আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের প্রক্রিয়ায় পুতিন তাঁর সঙ্গে গাদ্দারি করেছেন। তিনি পুতিনের আচরণে হতাশ। ট্রাম্পের এ মন্তব্যের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারও পুতিনের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চলমান আলোচনার মাঝেও ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়ে পুতিন নিজের ‘আসল চেহারা’ দেখিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চেকার্সে স্টারমারের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প স্বীকার করেন, তিনি ভেবেছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধান করা ‘সহজ’ হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি শেষ পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান করবেন।
গত মাসে আলাস্কায় পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টকে ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু পুতিন এমন কোনো আলোচনায় বসেননি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানো সবচেয়ে সহজ হবে, কিন্তু পুতিন আমাকে হতাশ করেছেন। আমি ভেবেছিলাম, এটি সবচেয়ে সহজ হতে পারে। আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েল ও গাজার জন্য একটি সমাধানের চেষ্টা করছি, আমরা আরও অনেক সংঘাত সমাধানের চেষ্টা করছি এবং করেছি। আমি আশা রাখি, আমরা ইসরায়েল-গাজা সমস্যার সমাধান করব, একইভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনেরও সমাধান হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই যুদ্ধে ইউক্রেনের সৈন্যদের চেয়ে রুশ সেনারা বেশি নিহত হচ্ছে। কিন্তু হ্যাঁ, তিনি (পুতিন) আমাকে হতাশ করেছেন। কথা দিয়ে কথার বরখেলাপ করেছেন।’
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যকার যুদ্ধ এক দিনের মধ্যে থামিয়ে দেবেন। ট্রাম্প আরও বলেন, পুতিন ২০২২ সালে এই যুদ্ধ শুরু করেন, কারণ, সে সময়কার ‘মার্কিন নেতৃত্বকে তিনি সম্মান করতেন না’। তিনি বলেন, ‘যদি আমি প্রেসিডেন্ট থাকতাম, তবে কখনোই এই যুদ্ধ বাধত না।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তরাজ্য সফরের শেষ দিনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে স্টারমার বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পুতিন তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন, আগ্রাসন শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছেন। এতে আরও রক্তপাত হয়েছে, আরও নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে এবং ন্যাটোর আকাশসীমার নজিরবিহীন লঙ্ঘন ঘটেছে। যে ব্যক্তি শান্তি চান, এগুলো তাঁর কাজ হতে পারে না।’
দুই নেতা প্রযুক্তি খাতে একটি বড় বিনিয়োগ চুক্তিও সই করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ চুক্তির ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও পারমাণবিক শক্তিতে হাজার হাজার কর্মসংস্থান ও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। স্টারমার এই চুক্তিকে একটি ‘যুগান্তকারী’ চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেছেন, এটি ব্রিটিশ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ প্যাকেজ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের প্রক্রিয়ায় পুতিন তাঁর সঙ্গে গাদ্দারি করেছেন। তিনি পুতিনের আচরণে হতাশ। ট্রাম্পের এ মন্তব্যের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারও পুতিনের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চলমান আলোচনার মাঝেও ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়ে পুতিন নিজের ‘আসল চেহারা’ দেখিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চেকার্সে স্টারমারের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প স্বীকার করেন, তিনি ভেবেছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধান করা ‘সহজ’ হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি শেষ পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান করবেন।
গত মাসে আলাস্কায় পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টকে ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু পুতিন এমন কোনো আলোচনায় বসেননি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানো সবচেয়ে সহজ হবে, কিন্তু পুতিন আমাকে হতাশ করেছেন। আমি ভেবেছিলাম, এটি সবচেয়ে সহজ হতে পারে। আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েল ও গাজার জন্য একটি সমাধানের চেষ্টা করছি, আমরা আরও অনেক সংঘাত সমাধানের চেষ্টা করছি এবং করেছি। আমি আশা রাখি, আমরা ইসরায়েল-গাজা সমস্যার সমাধান করব, একইভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনেরও সমাধান হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই যুদ্ধে ইউক্রেনের সৈন্যদের চেয়ে রুশ সেনারা বেশি নিহত হচ্ছে। কিন্তু হ্যাঁ, তিনি (পুতিন) আমাকে হতাশ করেছেন। কথা দিয়ে কথার বরখেলাপ করেছেন।’
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যকার যুদ্ধ এক দিনের মধ্যে থামিয়ে দেবেন। ট্রাম্প আরও বলেন, পুতিন ২০২২ সালে এই যুদ্ধ শুরু করেন, কারণ, সে সময়কার ‘মার্কিন নেতৃত্বকে তিনি সম্মান করতেন না’। তিনি বলেন, ‘যদি আমি প্রেসিডেন্ট থাকতাম, তবে কখনোই এই যুদ্ধ বাধত না।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তরাজ্য সফরের শেষ দিনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে স্টারমার বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পুতিন তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন, আগ্রাসন শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছেন। এতে আরও রক্তপাত হয়েছে, আরও নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে এবং ন্যাটোর আকাশসীমার নজিরবিহীন লঙ্ঘন ঘটেছে। যে ব্যক্তি শান্তি চান, এগুলো তাঁর কাজ হতে পারে না।’
দুই নেতা প্রযুক্তি খাতে একটি বড় বিনিয়োগ চুক্তিও সই করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ চুক্তির ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও পারমাণবিক শক্তিতে হাজার হাজার কর্মসংস্থান ও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। স্টারমার এই চুক্তিকে একটি ‘যুগান্তকারী’ চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেছেন, এটি ব্রিটিশ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ প্যাকেজ।

সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সর্বশেষ যোদ্ধাটিও আজ রোববার বিদায় নিয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে এই সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আখবারিয়া জানিয়েছে।
৩ মিনিট আগে
ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন যে, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য চরম ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, ঠিক যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ‘আমাদের জন্য এক সতর্কবার্তা।’ গতকাল শনিবার তিনি এই কথা বলেন।
২০ মিনিট আগে
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে অপহরণ করে যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেন। গত শুক্রবার এক দিনের সফরে কিয়েভে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ব্যাপক ঝড় তোলে।
২৯ মিনিট আগে
পাকিস্তান এবং চীনের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরাক। দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গতকাল শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ তথ্য জানায়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির...
২ ঘণ্টা আগে