
পশ্চিম তীরে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলাকারী সেটেলার বা বসতি স্থাপনকারী চরমপন্থী ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জনগণের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জো বাইডেন এই অভিমত দিয়েছেন। ‘দ্য ইউএস ওন্ট ব্যাক ডাউন ফ্রম দ্য চ্যালেঞ্জ অব পুতিন অ্যান্ড হামাস’ শিরোনামে নিবন্ধটি গতকাল শনিবার প্রকাশিত হয়েছে।
নিবন্ধে জো বাইডেন বলেছেন, ‘এটা অনেকটাই স্পষ্ট যে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় জনগণের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো দুই রাষ্ট্রের সহাবস্থান কেন্দ্রিক সমাধান। এতে সমান স্বাধীনতা, সুযোগ ও মর্যাদা নিয়ে দুই রাষ্ট্রের মানুষ বসবাস করবে। এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র এবং আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।’
এর আগেও বাইডেন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের কথা বলেছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের নিবন্ধে এ কথার সঙ্গে বাইডেন তাঁর ইসরায়েলঘেঁষা সুরে কিছুটা পরিবর্তন এনে বলেন, ‘আমি ইসরায়েলের নেতাদের জোর দিয়ে বলেছি যে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চরমপন্থী সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং যারা সহিংসতা করছে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম তীরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলাকারী চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারিসহ যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।’
গত মাসে বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেন ও ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে কংগ্রেসের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থের তহবিল চেয়েছিল। সে সময় ওভাল অফিসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এই পরিস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘পরিবর্তনের মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন। নিবন্ধে বাইডেন ইউক্রেন ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দুটির মধ্যে কয়েকটি সাদৃশ্য টানারও চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, ‘পুতিন ও হামাস উভয়েই মানচিত্র থেকে প্রতিবেশীদের গণতান্ত্রিক অধিকার মুছে ফেলার জন্য লড়াই করছে। বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও একত্রীকরণের পতন ঘটাতে এবং পরে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেওয়ার আশা করছে পুতিন ও হামাস। সমগ্র বিশ্বের মঙ্গল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমেরিকা তা ঘটতে দিতে পারে না এবং দেবেও না।’
বাইডেনের এই হুমকি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ভিসা ওয়েইভার প্রোগ্রামের নীতি লঙ্ঘনের ব্যাপারে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ভিসা ওয়েইভার প্রোগ্রামের আওতায় ইসরায়েলের ভ্রমণকারীরা ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আবেদন করতে পারে। অক্টোবরের শেষ দিকে ইসরায়েল এই কর্মসূচিতে যোগ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচিতে নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাট মিলার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ইসরায়েল এই কর্মসূচি মেনে না নিলে আমাদের হাতে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা রয়েছে।’

পশ্চিম তীরে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলাকারী সেটেলার বা বসতি স্থাপনকারী চরমপন্থী ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জনগণের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জো বাইডেন এই অভিমত দিয়েছেন। ‘দ্য ইউএস ওন্ট ব্যাক ডাউন ফ্রম দ্য চ্যালেঞ্জ অব পুতিন অ্যান্ড হামাস’ শিরোনামে নিবন্ধটি গতকাল শনিবার প্রকাশিত হয়েছে।
নিবন্ধে জো বাইডেন বলেছেন, ‘এটা অনেকটাই স্পষ্ট যে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় জনগণের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো দুই রাষ্ট্রের সহাবস্থান কেন্দ্রিক সমাধান। এতে সমান স্বাধীনতা, সুযোগ ও মর্যাদা নিয়ে দুই রাষ্ট্রের মানুষ বসবাস করবে। এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র এবং আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।’
এর আগেও বাইডেন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের কথা বলেছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের নিবন্ধে এ কথার সঙ্গে বাইডেন তাঁর ইসরায়েলঘেঁষা সুরে কিছুটা পরিবর্তন এনে বলেন, ‘আমি ইসরায়েলের নেতাদের জোর দিয়ে বলেছি যে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চরমপন্থী সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং যারা সহিংসতা করছে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম তীরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলাকারী চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারিসহ যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।’
গত মাসে বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেন ও ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে কংগ্রেসের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থের তহবিল চেয়েছিল। সে সময় ওভাল অফিসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এই পরিস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘পরিবর্তনের মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন। নিবন্ধে বাইডেন ইউক্রেন ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দুটির মধ্যে কয়েকটি সাদৃশ্য টানারও চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, ‘পুতিন ও হামাস উভয়েই মানচিত্র থেকে প্রতিবেশীদের গণতান্ত্রিক অধিকার মুছে ফেলার জন্য লড়াই করছে। বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও একত্রীকরণের পতন ঘটাতে এবং পরে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেওয়ার আশা করছে পুতিন ও হামাস। সমগ্র বিশ্বের মঙ্গল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমেরিকা তা ঘটতে দিতে পারে না এবং দেবেও না।’
বাইডেনের এই হুমকি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ভিসা ওয়েইভার প্রোগ্রামের নীতি লঙ্ঘনের ব্যাপারে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ভিসা ওয়েইভার প্রোগ্রামের আওতায় ইসরায়েলের ভ্রমণকারীরা ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আবেদন করতে পারে। অক্টোবরের শেষ দিকে ইসরায়েল এই কর্মসূচিতে যোগ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচিতে নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাট মিলার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ইসরায়েল এই কর্মসূচি মেনে না নিলে আমাদের হাতে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা রয়েছে।’

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩০ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে