
ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশের রাস্তাঘাট, সেতু, মহাসড়ক বিনির্মাণ ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বিপুল অংকের অর্থ খরচের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের অবকাঠামো পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এ বিষয়ে বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা একমত হয়েছি। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সিনেটরদের নিয়ে কয়েক মাস ধরে হোয়াইট হাউসে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫৭৯ বিলিয়ন ডলার বিদ্যুতের ন্যাশনাল গ্রিড, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা এবং যাত্রী ও মালবাহী রেলে বিনিয়োগ করা হবে।
তবে স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু যত্নের একটি বরাদ্দের বিষয়ে বলে আসছিলেন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা। প্রেসিডেন্টএ এটিকে ‘মানব অবকাঠামো’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কিন্তু অবকাঠামো ব্যয় পরিকল্পনায় এটি শেষ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
আট বছরের এই পরিকল্পনার প্রস্তাবে রাস্তা, সেতু ও বড় প্রকল্পের জন্য ১০৯ বিলিয়ন, বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ৭৩ বিলিয়ন, যাত্রী ও মালবাহী রেলে ৬৬ বিলিয়ন, ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় ৬৫ বিলিয়ন, পাবলিক ট্রানজিটে ৪৯ বিলিয়ন এবং বিমানবন্দরগুলোর জন্য ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
বিনিয়োগের জন্য এক ডজন তহবিলের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হবে। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা বাস্তবায়নে র্যাম্প আপ থেকে ১০০ বিলিয়ন ব্যয় করা হবে। অব্যবহৃত কোভিড-১৯ সহায়তা অর্থ এবং বেকারত্ব বিমা তহবিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
আলোচনায় যুক্ত হওয়া ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সদস্যদের হোয়াইট হাউসে হাসিমুখে পরিকল্পনার কথা বলতে দেখা গেছে।

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশের রাস্তাঘাট, সেতু, মহাসড়ক বিনির্মাণ ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বিপুল অংকের অর্থ খরচের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের অবকাঠামো পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এ বিষয়ে বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা একমত হয়েছি। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সিনেটরদের নিয়ে কয়েক মাস ধরে হোয়াইট হাউসে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫৭৯ বিলিয়ন ডলার বিদ্যুতের ন্যাশনাল গ্রিড, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা এবং যাত্রী ও মালবাহী রেলে বিনিয়োগ করা হবে।
তবে স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু যত্নের একটি বরাদ্দের বিষয়ে বলে আসছিলেন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা। প্রেসিডেন্টএ এটিকে ‘মানব অবকাঠামো’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কিন্তু অবকাঠামো ব্যয় পরিকল্পনায় এটি শেষ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
আট বছরের এই পরিকল্পনার প্রস্তাবে রাস্তা, সেতু ও বড় প্রকল্পের জন্য ১০৯ বিলিয়ন, বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ৭৩ বিলিয়ন, যাত্রী ও মালবাহী রেলে ৬৬ বিলিয়ন, ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় ৬৫ বিলিয়ন, পাবলিক ট্রানজিটে ৪৯ বিলিয়ন এবং বিমানবন্দরগুলোর জন্য ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
বিনিয়োগের জন্য এক ডজন তহবিলের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হবে। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা বাস্তবায়নে র্যাম্প আপ থেকে ১০০ বিলিয়ন ব্যয় করা হবে। অব্যবহৃত কোভিড-১৯ সহায়তা অর্থ এবং বেকারত্ব বিমা তহবিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
আলোচনায় যুক্ত হওয়া ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সদস্যদের হোয়াইট হাউসে হাসিমুখে পরিকল্পনার কথা বলতে দেখা গেছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
২ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
২ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৫ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৫ ঘণ্টা আগে