আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনি অ্যাকটিভিস্ট মাহমুদ খলিল, সম্প্রতি লুইজিয়ানার একটি অভিবাসন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি এবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে কারারুদ্ধ করা হয়েছে, বিদ্বেষমূলকভাবে বিচার করা হয়েছে এবং ইহুদি-বিদ্বেষী হিসেবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কারণে সরকার তাঁকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করেছে।
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ বছর বয়সী এই প্রাক্তন স্নাতক ১০ সপ্তাহের পুত্র সন্তান দীনকে কোলে নিয়ে সেই কঠিন রাতের কথা স্মরণ করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তিনি সন্তান ভূমিষ্ঠের সংবাদ পাওয়ার অপেক্ষায় শীতল কারাগারে প্রহর গুনছিলেন। খলিল বলেন, ‘সেই রাতের যন্ত্রণা আমি বর্ণনা করতে পারব না। এটা এমন কিছু যা আমি কখনো ক্ষমা করব না।’
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার মাহমুদ খলিলের আইনজীবীরা ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন। খলিল জানান, তাঁর লক্ষ্য হলো একটি বার্তা পাঠানো যে, তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে কারণ তারা মনে করে তাদের কেউ আটকাতে পারবে না।’
খলিল আরও জানান, যদি তিনি কোনো ক্ষতিপূরণের অর্থ পান, তবে সেই অর্থ ট্রাম্প প্রশাসনের ফিলিস্তিনপন্থীদের দমনে ‘ব্যর্থ’ প্রচেষ্টার ভুক্তভোগী অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেবেন। তিনি একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা এবং প্রশাসনের নির্বাসন নীতিতে পরিবর্তনেরও দাবি করেছেন।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র খলিলের দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলছেন, খলিলের ‘ঘৃণামূলক আচরণ ও বক্তব্য’ ইহুদি শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকি ছিল। তবে খলিল গ্রেপ্তারের আগে এবং পরেও ইহুদি-বিদ্বেষের নিন্দা করেছেন। তাঁকে আটক করে রাখা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। হামাস বা অন্য কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে এমন অভিযোগও সরকার আনেনি।
মাহমুদ খলিল জানান, গত ৮ মার্চ তাঁকে ‘কার্যত অপহরণ’ করা হয়েছিল। ওই সময় তিনি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁকে কোনো পরোয়ানা দেখানো হয়নি। পরে ফেডারেল এজেন্টরা জেনে বিস্মিত হয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকার একজন বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা। এরপর তাঁকে লুইজিয়ানার জেনা-তে একটি অভিবাসন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়টি তাঁর পরিবার ও আইনজীবীদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। কারাবাসের সময় তাঁকে আলসারের ওষুধ দেওয়া হয়নি। তীব্র ফ্লুরোসেন্ট আলোর নিচে ঘুমাতে বাধ্য করা হয়েছে এবং ‘প্রায় অখাদ্য’ খাবার দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তিনি ১৫ পাউন্ড ওজন হারিয়েছেন।
১০৪ দিন আটক থাকার পর, গত ২০ জুন একজন ফেডারেল বিচারক খলিলকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচার বলেন, খলিলকে পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টা অসাংবিধানিক।
মুক্তির পর থেকে খলিল তাঁর নবজাতক পুত্র এবং স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করছেন। গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।

ফিলিস্তিনি অ্যাকটিভিস্ট মাহমুদ খলিল, সম্প্রতি লুইজিয়ানার একটি অভিবাসন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি এবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে কারারুদ্ধ করা হয়েছে, বিদ্বেষমূলকভাবে বিচার করা হয়েছে এবং ইহুদি-বিদ্বেষী হিসেবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কারণে সরকার তাঁকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করেছে।
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ বছর বয়সী এই প্রাক্তন স্নাতক ১০ সপ্তাহের পুত্র সন্তান দীনকে কোলে নিয়ে সেই কঠিন রাতের কথা স্মরণ করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তিনি সন্তান ভূমিষ্ঠের সংবাদ পাওয়ার অপেক্ষায় শীতল কারাগারে প্রহর গুনছিলেন। খলিল বলেন, ‘সেই রাতের যন্ত্রণা আমি বর্ণনা করতে পারব না। এটা এমন কিছু যা আমি কখনো ক্ষমা করব না।’
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার মাহমুদ খলিলের আইনজীবীরা ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন। খলিল জানান, তাঁর লক্ষ্য হলো একটি বার্তা পাঠানো যে, তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে কারণ তারা মনে করে তাদের কেউ আটকাতে পারবে না।’
খলিল আরও জানান, যদি তিনি কোনো ক্ষতিপূরণের অর্থ পান, তবে সেই অর্থ ট্রাম্প প্রশাসনের ফিলিস্তিনপন্থীদের দমনে ‘ব্যর্থ’ প্রচেষ্টার ভুক্তভোগী অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেবেন। তিনি একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা এবং প্রশাসনের নির্বাসন নীতিতে পরিবর্তনেরও দাবি করেছেন।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র খলিলের দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলছেন, খলিলের ‘ঘৃণামূলক আচরণ ও বক্তব্য’ ইহুদি শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকি ছিল। তবে খলিল গ্রেপ্তারের আগে এবং পরেও ইহুদি-বিদ্বেষের নিন্দা করেছেন। তাঁকে আটক করে রাখা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। হামাস বা অন্য কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে এমন অভিযোগও সরকার আনেনি।
মাহমুদ খলিল জানান, গত ৮ মার্চ তাঁকে ‘কার্যত অপহরণ’ করা হয়েছিল। ওই সময় তিনি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁকে কোনো পরোয়ানা দেখানো হয়নি। পরে ফেডারেল এজেন্টরা জেনে বিস্মিত হয়েছিলেন যে, তিনি আমেরিকার একজন বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা। এরপর তাঁকে লুইজিয়ানার জেনা-তে একটি অভিবাসন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়টি তাঁর পরিবার ও আইনজীবীদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। কারাবাসের সময় তাঁকে আলসারের ওষুধ দেওয়া হয়নি। তীব্র ফ্লুরোসেন্ট আলোর নিচে ঘুমাতে বাধ্য করা হয়েছে এবং ‘প্রায় অখাদ্য’ খাবার দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তিনি ১৫ পাউন্ড ওজন হারিয়েছেন।
১০৪ দিন আটক থাকার পর, গত ২০ জুন একজন ফেডারেল বিচারক খলিলকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচার বলেন, খলিলকে পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টা অসাংবিধানিক।
মুক্তির পর থেকে খলিল তাঁর নবজাতক পুত্র এবং স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করছেন। গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।

ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলা থেকে গ্রেপ্তারের পর নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ভয়ংকর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। এদিকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি শপ
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পরিবারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রকাশিত অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস এবং ছেলে নিকোলাস এরনেস্তো মাদুরো গেরার বিরুদ্ধে মাদক পাচার, নার্কো-সন্ত্রাসবাদ এবং
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার পর দেশটি বর্তমানে কে পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (৪ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এই প্রশ্ন
১০ ঘণ্টা আগে