী সিএনএনকে জানান, ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকার ৪ অ্যাভিনিউ এবং ৩৬ স্ট্রিটের নিকটস্থ পাতাল স্টেশনটি এবং সেখানে ঘটনার সময় আগত ট্রেনটি অফিসগামী মানুষে ভর্তি মানুষ ছিল। ঘটনার সময় ওই ট্রেনের একটি বগিতে প্রায় ৪০ / ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। হঠাৎ একটি ‘স্মোক গ্রেনেড’ বিস্ফোরিত হওয়ায় নিমেষেই চারিদিক ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। ধোঁয়ায় কিছুই যখন দেখা যাচ্ছিল না—তখন এক বন্দুকধারী ওই বগির ভেতরের যাত্রীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।
এতে, পাঁচজন সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। নিমেষেই রক্তাক্ত হয়ে যায় বগিটির বিভিন্ন স্থান। প্রাণের ভয়ে যাত্রীরা ধোঁয়ার মধ্যেই ছোটাছুটি করতে থাকে। এ সময়, আরও কয়েক জন আহত হন।
ঘটনার পর থেকে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। ভেতর থেকে কাউকে বেরোতে বা বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ঘটনায় গ্যাস মাস্ক এবং শ্রমিকের ভেস্ট পরা এক ব্যক্তিকে পুলিশ খুঁজছে।
ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, আহতের মধ্যে বেশ কয়েকজন বন্দুকের গুলিতে আহত হয়েছে। তবে আহতদের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী পলাতক রয়েছে। হামলাকারী কমলা রঙের কনস্ট্রাকশনের পোশাক পরহিত ছিলেন। কী কারণে গুলি চালানো হয়েছে সেটি জানা যায়নি।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে স্টেশনের ভেতরে কোনো সক্রিয় বিস্ফোরক নেই।
নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থল এড়িয়ে যেতে বলেছেন নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামসের মুখপাত্র।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল ব্রুকলিনের একটি পাতাল স্টেশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক যাত্রী সিএনএনকে জানান, ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকার ৪ অ্যাভিনিউ এবং ৩৬ স্ট্রিটের নিকটস্থ পাতাল স্টেশনটি এবং সেখানে ঘটনার সময় আগত ট্রেনটি অফিসগামী মানুষে ভর্তি মানুষ ছিল। ঘটনার সময় ওই ট্রেনের একটি বগিতে প্রায় ৪০ / ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। হঠাৎ একটি ‘স্মোক গ্রেনেড’ বিস্ফোরিত হওয়ায় নিমেষেই চারিদিক ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। ধোঁয়ায় কিছুই যখন দেখা যাচ্ছিল না—তখন এক বন্দুকধারী ওই বগির ভেতরের যাত্রীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।
এতে, পাঁচজন সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। নিমেষেই রক্তাক্ত হয়ে যায় বগিটির বিভিন্ন স্থান। প্রাণের ভয়ে যাত্রীরা ধোঁয়ার মধ্যেই ছোটাছুটি করতে থাকে। এ সময়, আরও কয়েক জন আহত হন।
ঘটনার পর থেকে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। ভেতর থেকে কাউকে বেরোতে বা বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ঘটনায় গ্যাস মাস্ক এবং শ্রমিকের ভেস্ট পরা এক ব্যক্তিকে পুলিশ খুঁজছে।
ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, আহতের মধ্যে বেশ কয়েকজন বন্দুকের গুলিতে আহত হয়েছে। তবে আহতদের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী পলাতক রয়েছে। হামলাকারী কমলা রঙের কনস্ট্রাকশনের পোশাক পরহিত ছিলেন। কী কারণে গুলি চালানো হয়েছে সেটি জানা যায়নি।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে স্টেশনের ভেতরে কোনো সক্রিয় বিস্ফোরক নেই।
নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থল এড়িয়ে যেতে বলেছেন নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামসের মুখপাত্র।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৪ ঘণ্টা আগে