
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি যদি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড় প্রত্যাবাসন অভিযান’ চালাবেন। ২০ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি। জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বন্ধ করার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি যে উঠেপড়ে লেগেছেন তা আবারও জানিয়ে দিলেন। এ ছাড়াও ২০২১ সালের ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমার বিষয়ে শপথের দিনেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ট্রাম্প।
গত শুক্রবার সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ৫ নভেম্বর নির্বাচনে জয়লাভের পর তাঁর প্রথম সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকার।
রেকর্ডেড এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দেন, ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর অভিবাসন, জ্বালানি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ‘অনেক’ নির্বাহী আদেশ জারি করবেন তিনি।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্প বলেন, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের চেষ্টা করবেন তিনি। মার্কিন সংবিধানের ১৪ তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সবাই দেশটির নাগরিকত্ব পাবে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের এটা বন্ধ করতে হবে।’
তিনি অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন। তবে তিনি ড্রিমারস (ওবামা আমলের ডিএসিএ কর্মসূচিতে অভিবাসী সুরক্ষা) সহায়তায় ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করব।’
নির্বাচনী প্রচারকালে ট্রাম্প অনেকবারই ২০২১ সালে ক্যাপিটল হিলে হামলাকারীদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলেন। তাঁদের ‘দেশপ্রেমিক’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁরা রাজনৈতিক বন্দী।’
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে ক্যাপিটল হিলের ঘটনায় জড়িত কয়েক শতাধিক মানুষের জন্য ক্ষমার বিষয়ে তিনি কী ভাবছেন—ট্রাম্পের কাছে সেটি জানতে চাওয়া হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অভিযুক্তদের ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘এই লোকগুলো নরকে বাস করছে। আমরা আলাদাভাবে মামলাগুলো দেখব। তবে আমি খুব দ্রুত কাজ করব।’
জো বাইডেনের বিরুদ্ধে কোনো বিচার বিভাগীয় তদন্ত চালানোর ইঙ্গিত না দিলেও ট্রাম্প তাঁর কিছু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, বিশেষ করে যারা ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ঘটনার তদন্ত করেছিলেন, তাঁদের জেলে ভরার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এনবিসিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অতীতে ফিরে যেতে চাই না। আমি আমাদের দেশকে সফল করতে চাই। তবে যারা ক্যাপিটল দাঙ্গার তদন্ত করেছেন তাঁদের জেলে যাওয়া উচিত।’
সাক্ষাৎকারে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি তারা (সদস্য দেশগুলো) তাদের চাঁদা পরিশোধ করে এবং আমাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করে, তবে অবশ্যই তিনি তাদের সঙ্গে থাকবেন। পাশাপাশি ইউক্রেনে সহায়তা পাঠানো কমিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
দেশের কিছু বিষয় যেগুলো নির্বাচনী প্রচারণার সময় বেশ আলোচনায় ছিল, যেমন—গর্ভপাতের বিষয়ে ট্রাম্প কী ভাবছেন সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হয়। গর্ভপাতের বড়ি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা কমানো বা যোগ্যতার বয়স বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান তিনি। এ ছাড়া আমদানি শুল্ক আরোপে ভোক্তামূল্য বাড়তে পারে কিনা সে বিষয়ে ‘কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবেন না’ বলে সরাসরি জানিয়ে দেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি যদি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড় প্রত্যাবাসন অভিযান’ চালাবেন। ২০ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি। জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বন্ধ করার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি যে উঠেপড়ে লেগেছেন তা আবারও জানিয়ে দিলেন। এ ছাড়াও ২০২১ সালের ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমার বিষয়ে শপথের দিনেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ট্রাম্প।
গত শুক্রবার সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ৫ নভেম্বর নির্বাচনে জয়লাভের পর তাঁর প্রথম সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকার।
রেকর্ডেড এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দেন, ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর অভিবাসন, জ্বালানি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ‘অনেক’ নির্বাহী আদেশ জারি করবেন তিনি।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্প বলেন, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের চেষ্টা করবেন তিনি। মার্কিন সংবিধানের ১৪ তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সবাই দেশটির নাগরিকত্ব পাবে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের এটা বন্ধ করতে হবে।’
তিনি অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন। তবে তিনি ড্রিমারস (ওবামা আমলের ডিএসিএ কর্মসূচিতে অভিবাসী সুরক্ষা) সহায়তায় ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করব।’
নির্বাচনী প্রচারকালে ট্রাম্প অনেকবারই ২০২১ সালে ক্যাপিটল হিলে হামলাকারীদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলেন। তাঁদের ‘দেশপ্রেমিক’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁরা রাজনৈতিক বন্দী।’
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে ক্যাপিটল হিলের ঘটনায় জড়িত কয়েক শতাধিক মানুষের জন্য ক্ষমার বিষয়ে তিনি কী ভাবছেন—ট্রাম্পের কাছে সেটি জানতে চাওয়া হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অভিযুক্তদের ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘এই লোকগুলো নরকে বাস করছে। আমরা আলাদাভাবে মামলাগুলো দেখব। তবে আমি খুব দ্রুত কাজ করব।’
জো বাইডেনের বিরুদ্ধে কোনো বিচার বিভাগীয় তদন্ত চালানোর ইঙ্গিত না দিলেও ট্রাম্প তাঁর কিছু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, বিশেষ করে যারা ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ঘটনার তদন্ত করেছিলেন, তাঁদের জেলে ভরার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এনবিসিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অতীতে ফিরে যেতে চাই না। আমি আমাদের দেশকে সফল করতে চাই। তবে যারা ক্যাপিটল দাঙ্গার তদন্ত করেছেন তাঁদের জেলে যাওয়া উচিত।’
সাক্ষাৎকারে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি তারা (সদস্য দেশগুলো) তাদের চাঁদা পরিশোধ করে এবং আমাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করে, তবে অবশ্যই তিনি তাদের সঙ্গে থাকবেন। পাশাপাশি ইউক্রেনে সহায়তা পাঠানো কমিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
দেশের কিছু বিষয় যেগুলো নির্বাচনী প্রচারণার সময় বেশ আলোচনায় ছিল, যেমন—গর্ভপাতের বিষয়ে ট্রাম্প কী ভাবছেন সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হয়। গর্ভপাতের বড়ি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা কমানো বা যোগ্যতার বয়স বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান তিনি। এ ছাড়া আমদানি শুল্ক আরোপে ভোক্তামূল্য বাড়তে পারে কিনা সে বিষয়ে ‘কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবেন না’ বলে সরাসরি জানিয়ে দেন ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৭ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৯ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৯ ঘণ্টা আগে