
ইউটিউবে ‘রডিকুলাস’ নামে নিজের একটি পডকাস্টে দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের বাসিন্দা রোসানা পানসিনো। পাঁচ বছর আগে লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলেন। এবার তিনি মৃত বাবার ছাইভস্ম গাঁজার সঙ্গে মিশিয়ে ধূমপান করে উড়িয়ে দিয়েছেন। দাবি করেছেন, বাবার শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানাতেই তিনি এমনটি করেছেন।
সোমবার ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৯ বছর বয়সী রোসানা একজন পেশাদার রাঁধুনি। তিনি তাঁর পডকাস্টের নতুন একটি পর্বে স্বীকার করেছেন, মৃত্যুর আগে তাঁর বাবা ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন—যেন তাঁর ছাই একটি ‘গাঁজা গাছ’ জন্মানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। আর তাঁর প্রিয়জনেরা যেন তাঁকে ধূমপানের সঙ্গে টেনে নেন।
গাঁজা সেবন ওয়াশিংটনে বৈধ হলেও বাবার শেষ ইচ্ছার কথা শুনে বেশ অবাক হয়েছিলেন রোসানা এবং তাঁর মা। পরে তাঁরা কয়েক বছর ধরে সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত বাবাকে সম্মান জানানোর সময় এসেছে বলে মনে করেন রোসানা। গতকাল রোববার (১৭ নভেম্বর) নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। এতে দেখা যায়, পাঁচ বছর ধরে আগলে রাখা বাবার ছাইভস্ম গাঁজা গাছ বড় করার জন্য রাখা মাটির সঙ্গে মেশাচ্ছেন রোসানা। আর অবশিষ্ট ছাইভস্ম তিনি গাঁজার সঙ্গে মিশিয়ে তিনি কতগুলো ‘জয়েন্ট’ তৈরি করেছেন। পরে সরাসরি সম্প্রচারের মধ্যেই তিনি একটি জয়েন্ট থেকে ধূমপান করেন।
ভিডিওর শুরুর দিকে রোসানা বলেছিলেন, ‘আমার বাবা ছিলেন খুব আশ্চর্যজনক এক মানুষ। তিনি বেশ কিছুটা বিদ্রোহীও ছিলেন। আমি তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করব।’
পরে তাঁর বাবার ছাইয়ের একটি স্কুপ গাঁজা গাছ জন্মানোর জন্য রাখা মাটির সঙ্গে মেশানোর একটি ফুটেজ প্রকাশ করেন রোসানা। তিনি বলেন, ‘আমরা সম্প্রতি গাঁজা গাছটি সংগ্রহ করেছি এবং আমরা জয়েন্ট তৈরি করেছি।’
পডকাস্টের শেষদিকে রোজানা জয়েন্টগুলো থেকে একটি হাতে নিয়ে তা জ্বালিয়ে দেন এবং ধূমপান শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমার বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করে সম্মান জানাতে যাচ্ছি। আমি আমার মৃত বাবাকে ধূমপান করছি।’
ভিডিওতে জয়েন্টে টান দেওয়ার পর রোসানা কাশতে শুরু করেন এবং বলেন, ‘বাহ, ঠিক আছে, ঠিক আছে।’
যেসব দর্শক রোসানার পডকাস্ট দেখছিলেন তাঁরা কিছুটা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তবে তাঁরা মন্তব্য করে রোসানার প্রতি সমর্থনও দেখিয়েছেন।

ইউটিউবে ‘রডিকুলাস’ নামে নিজের একটি পডকাস্টে দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের বাসিন্দা রোসানা পানসিনো। পাঁচ বছর আগে লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলেন। এবার তিনি মৃত বাবার ছাইভস্ম গাঁজার সঙ্গে মিশিয়ে ধূমপান করে উড়িয়ে দিয়েছেন। দাবি করেছেন, বাবার শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানাতেই তিনি এমনটি করেছেন।
সোমবার ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৯ বছর বয়সী রোসানা একজন পেশাদার রাঁধুনি। তিনি তাঁর পডকাস্টের নতুন একটি পর্বে স্বীকার করেছেন, মৃত্যুর আগে তাঁর বাবা ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন—যেন তাঁর ছাই একটি ‘গাঁজা গাছ’ জন্মানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। আর তাঁর প্রিয়জনেরা যেন তাঁকে ধূমপানের সঙ্গে টেনে নেন।
গাঁজা সেবন ওয়াশিংটনে বৈধ হলেও বাবার শেষ ইচ্ছার কথা শুনে বেশ অবাক হয়েছিলেন রোসানা এবং তাঁর মা। পরে তাঁরা কয়েক বছর ধরে সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত বাবাকে সম্মান জানানোর সময় এসেছে বলে মনে করেন রোসানা। গতকাল রোববার (১৭ নভেম্বর) নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। এতে দেখা যায়, পাঁচ বছর ধরে আগলে রাখা বাবার ছাইভস্ম গাঁজা গাছ বড় করার জন্য রাখা মাটির সঙ্গে মেশাচ্ছেন রোসানা। আর অবশিষ্ট ছাইভস্ম তিনি গাঁজার সঙ্গে মিশিয়ে তিনি কতগুলো ‘জয়েন্ট’ তৈরি করেছেন। পরে সরাসরি সম্প্রচারের মধ্যেই তিনি একটি জয়েন্ট থেকে ধূমপান করেন।
ভিডিওর শুরুর দিকে রোসানা বলেছিলেন, ‘আমার বাবা ছিলেন খুব আশ্চর্যজনক এক মানুষ। তিনি বেশ কিছুটা বিদ্রোহীও ছিলেন। আমি তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করব।’
পরে তাঁর বাবার ছাইয়ের একটি স্কুপ গাঁজা গাছ জন্মানোর জন্য রাখা মাটির সঙ্গে মেশানোর একটি ফুটেজ প্রকাশ করেন রোসানা। তিনি বলেন, ‘আমরা সম্প্রতি গাঁজা গাছটি সংগ্রহ করেছি এবং আমরা জয়েন্ট তৈরি করেছি।’
পডকাস্টের শেষদিকে রোজানা জয়েন্টগুলো থেকে একটি হাতে নিয়ে তা জ্বালিয়ে দেন এবং ধূমপান শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমার বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করে সম্মান জানাতে যাচ্ছি। আমি আমার মৃত বাবাকে ধূমপান করছি।’
ভিডিওতে জয়েন্টে টান দেওয়ার পর রোসানা কাশতে শুরু করেন এবং বলেন, ‘বাহ, ঠিক আছে, ঠিক আছে।’
যেসব দর্শক রোসানার পডকাস্ট দেখছিলেন তাঁরা কিছুটা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তবে তাঁরা মন্তব্য করে রোসানার প্রতি সমর্থনও দেখিয়েছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে